1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  5. [email protected] : News Reporter :
আনোয়ার খান মর্ডানে ‘৩০ মিনিট’ অক্সিজেনের বিল ৮৬ হাজার টাকা !!
সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ০৫:৪২ অপরাহ্ন

আনোয়ার খান মর্ডানে ‘৩০ মিনিট’ অক্সিজেনের বিল ৮৬ হাজার টাকা !!

Desk Report
  • Update Time : সোমবার, ২২ জুন, ২০২০
  • ৩১৪ Time View
আনোয়ার খান মর্ডানে ‘৩০ মিনিট’ অক্সিজেনের বিল ৮৬ হাজার টাকা !!

আনোয়ার খান মর'্ডান হাসপাতালের বিরু'দ্ধে দুর্নীতির অ'ভিযোগ তুলেছেন করো'নাভাইরাসে সংক্রমিত রোগীর স্বজন। সম্প্রতি এ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নেন মুক্তিযো'দ্ধা মো. মোজাম্মেল হক (৬৭)। তার ছেলে অ'ভিযোগ করেছেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই দিনে মাত্র ৩০ মিনিট অক্সিজেন ব্যবহারের বিল দিতে হয়েছে ৮৬ হাজার ৪০০ টাকা।
ডিউটি ডাক্তার ছাড়া কোনো চিকিৎসকই তার বাবাকে দেখেনি হাসপাতালে। তবুও চিকিৎসকের কনসালটেন্ট ফি দিতে হয়েছে ৪৯ হাজার টাকা।

মোজাম্মেল হকের ছেলে মো. তৌহিদুল হক সোহেল গণমাধ্যমকে জানান, আমা'র বাবা চট্টগ্রামে থাকতেন। সেখানে তার করো'না পজেটিভ ধ’রা পড়ার পরেই ঢাকায় এনেছি। বাবার শরীরে করো'নার কোনো উপসর্গই ছিলো না। তবুও যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেকারণে তাকে আনোয়ার খান মর'্ডান হাসপাতালে ভর্তি করছিলাম। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবার খুব বাজে অ'ভিজ্ঞতা হয়েছে। তার রুমে কোনো চিকিৎসক যায়নি। এক দিন শুধু একজন ডাক্তার দরজা থেকে হাত ঈশারা দিয়েছেন। তবুও চিকিৎসকের কনসালটেন্ট ফি দিতে হয়েছে ৪৯ হাজার টাকা। এ ছাড়া কোনো ক্লিনার বা অন্য কেউ যায়নি তার রুমে। তবুও রুমের সার্ভিস চার্জ ধ’রা হয়েছে ৪৫ হাজার ৪০০ টাকা।
এই মুক্তিযো'দ্ধার ছেলে বলেন, সবচেয়ে খারাপ লাগার বি'ষয় হলো আমা'র বাবার কোনো শ্বা'সকষ্ট ছিল না। তাকে আমি নিজেই অক্সিমিটার কিনে দিয়েছিলাম। দুই দিন তার সামান্য অক্সিজেনের দরকার হয়েছে। মাত্র ১০/১৫ মিনিট করে দুই দিনে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট অক্সিজেন নিতে হয়েছে বাবাকে। তবু্ও সেই অক্সিজেনের বিল তারা করেছেন ৮৬ হাজার ৪০০ টাকা। আমি হাসপাতালে জিজ্ঞাসা করছিলাম প্রতি ঘণ্টা অক্সিজেনের বিল কত? তারা তখন আমাকে জানায় ঘণ্টা ৪০০ টাকা। যদি সেই হিসেবেও ধরি যে দুই দিন ২৪ ঘণ্টাই বাবার অক্সিজেন লেগেছে। তবুও তো এত বিল হবে না।

মোজাম্মেল হকের বিলে লেখা আছে, হাসপাতালে ৯ দিনে ২১৬ ঘণ্টার বিল অক্সিজেন বিল ৪০০ টাকা হিসাবে ৮৬ হাজার ৪০০ টাকা করা হয়েছে। হাসপাতালের বিল ২ লাখ ৮৮ হাজার ৪২০ টাকা। চিকিৎসকের ফি ৪৯ হাজার টাকা। ইনভেস্টিগেশন বিল ৮ হাজার ১৭০ টাকা এবং ওষুধের বিল ধরে দেওয়া হয়েছে ৮ হাজার ৭৫২ টাকা।

আনোয়ার খান মর'্ডান হাসপাতালের ম্যানেজার মো. নেওয়াজ বলেছেন, বি'ষয়টি আমা'র জানা নেই। অক্সিজেনের বিল প্রতি ঘণ্টায় কত টাকা এটাও আমি জানি না।

এই বি'ষয়ে হাসপাতালের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. এ'হতেশামুল হকের স'ঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন তিনি।

পরে অধ্যাপক ডা. এ'হতেশামুল হকের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও ফোনটি রিসিভ হয়নি।

এর আগে, মো. হু’মায়ুন ( ৪১) নামে ফকিরাপুলের এক করো'না রোগীর কাছ থেকে ২ লাখ ৬৮ হাজার টাকার বিল দাবি করে আনোয়ার খান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এত টাকার বিল দেখে মাথায় হাত পড়ে সেই অসহায় রোগীর। পরে সেই বিলের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের স'ঙ্গে একাধিকবার নানা মাধ্যমে যোগাযোগ করে শুধুমাত্র ২০ হাজার ৭০০ টাকা বিল পরিশোধ করে রিলিজ পান তিনি৷

একই ঘটনা ঘটেছিল সাইফুর রহমান নামের অ'পর এক করো'নারোগীর স'ঙ্গেও। সেই রোগীর কাছে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা বিল দাবি করে আট'কে রাখার অ'ভিযোগ উঠেছিল আনোয়ার খান মর'্ডান হাসপাতালের বিরু'দ্ধে।

পরে রাতেই এক লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করে ওই রোগী ছাড়া পেয়ে বাসায় গিয়েছিলেন। পরে দুঃখপ্রকাশ করে লাখ ১৫ হাজার ৯৯৫ টাকা ফেরত দেয় আনোয়ার খান মর'্ডান হাসপাতাল।

সূত্র: দৈনিক আমা'দের সময়

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz