1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  5. [email protected] : News Reporter :
১০০ দিনে করো'নামুক্ত করা সম্ভব দেশ, খরচ ৬০ হাজার কোটি টাকা
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ১২:১৮ অপরাহ্ন

১০০ দিনে করো’নামুক্ত করা সম্ভব দেশ, খরচ ৬০ হাজার কোটি টাকা

Desk Report
  • Update Time : রবিবার, ২১ জুন, ২০২০
  • ১২০ Time View

জনপ্রতি ৩ হাজার ৭৪২ টাকা ৫০ পয়সা খরচ করে সত্য-সঠিক পদ'ক্ষেপ নিলে সারাদেশে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা খরচ করে ১০০ দিনে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে করো’নামুক্ত করা সম্ভব।

সম্ভাব্য মোট ব্যয় হিসাবে চিকিৎসা খাতে ১০ হাজার কোটি টাকা, অ’তিরিক্ত জনবল বাবদ ১ হাজার কোটি টাকা, যাতায়াত-খাদ্য ও অন্যান্য খরচ বাবদ ৫০০ কোটি টাকা, গরিবদের খাবার ৪৩ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা, ভলান্টিয়ার বাবদ ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং অন্যান্য ব্যয় বাবদ ৩ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয় হবে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি, রাইটস অ্যান্ড রেস্পন্সিবিলিটিজ (এফডিএসআরআর) আয়োজিত এক অনলাইন প্রেস ব্রিফিংয়ে সংগঠনের উপদেষ্টা ডা. আব্দুর নূর তুষার এই সম্ভাবনার কথা জানান।

এ মুহূর্তে দেশকে করো’না সংক্রমণমুক্ত করতে সংক্রমণ কমিয়ে আনা, আ’ক্রা'ন্ত রোগীদের সেবা দেয়া, খাদ্যনিরাপত্তা, ওষুধ ও চিকিৎসা নিরাপত্তা, আর্থিক নিরাপত্তা, সামাজিক আইনশৃঙ্খলাজনিত নিরাপত্তা এবং অর্থনীতির চাকা চালু করার বি'ষয়ে কথা বলেন তিনি।

প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, ১০০ দিনের মধ্যে সংক্রমণ প্রতিরোধে টানা ২৮ দিন ও আরও ১৪ দিনসহ ৪২ দিন লকডাউন করতে হবে। সারাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করে লকডাউন করতে হবে। লকডাউন চলাকালীন সব সম্ভাব্য রোগীকে টেস্ট করার চেষ্টা করতে হবে। টেস্ট করা না গেলে লক্ষণের ভিত্তিতে শনাক্ত করতে হবে। প্রথম ২৮ দিনে সব রোগী শনাক্ত হলে পরবর্তী ১৪ দিনে তারা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন। পরবর্তী ১৪ দিনে এলাকায় ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক কাজ শুরু হবে অর্থাৎ ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিটি লকডাউন এলাকার রোগমুক্ত হবে। তখন লকডাউন করা এলাকায় বাইরের মানুষ আসা-যাওয়া সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে।

লকডাউন এলাকায় কমিউনিটি সেন্টার, কোনো স্টেডিয়াম, খোলা জায়গায় আইসোলেশন সেন্টার করতে হবে। জ্বরের লক্ষণ আছে এমন ব্যক্তিরা সেখানে আইসোলেটেড হবেন। সেখান থেকে যাদের হাসপাতা’লে নেয়া দরকার তারা হাসপাতা’লে যাব'েন। যাদের পরিবারের বাসা আছে তারা সেখানেই থাকবেন।

নতুন রোগ ও শূন্য মৃ’ত্যু

লকডাউন এলাকায় সব রোগী শনাক্ত হয়ে যাব'েন। শেষ না হলেও তারা হয় জ্বর-কাশিতে আ’ক্রা'ন্ত হয়ে সুস্থ হয়ে ওঠবেন অথবা হাসপাতা’লে যাব'েন। সাত দিনের মধ্যে কমিউনিটিতে নতুন কোনো রোগ থাকবে না। হাসপাতা’লে বাসায় পর্যা'প্ত ওষুধ-চিকিৎসা’সামগ্রী, অক্সিজেন প্রা'প্তি নিশ্চিত করতে হবে। শুধু অক্সিজেনসহ সব সেবামূল্য নির্ধারণ করে দিতে হবে। সুলভে মানসম্মত মাস্ক ও পিপিই পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। সব হাসপাতাল ও চিকিৎসা কেন্দ্রকে কোভিড-১৯ সেবা দেয়ার উপযু’ক্ত করে তুলতে হবে। যারা একদমই পারবেন না তারা রোগ শনাক্তকরণ ও পরীক্ষার কাজ করবেন। যারা সুস্থ হবেন তাদের মধ্য থেকে তরুণদের বাড়ি বাড়ি সেবা দেয়ার কাজে নিয়োজিত করতে হবে।

সব আ’ক্রা'ন্ত রোগীর ডাটাবেজ থেকে প্লাসমা সংগ্রহ করার প'দ্ধতি প্রস্তুত করা থাকবে। একক নম্বরে স্বাস্থ্যসেবা ও অ্যাম্বুলেন্স হটলাইন চালু করতে হবে। সব স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তা বিধান করতে হবে। বেসরকারি হাসপাতালগু'লোকে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার অধীনে নিয়ে সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিদিন পরীক্ষার পরিমাণ এক লাখে নিয়ে যেতে হবে। কোরিয়ান কিট ব্যবহার করে এখনকার চেয়ে কম খরচে এটি করা সম্ভব। এর ফলে ৬০ দিনের মধ্যে নতুন সংক্রমণ অনেক কমে নিয়ে আসা সম্ভব।৯০ দিনের মা’থায় সংক্রমণ জিরো এবং মৃ’ত জিরো করা সম্ভব। এরপর কেবল ছোট ছোট এলাকায় জ্বর হলে রোগী হাসপাতা’লে আসবে এবং তখন কোনো রোগীকে নির্ধারিত হাসপাতা’লে চিকিৎসা দেয়া যাব'ে।

প্রতিটি এলাকায় আবৃত্তি ও মোবাইল এবং টেলিফিল্মভিত্তিক সার্ভিলেন্স থাকবে। প্রতিটি জ্বরের লক্ষণযু’ক্ত কেস রিপোর্ট হবে। অ্যাক্টিভ সার্ভিলেন্স বা পাহারাদারি ব্যবস্থা চালু থাকবে। প্রতি স'প্তাহে কোন এলাকা কতদূর পৌঁছাল গেল তা গণমাধ্যমে বলতে হবে। তাতে মানুষ রোডম্যাপ জানবে। রোড ম্যাপ জানলে মানুষ স্বেচ্ছায় অংশ নেবে ক’ষ্ট করবে। শতভাগ অর্থনীতি চালু করার জন্য লকডাউন এলাকায় ধাপে ধাপে ৫০ তম দিন থেকে পরবর্তী ৫০ দিনের মধ্যে সব অফিস ব্যাংক দোকান ও সিনেমা হল সব খুলে দেয়া যাব'ে।

৬০ তম দিনে বিমানবন্দর ও অন্যান্য বন্দর জনপরিবহনের জন্য খুলে দেওয়া হবে। যদি ভাগে ভাগে সম্ভব হয় তবে এলাকা থেকে এলাকায় যাতায়াত ১০০ দিনের বন্ধ থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল অফিস তার পরবর্তী কাজ শুরু করবে। সর্বত্র স্যানিটাইজার সাবান ও হাত ধোয়ার সরঞ্জাম ও আইসোলেশন রুমের ব্যবস্থা করা থাকবে। মা’র্কে’টে বাজারে বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখা হবে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে কাজের মধ্যে ১০০ দিনই নানাভাবে রাখা সম্ভব। তাদের জন্য নতুন কর্ম সৃষ্টি করতে হবে।

প্রাথমিক দরকার সমন্বয় ও নেতৃত্ব

একটি এক্সপার্ট প্যানেল গঠন, যেখানে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ দু’র্যোগ ব্যবস্থাপনা নিরাপত্তা জনসংযোগে বি'ষয়ে অ’ভিজ্ঞ ব্যক্তি থাকতে পারেন। তবে কমিটি বড় না হওয়া বাঞ্ছনীয়। তারা পরাম’র্শ দেবেন প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক্সপার্ট কমিটির প্রধান হবেন, সচিব হলেন স্বাস্থ্যসচিব। এ কমিটি কাজ করবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে। আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির অধীনে আর একজন প্রধান কর্মক’র্তা থাকবেন। তিনি দ্রুততম সময়ে এই বিপদসংকুল সময় সব সি'দ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে সমন্বয় করবেন। এ ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মী দরকার। রাজনৈতিক কর্মী ও তরুণরা হবে অংশগ্রহণকারী কর্মী। আরও থাকবে সকল এনজিও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও সদস্যরা। সারাদেশে প্রতিটি উপজে’লাকে কেন্দ্র করে মোট ৫০০ মানুষের দল তৈরি করতে হবে।

জনবল

সবাইকে এনআইডি বা নিজের ফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। প্রত্যেকের রেফারেন্স হিসেবে অন্তত আরও দুজনের নাম দিতে হবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কাজে নিয়োজিত করতে হবে। প্রয়োজনে এলাকাভিত্তিক ডিজাস্টার আইন কার্যকর করে ডিজাস্টার এলাকায় সে’নাবাহিনীর সহায়তা নিতে হবে।

প্রতিরোধমূলক কাজ

কোয়ারেন্টাইন ও লকডাউন স’ম্পর্কে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, হাত ধোয়া, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স স’ম্পর্কে জানানো, কাশি ও শ্বা’সক’ষ্টের রোগী থাকলে নির্দিষ্ট এলাকায় রিপোর্ট করতে বলা, এলাকার দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগু'লোকে মনিটর করা, যাতে তারা সঠিক সময় খোলা ও বন্ধ করে, বিদেশ থেকে আগত স’ম্পর্কে তথ্য নিয়ে সেটা যথাযথ স্থানে জানানো এবং এলাকার পাবলিক এরিয়া জীবাণুমুক্তকরণ।

দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো

এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তালিকা প্রস্তুত করে সেটা দ্রুত সরকারের নির্দিষ্ট দফতরে পাঠানো। তাদের কাছে প্রতি স'প্তাহে দুবার খাবার পৌঁছানো। যারা একদম ছিন'্নমূল তাদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু হোটেলে খাবার প্রস্তুত ও বিতরণ। গ্লাভস ও মাস্ক দেয়া এবং সেটা কী’ভাবে ফেলতে হবে সেটা শেখানো, সাবান ও স্যানিটাইজার বিতরণ, যারা অন্য কোনো কারণে অ’সুস্থ তাদের কাছে ওষুধ পৌঁছে দেয়া, বৃ'দ্ধ যারা বয়সের ওপরে তাদের আলাদাভাবে তালিকা তৈরি করে বিশেষ যত্ন নেয়ার চেষ্টা করা, এলাকার কৃষক ও খাবারের সময় যারা তাদের বিশেষভাবে রক্ষার চেষ্টা করা।

চিকিৎসা

সরকারি হাসপাতা’লে গরিবদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। সেখানে কাজ করতে মেডিকেল ছাত্রছা’ত্রী ও ছাত্র রাজনীতিতে জ’ড়িতদের যথাযথ পিপিই দিয়ে নিয়োজিত করা। বেসরকারি হাসপাতালগু'লো থেকে সারাদেশে অন্তত ২০০ হাসপাতাল নির্বাচন করে সেখানে করো’না ইউনিট স্থাপন করতে সরকারকে বলা। দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগু'লোকে ভেন্টিলেটর অন্যান্য সরঞ্জাম কিনে দিতে বলা যেটা তারা আগামী তিন বছর ট্যাক্সের সাথে অর্ধেক অর্থ কিস্তিতে সমন্বয় করতে পারবে। বেসরকারি হাসপাতালগু'লোতে ভেন্টিলেটর কিনতে বলা।

অর্থ দরকার কত?

৫০০ উপজে’লায় ভলান্টিয়ার সংখ্যা হবে ৫০ হাজার। তাদের জন্য প্রতিদিন ৪০০ টাকা হারে মাসে ৬০০ কোটি টাকা। এটা লোকাল এমপি ও নেতারা বহন করবেন। ৫০০ উপজে’লায় খাবার প্রদান- বাংলাদেশে 'হতদরিদ্র মানুষ দুই কোটি ৪১ লাখ। তাদের সকলকে একদিন খাওয়ালে খরচ হবে ৪৮২ কোটি টাকা। মোট এক মাসে খরচ ১৪ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা।

চিকিৎসা ব্যয়

মোট আ’ক্রা'ন্ত যদি ১২কোটি হয় সবার জন্য চিকিৎসা ব্যয় হবে না। তবে লকডাউন করলে এত রোগী হবে না। ছয় ভাগের একভাগেই হয়ে যাব'ে। মোট সুস্থ হয়ে যাব'ে ৯ কোটি ৬০ লাখ। বাকি আ’ক্রা'ন্তদের মধ্যে হাসপাতা’লে যাব'ে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ লোক। এদের মধ্যে 'হতদরিদ্র হবে প্রায় ৬০ লাখ। এদের জন্য চিকিৎসা খরচ বাবদ ( পিপিই) ৩০০ কোটি টাকা।

ভেন্টিলেটর আইসিইউ খরচ ১ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। ওষুধবাবদ খরচ হবে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। অন্যান্য সকল খরচ বাদে চিকিৎসা ব্যয় বাবদ মোট খরচ হবে ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। স্বল্পতম কর ৫ শতাংশে করো’না সংক্রা'ন্ত সামগ্রী আম’দানি করতে দেয়া। মাস্ক ও অন্যান্য ফ্যাক্টরিতে উৎপাদনে সহায়তা।

ওষুধ বিতরণ, বিক্রয় ও রোগী পরিবহন

এলাকার ফার্মেসিগু'লো খোলা রাখা। যারা ওষুধ কিনতে আসবেন সেখানেই তাদের ইনফারেট থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর দেখা। সকল জিপিকে (জেনারেল প্রাকটিশনার) তাদের চেম্বার খোলা রাখতে বলা। সকল ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলা রাখা। দমকল বাহিনীকে অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা। ছোট ট্রাকের ওপরে ছাউনি দিয়ে দ্রুত রোগী হাসপাতা’লে নেবার জন্য ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সে রূপান্তর করা।

বর্জ্য ব্যবস্থা

সব হাসপাতাল থেকে করো’না বর্জ্য নিষ্কাশনের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা। ক্লিনারদের পিপিই প্রদান, এ কাজের সংযু’ক্ত সকলকে ট্রেনিং প্রদান। এলাকার করো’না বর্জ্য ডাম্পিংয়ের জন্য নিরাপদ স্থান নির্ধারণ ও মনিটরিং। করো’না আ’ক্রা'ন্তদের বাসাগু'লো থেকে বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য সুইপারদের নিরাপত্তা প্রদান।

জনসংযোগ

দ্রুত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রা'ন্ত লিফলেট প্রস্তুত ও বিতরণ, টিভিগু'লোতে টিকার চালানো, দেশের বিভিন্ন স্থানে ভিডিও ডিসপ্লেগু'’লিতে প্রচারণা, এলাকাভিত্তিক মাইকিং, প্রতি এলাকায় একটি ম’সজিদ থেকে নির্দিষ্ট সময় পরপর করো’না সংক্রা'ন্ত তথ্য মাইকে বলা এবং ভলান্টিয়ারদের টিশার্ট দেয়া যেখানে হাত ধোয়া ও সামাজিক দূরত্ব সংক্রা'ন্ত ছবিসহ নির্দেশ দেয়া থাকবে।

সচ্ছলদের জন্য বিতরণ ব্যবস্থা

এলাকাতে ডিস্ট্রিবিউশন পয়েন্ট তৈরি, হোম ডেলিভা’রি এবং শহর এলাকায় পাঠাও-উবার এসবে সাহায্য নেয়া।

করো’না পরবর্তী পুনর্বাসন

চাষাবাদের জন্য ঋণ প্রদান, কৃষি সহায়তা, ব্যবসা সহায়তা এবং আপাতত তিন মাসের জন্য ১০ শতাংশের নিচে কৃষি জমি ক্রয় বিক্রয় বন্ধ করে রাখা, যাতে মানুষ করো’নার কারণে ভূমিহীন না হয় বরং জমির বিনিময়ে ঋণ প্রদান করা।-জাগোনিউজ২৪

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz