1. admin1@newsbulletin.info : admi :
  2. mohamamdin95585@gmail.com : atayur :
  3. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  4. zilanie01@gmail.com : Rumie :
ফুটপাতেই ১০ বছর ভিক্ষুক জীবন পু,লিশের শু;টা,রের!
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন

ফুটপাতেই ১০ বছর ভিক্ষুক জীবন পু,লিশের শু;টা,রের!

Desk Report
  • Update Time : সোমবার, ১ মার্চ, ২০২১
  • ৫০ Time View

মনীষ মিশ্র, ছিলেন ভারতের মধ্যপ্রদেশ পু’লিশের দক্ষ শুটার। গত এক দশক ধরে ভিক্ষুকের মতো ঘুরছেন পথে পথে। ১০ বছর ধরে ঠিকানা তার ফুটপাত। কেউ করুণা করলে খাবার জুটেছে, না হলে অভুক্ত সারা দিন। পরিবার-পরিজন সবই আছে তার। কিন্তু সব থেকেও কিছুই যেন তার নেই।

জানা গেছে, মানসিক ভারসাম্য হারানোর পরই মনীষের জীবনে সবকিছু তালগোল পাকিয়ে যায়। একসময় পু’লিশের চাকরিটা চলে যায় তার। আর ‘পাগল’ ছেলে কোথায় কী করে বসে, তাই পরিবারও দূরে ঠেলে দেয়।

এভাবেই চলে যাচ্ছিল তার ভবঘুরে জীবন। পুরনো ব্যাচমেটদের স’'ঙ্গে হঠাৎ দেখা হয় তার। মনীষকে দেখে তারা চিনতে পারেননি। কিন্তু মনীষের চিনতে ভুল হয়নি। এরপর যা ঘটে, তা কম নাটকীয় নয়।

মধ্যপ্রদেশ উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাস্তায় বেরিয়েছিল বিজয় মিছিল। সেই মিছিল ঘিরে অ’প্রীতিকর কিছু যাতে না ঘটে তা দেখার দায়িত্বে ছিলেন ডিএসপি রত্নেশ তোমর'’ ও বিজয় ভাদোরিয়া।
ফুটপাতে হঠাৎ তাদের নজর যায় এক ভিক্ষুকের দিকে। কী মনে করে পরনের ভালো জ্যাকেটটি পু’লিশ অফিসার বিজয় তার হাতে তুলে দেন। রত্নেশ সিং তোমর'’ দেন একজোড়া নতুন জুতা।

ফিরেই আসছিলেন তারা। কিন্তু ওই ভিক্ষুক ভাদোরিয়ার নাম ধরে ডাকায় বিস্মিত হন অফিসার। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে আবারও এগিয়ে যান ওই ভিক্ষুকের দিকে। জিজ্ঞাসায় জানতে পারেন তিনি মনীষ মিশ্র। এরপর আর তাকে চিনে নিতে অসুবিধা হয়নি দুই পু’লিশ অফিসারের।
ভাদোরিয়া বলেন, মনীষ আমা’দের ব্যাচের সেরা ১০ শুটারদের একজন ছিল। সে একজন ভালো এথলেটও। সে বিভিন্ন থানায় পু’লিশ ইনচার্জ হিসেবে কাজ করেছে।
১৯৯৯ সালের ব্যাচমেট তারা! মনীষকে তারা স’'ঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু মনীষের তীব্র আপ’ত্তিতে শেষ পর্যন্ত তাকে নিয়ে যাওয়া হয় এক আশ্রমে। সেখানেই তার মানসিক চিকিৎসারও ব্যবস্থা হয়েছে।

জানা গেছে, মনীষের বাবা ও চাচা দুজনই অ্যাডিশনাল এসপি পদে থেকে অবসর নিয়েছেন। মনীষের ভাই থানার অফিসার ইনচার্জ। তার বোন কাজ করেন দূতাবাসে। ডাটিয়া জে’লায় শেষ পোস্টিং ছিল সাব-ইনস্পেক্টর মনীষের। তারপরই মানসিক অসুস্থতা।
এই ১০ বছর ভোপালের একাধিক আশ্রম ও ভবঘুরে কেন্দ্রে তাকে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিবারই তিনি পালিয়ে যান। তার পরিবারেরও দাবি, মনীষকে তারা ঘরে ধরে রাখার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। সূএঃ সময় টিভি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz