1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Author :
  5. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  6. [email protected] : News Reporter :
মে’য়েদের পাঁচটি অ’ঙ্গ বড় হলে স্বামীরা সৌভাগ্য’বান হয়ে থাকে
শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন

মে’য়েদের পাঁচটি অ’ঙ্গ বড় হলে স্বামীরা সৌভাগ্য’বান হয়ে থাকে

Desk Report
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২০
  • ১৫৩২ Time View

লোকজনরা জানে না যে, পুরুষরা একবার হলেও তাদের দুঃখ দিতে পারে কিন্তু নারীরা কখনই সেটা করে না। একথা একদম সত্যি যে বিয়ে দেওয়ার পর মে’য়েরা মে’য়েই থাকে কিন্তু ছে’লেরা স্বামী হয়ে যায়। এই জগতে অমূল্য অবদান রয়েছে মহিলাদের। কারণ তাদের থেকেই সৃষ্টি হয় নতুন প্রা’ণের।আমা'দের দেশে এখনো কিছু কিছু গ্রাম রয়েছে যেখানে কন্যাসন্তান জন্ম নিলে রীতিমত শোক পালন করা হয়। অথচ তাদের সত্যিই কোন ধারণা নেই যে বর্তমান যুগে নারীরা কতটা এগিয়ে গেছে। পুরুষদের সাথেই কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে সমস্ত রকম দায়িত্ব সামলাতে পারে তারা।

সবাই জানে যে নারীরাই নতুন প্রা’ণের উৎস, তবুও নারীদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়া হয় না। তবে বলা উচিত যে, বর্তমানে অনেক লোকজনেরই নারীদের স’ম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা পাল্টেছে। আর কোন ধরনের মহিলারা তাদের পরিবার ও স্বামীর জন্য সৌভাগ্যশালী হন। এ ক্ষেত্রে মহিলাদের নির্দিষ্ট কয়েকটি অ'ঙ্গ বড় হলে তা পরিবারে সুখ-সমৃ'দ্ধি নিয়ে আসে।আসুন দেখে নেওয়া যাক কোন কোন অ'ঙ্গ বড় হলে তা পরিবারে সুখ-সমৃ'দ্ধি নিয়ে আসে:

লম্বা চুলঃ যেসব মহিলাদের চুল লম্বা তাদের বরাবরই পরিবারের জন্য অ’ত্যন্ত ভাগ্যশালী মনে করা হয়। এই ধরণের মহিলারা যে পরিবারে যান সেই পরিবারে কখনোই টাকা-পয়সার অভাব হয়না।

বড় চোখঃ যেসব মহিলার চোখ বড় হয় তাদের দেখতে তো সুন্দরী লাগেই, এছাড়াও এনারা স্বামীকে অ’ত্যন্ত ভালোবাসেন। যে বাড়িতে এনারা যান সেখানে ধন-সম্পদের আধিক্য ঘটে। এই ধরণের মহিলারা কখনই নিজের স্বামীকে ঠকান না।লম্বা নাকঃযেসব মহিলাদের নাক লম্বা হয় তাদের সব রকম সমস্যা শান্ত মা’থায় সমাধান করার ক্ষমতা থাকে। এনাদের টাকা খরচ করার প্রবণতা থাকে, তবে তারা কখনই বাজে খরচ করেন না।

লম্বা গ'লাঃযেসব মহিলার লম্বা গ'লা আছে তার অ’ত্যন্ত সৌভাগ্যের অধিকারীনি হন।

লম্বা আঙুলঃযেসব মহিলাদের আঙুল লম্বা হয় তারা অ’ত্যন্ত বু'দ্ধীমতি হন, আর তাদের লেখা-পড়া করার দারুণ সখ থাকে। এই ধরণের মহিলারা টাকা-পয়সা কম খরচ করেন এবং টাকা-পয়সা পেলে চেষ্টা করেন তা কিভাবে বাড়ানো যায়।

আরো পরুন ছে’লেদের মধ্যে যে জিনিস দেখলে যেকোন মে’য়েরা দুর্বল হয়ে যায়!ছে’লেদের কিছু গু'ন মে’য়েদেরকে আকৃষ্ট করে, দুর্বল করে তোলে। ছে’লেদের কাছে এ বিশেষ গু'নগু'লো থাকলে তার প্রতি অনেক মে’য়ের ভালবাসা জাগে। এ গু'নগু'লোর মধ্যে উচ্চতা, গায়ের রং বা বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়। কাঙ্ক্ষিত পুরুষের মাঝে আরও বিশেষ কিছু খোঁজেন মে’য়েরা। বি'ষয়টা পুরোপুরিই মনো-দৈহিক। শরীর তো আছেই, স'ঙ্গে অবশ্যই থাকতে হবে আবেগ-অনুভূ'তিও।নারীর হূদয় জয়ে সফল 'হতে হলে এসব পুরুষালি গু'ণের চর্চায় মনোযোগী 'হতে পারেন আজ থেকেই। পড়ুন এমন ছয়টি গু'ণের কথা—
ফিটফাট থাকুন

নারীরা দীর্ঘদে'হী পুরুষ পছন্দ করেন বটে, তবে উচ্চতাই শেষ কথা নয়। গু'রুত্বপূর্ণ হলো আপনি কী’’’ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন। আসল বি'ষয় হলো নারী বুঝতে চায় আপনি নিজের যত্ন নিতে, ফিটফাট থাকতে পারছেন কি না। তাঁরা ভাবেন, যে পুরুষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমা’র দেখভাল করবেন কী’’’ করে?

সুতরাং, আলুথালু পোশাক, এলোমেলো চুল, নখ না কা’টা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসীনতার দিন শেষ। হালের নারীরা এসব একেবারেই পছন্দ করেন না। নারীর মন পেতে হলে এসব খামখেয়ালিপনা আজই ছাড়ুন।

নিজের রুচি তুলে ধরুন

দামি ব্র্যান্ডের জামা-জুতো 'হতে হবে বি'ষয়টা মোটেও এমন নয়। আর যদি একটার স'ঙ্গে বেমানান আরেকটা এই ব্র্যান্ডের শার্ট, ওই ব্র্যান্ডের জুতো, সেই ব্র্যান্ডের জিনস হয় তাহলে তা আপনাকে দেখেই দৌড়ে পালাতে পারে যে কেউ। তাই সাধারণ দোকান থেকে কেনা হলেও পোশাকে-আশাকে নিজের রুচি পছন্দটা তুলে ধরুন। আর খেয়াল রাখু’ন তা যেন আপনার শারীরিক গড়ন আর গায়ের রঙের স'ঙ্গে মানানসই হয়। নিজের একটা স্টাইল গড়ে তুলুন।আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যেমন নারীদের ‘সন্ন্যাসিনী’ সেজে থাকা পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি আধুনিক নারীরাও ‘অফিস টাইপ’ পোশাকের পুরুষদের পছন্দ করেন না।

মুখে হাসি ফো’টান

রসবোধ থাকা’টা যে কারও জন্যই উঁচুমানের গু'ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কাঙ্ক্ষিত পুরুষের চরিত্রে নারীরা এটা খোঁজেন। প্রাত্যহিক জীবনে এমনিতেই বহু ঝুট-ঝামেলা নিয়ে ত্য'ক্ত-বির’ক্ত হয়ে থাকার মতো যথেষ্টই কারণ থাকে নারীদের। তাই একজন মনম’রা টাইপ স'ঙ্গী তাঁদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা।

তাই নিজে হাসুন, তাঁর মুখেও হাসি ফো’টাতবে খেয়াল রাখতে হবে ঠাট্টা-তামাশা করতে গিয়ে সব সময়ই অন্য কাউকে খাটো করা, আ’ঘা'ত করা মোটেই কাজের কথা না। অনেক নারীই এটা রীতিমতো অ’পছন্দ করেন। আর যে পুরুষ হাসিমুখে নিজের ভুল স্বীকার করতে পারেন, নিজেকে নিজেই মশকরা করতে পারেন, তাঁর প্রতি নারীদের আকর্ষণ কতটা তীব্র সে বি'ষয়ে আম’রা কিছু বলব না, আপনি নিজেই তা পরীক্ষা করে দেখু’ন।

তাঁকে বুঝতে দিন যে আপনি যত্নবান

নারীরা সব সময়ই বারবারই এটা নিশ্চিত 'হতে চান যে তাঁকে কেউ ভালোবাসছেন, তাঁর খেয়াল রাখছেন। তাঁর হাত ধরে হাঁটা, সুযোগ পেলে একস'ঙ্গে সূর্যাস্ত দেখা—হোক তা বারান্দায় দুই মিনিটের জন্য, মাঝেমধ্যেই জড়িয়ে ধ’রা, রাস্তা পেরোনোর সময় তাঁর খেয়াল রাখার মতো কাজগু'লোকে মোটেই অবহেলা করবেন না। আপনার এসব ছোট ছোট অভ্যাস থেকে অনেক কিছুই বোঝা যায়। কখনো কখনো রাস্তায়, বেড়াতে গিয়ে সবার সামনে তাঁর হাত ধরে হাঁটা মানে আপনি তাঁকে নিয়ে গর্বিত। তবে এ চর্চা যেন হয় জড়তাহীন, সাবলীল আর আতিশয্য বর্জিত।

ও চোখে চোখ পড়েছে

যখনই তাঁর চোখে চোখ রেখে তাকান। মিষ্টি করে একবার হাসুন। ভালোবাসার চোখে সরাসরি তাঁর চোখে তাকালে একজন নারী যে অনুভূ'তি পান তার তুলনা করা দুষ্কর। আপনার ওই চাহনিতে নিজেকে লাখে একজন মনে 'হতে পারে তাঁর। আর মাঝেমধ্যেই চোখে চোখ রেখে তাকানোটা জরুরি। কেননা, অনেক কথায় যা হয় না, চোখের ভাষায় সেটা বলা হয়ে যেতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz