1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  5. [email protected] : News Reporter :
এইমাত্র পাওয়া: করো’নায় আ’ক্রান্ত ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ০১:২৫ অপরাহ্ন

এইমাত্র পাওয়া: করো’নায় আ’ক্রান্ত ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন

Desk Report
  • Update Time : শনিবার, ২০ জুন, ২০২০
  • ১৩৩ Time View

এলজিআরডি মন্ত্রণালয় স’ম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি

ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন করো’নাভাই’রাসে আ’ক্রা'ন্ত হয়েছেন।

আজ শুক্রবার দুপুরে গণমাধ্যমকে তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, অন্যদের পরাম’র্শে

করো’না পরীক্ষা করিয়েছিলাম। ডাক্তাররা বলেছেন আমি করো’না পজিটিভ।

তিনি আরো জানান, আমা’র তেমন কোনো উপসর্গ ছিল না।

জ্বর-কাশি বা অন্য কোনো উপসর্গও নেই এখনো। আসলে পরীক্ষা না

করালে বুঝতেই পারতাম না যে আমিও করো’নাভাই’রাসে সংক্রমিত হয়েছি।

আরো পড়ুন: ক”রো'নাভা’ইরাসে বিশ্বের অনেক দেশ এখনো লকডাউনের মধ্যে রয়েছে। প্রা’ণঘা’তী এই ভা’ইরা’সে বর্তমানে বিপর্যস্ত বিশ্বের বিভিন্ন শহর। লকডাউনের জেরে পর্যটন ব্যবসাও

প্রায় বন্ধ। এই সময় লকডাউনের জের কাটিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন শহর। পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে বিভিন্ন শহর দিচ্ছে বিপুল ছাড়।

আবার কোনো শহর সেখানকার থমকে যাওয়া অর্থনীতির উন্নতির জন্য কর্মীদের দিচ্ছে আকর্ষণীয় প্যাকেজ। সে রকমই এক শহরলো যুক্তরাষ্ট্রের চ্যাথাম কাউন্টির সাভান্না।

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের কাছে অবস্থিত এই শহরে রয়েছে প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শন। শুধু তাই নয়, মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশও এখানকার অন্যতম আকর্ষণ।

করো'নার প্রভাবে যখন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে টালমাটাল অবস্থা, তখন এই শহরে সংক্রমণ হার অনেকটাই কম।

তাই শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে নতুন গতি দিতে বেশ কিছু সি'দ্ধান্ত নিয়েছেন সেখানকার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। সাভান্না ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (সেডা)-র

অধীনে বেশ কিছু নতুন প্রজেক্ট গড়ে তোলা হয়েছে সেখানে। আর সেখানে কাজের জন্য কর্মীদের আকর্ষণেই রাখা হয়েছে বিশেষ প্যাকেজের ব্যবস্থা। স্বাস্থ্য পরিষেবা, এরোস্পেস,

অত্যাধুনিক ম্যানুফ্যাকচারিং ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তির প্রচুর সংখ্যক অফিস খুলেছে এখানে।

প্রায় ৫০০টি সংস্থার অফিস রয়েছে সাভান্নাতে। প্রযুক্তি কর্মীদের এই শহরে কাজ করেন তার জন্য লকডাউন পরবর্তী প্যাকেজের কথা জানিয়েছে সাভান্না ইকোনমিক

ডেভেলপমেন্ট অথরিটি। সেডার তরফে জানানো হয়েছে, লকডাউন পরবর্তী সময়ে অন্য শহর ছেড়ে যেসব প্রযুক্তি কর্মীরা সাভান্নাতে কাজ নিতে আগ্রহী হবেন, তাদেরকে

দুই হাজার মা'র্কিন ডলার পর্যন্ত দেয়া হবে। বাংলাদেশি টাকায় এর সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার।

এক শহর থেকে অন্য শহরে বাসস্থান বদল করতে প্রাথমিক কিছু খরচ তো আছেই। সাভান্নাতে আসার বি'ষয়ে উৎসাহিত করতে বাসস্থান বদলের খরচ হিসাবে এই টাকা দেয়া

হবে বলেও জানানো হয়েছে। সেডার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেন বনেট বলেছেন, থাকার জন্য সাভান্না অন্যতম সেরা জায়গা। ঐতিহাসিক এই শহরে সৌন্দর্যের পাশাপাশি শিল্পের

উন্নতি ঘটাতেই এই পদ'ক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz