1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  5. [email protected] : News Reporter :
করোনা থেকে বাঁচতে মেয়েদের নিয়ে জঙ্গলেই পালালেন মা !
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০২:০৩ অপরাহ্ন

করোনা থেকে বাঁচতে মেয়েদের নিয়ে জঙ্গলেই পালালেন মা !

Desk Report
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০
  • ১৮১ Time View
করোনা থেকে বাঁচতে মেয়েদের নিয়ে জঙ্গলেই পালালেন মা !

বড় স্বপ্ন নিয়েই রাজধানী শহরে এসেছিলেন মা'রিয়া টাম্বো। আমাজন জ'ঙ্গলের গহীন গ্রাম থেকে লিমায় এসে বাসা ভাড়া করেছিলেন, যাতে বড় মেয়েকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো যায়। গ্রামের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মানুষ হবে তার মেয়ে এমিলি। একটি স্কলার'শিপও জুটেছিল মেয়ের। খরচ জোগাড়ে নিজে একটি হোটেলে কাজ নিয়েছিলেন মা মা'রিয়া।

মেয়েকে নিয়ে মায়ের স্বপ্ন যেন গু'ঁড়িয়ে দিল করো'নাভাইরাস মহা'মা'রি। পেরুতে করো'নার সংক্রমণ শুরু হলে বড় সংকটে পড়েন মা'রিয়া। একেবারে বেকার হয়ে পড়েন তিনি। কর্মসংস্থানের কোনো সুযোগ নেই। সন্তানদের খাবার জুটছে না। এরইমধ্যে সরকারি সি'দ্ধান্তে ২ মাস কোয়ারেন্টাইনে পড়েন তারা। দুই মাস কোয়ারেন্টাইনে থেকে বাসা ভাড়া দেওয়া বা খাবার জোগাড় করার মতো কোনো পয়সা নেই হাতে। উপায়ন্তর না পেয়ে সি'দ্ধান্ত নেন গ্রামে ফেরার।

কিন্তু সব গণপরিবহন বন্ধ। কীভাবে যাব'েন, বাড়ি তো আর কাছে নয়, ৩৫০ মাইল দূর। স'ঙ্গে তিন-তিনটি মেয়ে। একদিনে করো'নার হানা, অন্যদিকে নিরন্ন, বাঁচতে হলে পালাতে হবেই।

সবচেয়ে ছোট্ট মেয়েকে পিঠে ঝুলিয়ে আর দুজনকে দুই হাতে ধরে পথে নামলেন মা'রিয়া। বড় মেয়ের কাঁধে ব্যাগ।

হাঁটা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই! সামনে সাড়ে তিনশ’ মাইল পথ। গন্তব্য আমাজনের গহীন উসায়ালি অঞ্চল।

মা'রিয়া টাম্বো বলেন, আমি জানতাম, নিজ সন্তানদের কী ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে যাচ্ছি কিন্তু আমা'র কোনও বিকল্পও ছিলো না। হয় আমাকে এই চেষ্টা করতে 'হতো অথবা নিজের ঘরেই না খেয়ে মর'তে 'হতো। মা'রিয়ার অ'ভিযোগ, ২ মাস থেকে তিনি ঘর থেকে না বের হলেও সরকার কোনও খোঁজ নেয়নি তাদের। এ কারণেই জ'ঙ্গলের পথে ৩৫০ মাইল হাঁটতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

মে মাসের শুরুর ঘটনা। দুই মেয়ের হাত ধরে, এক মেয়েকে পিঠে নিয়ে হাঁটছেন তো হাঁটছেন মা'রিয়া। দিনের বেলা রোদ্রতাপ, রাতের অন্ধকার। পথে ক্ষুধা-তৃষ্ণা। একদিনতো ভেঙেই পড়লেন মা। তারপর নিজেই নিজেকে সাহস দিলেন, পথ পেরুতেই হবে। পথে এক ট্রাক ড্রাইভারের কাছ থেকে পেলেন কিছু খাবার। ওই ড্রাইভার তার সুবিধামতো কিছু পথ ট্রাকে এগিয়ে দিলেন। অবশেষে সাত রাত সাতদিন পর আমাজনের জ'ঙ্গলের কিনারা পেলেন। কিন্তু জ'ঙ্গলের পথে ঢুকতেই আট'কালো পু'লিশ। লিমা শহর ছেড়ে পলায়নরত মানুষকে ঠেকানোর জন্য পু'লিশ টহল দিচ্ছে।

তবে পু'লিশকে মিথ্যেই বলতে হলো মা-মেয়েদের। মা'রিয়া বললেন, সামনেই আমা'দের খামা'র। আমর'া সেখানেই থাকি।

এরপর নানান জেরার পর পু'লিশ তাদের ছেড়ে দিল। অবশেষে জ'ঙ্গল পেরিয়ে এক রাতের বেলায় নিজের বাড়িতে পৌছতে পারলো মা'রিয়া ও তার মেয়েরা। তবে তাদের স্বাগত জানাতে এলো কেবল বাড়ির পোষা কুকুরটি। মা'রিয়ার স্বামী বা শ্বশুর করো'নার ভয়ে কেউই কাছে এলেন না। এতোদিন পর দেখা, তাও কার একটু আলি'ঙ্গনও মিললো না।

পেরুতে বুধবার পর্যন্ত করো'নায় আ'ক্রা'ন্ত হয়েছেন দুই লাখ ৪০ হাজার মানুষ। মা'রা গেছেন ৭ হাজারের বেশি। এমন পরিস্থিতিতে হয়তো পালিয়ে জ'ঙ্গলে এসে বেঁচে গেছেন সন্তানদের নিয়ে সাড়ে তিনশ’ মাইল হেঁটে পেরুনো মা'রিয়া।

জ'ঙ্গলে কষ্ট পেলেও আর লিমায় ফিরতে চান না মা'রিয়া বা তার মেয়েরা কেউ। খবর : সিএনএন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz