Breaking News

লঞ্চে*র কে*বিন ভা*ড়া করে নতুন করে অ’নৈ*তি-ক কাজে লি-প্ত হচ্ছেন ত’রুণ-ত’রুণীরা

ঢাকা-চাঁদপুর নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চগু'লো যেনো এখন ত’রুণ-ত’রুণীদের আ’পত্তিকর স’ম্পর্কের মিলনস্থলের নি’রাপদ আশ্রয়ে প’রিণত হয়েছে। আবার পেশাদার কিছু দে'হ ব্যবসায়ীও এ রূটের লঞ্চকে তাদের নি’রাপদ জায়গা হিসেবে খুঁ’জে নিয়েছে।

কম সময়ের মধ্যে তথা দিনে দিনে আসা-যাওয়া করার সুবিধা এবং কোনো ঝা’মেলা না থাকায় ঢাকা-চাঁদপুর রূটের লঞ্চকে তারা নি’রাপদ জায়গা হিসেবে বেছে নিয়েছে।

এরা ঢাকা থেকে এক লঞ্চে চাঁদপুর এসে অ'পর লঞ্চযোগে আবার দিনে দিনেই চাঁদপুর থেকে ঢাকা চলে যায়। এসব ত’রুণ-ত’রুণী লঞ্চের আনসার ও বয়দের ম্যানেজ করে অধিক মূল্যে কেবিন ভাড়া করে পুরো সময়টাই কেবিনে কা’টায়।

তবে সবচেয়ে ভ’য়'ঙ্কর বি'ষয় হচ্ছে লঞ্চগু'লোতে ক'লগার্ল তথা দে'হ ব্যবসায়ীদের বিচরণ সম্প্রতি বেড়ে গেছে। এরা কেবিন ভাড়া করে ঢাকা থেকে চাঁদপুর আসে আবার একইভাবে তারা চাঁদপুর থেকে ঢাকা যাচ্ছে। কোনো কোনো লঞ্চের অর্ধেক সংখ্যা থাকে এদের দখলে। এদের কারণে অনেকেই লঞ্চে কেবিন পাচ্ছে না।

রোববার সকালে চাঁদপুর লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা যায় অর্ধশত জোড়া কপোত-কপোতী তথা ত’রুণ-ত’রুণী চাঁদপুর ঘাটে ভিড়ার পর এক লঞ্চ থেকে নেমে অন্য লঞ্চে করে আবার ঢাকার উদ্দেশ্যে চলে যাচ্ছে। এ অবস্থা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে এমভি মিতালি লঞ্চে।

প্রায় ২০ জোড়া ত’রুণ-ত’রুণীকে দুপুর সাড়ে ১২টায় মিতালী লঞ্চ থেকে চাঁদপুর ঘাটে নেমে দুপুর ১টায় আবার তারাই চাঁদপুর ঘাট থেকে ঢাকার পথে ছেড়ে যাওয়া আব-এ-জমজম লঞ্চে উঠে। শুধু মিতালী লঞ্চেই নয়, সোনারতরী, বোগদাদিয়া ও তাকওয়া লঞ্চের কেবিনে করে এসেও চাঁদপুর ঘাটে নেমে পরবর্তী লঞ্চের কেবিন ভাড়া করে আবার ঢাকার পথে যাত্রা করে।

দেখা গেছে যে, প্রতিদিন এক ধরনের উঠতি বয়সের ত’রুণ-ত’রুণী কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে লঞ্চযোগে চাঁদপুর আসে। ঘাটে নেমেই আবার তারা অন্য লঞ্চে করে ঢাকায় ফিরে যাচ্ছে। এদের মধ্যে প্রে;মিক-প্রে;মিকা জুটি দু’একটি থাকলেও অধিকাংশই ক'লগার্ল।রোববার মিতালী লঞ্চের একজন স্টাফ জানান, আজকে সবচেয়ে বেশি জোড়া এসেছে। তারা চাঁদপুর ঘাটে নেমে আবার আব-এ-জমজম লঞ্চে ঢাকা চলে যাচ্ছে। এরা সবাই কেবিনে করে এসেছে।

২০১৭ সালে যে ঘ’টনা ঘ’টেছিলো, তেমন ঘট’না ঘ’টার আ’শঙ্কা করছি। আর এ ধরনের ঘ’টনা ঘ’টলে লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে আ’ইনী ঝা’মেলায় পড়তে হয়। কেননা পূর্বের ঘ’টনাগু'লোতেও লঞ্চ স্টাফদের জে’ল খা’টতে হয়েছে। যার ফলে এখন থেকেই যাত্রীবাহী লঞ্চগু'লোতে যেনো পু’লিশের নজরদারি বৃ'দ্ধি করা হয়। পাশাপাশি যেসব ত’রুণ-ত’রুণী কেবিন ভাড়া করতে যায়, তাদের পূর্ণা'ঙ্গ ঠিকানা যেন লঞ্চ ক’র্তৃপক্ষ লিপিব'দ্ধ করে রাখে। তাহলেই এদের উপদ্র’ব কিছুটা হলেও কমে আসবে বলে সচেতন মহল মনে করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *