1. admin1@newsbulletin.info : admi :
  2. mohamamdin95585@gmail.com : atayur :
  3. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  4. zilanie01@gmail.com : Rumie :
কঠিনতম বিপদ থেকে মুক্তি পেতে মহানবী (সঃ) যে দোয়া পড়তেন
রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

কঠিনতম বিপদ থেকে মুক্তি পেতে মহানবী (সঃ) যে দোয়া পড়তেন

Desk Report
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৩৭ Time View

বিপদ থেকে মুক্তি পেতে- বিপদকে ঘৃণা বা খারাপ দৃষ্টিতে দেখার কোনো সুযোগ নেই। অনেক সময় বিপদের কারণেই মানুষ আল্লাহর দিকে ফিরে আসে। আবার যখন মানুষ চরম অন্যায়ের দিকে ধাবিত হয় তখনই মানুষের ওপর বিপদ-মুসিবত পতিত হয়।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখনই কোনো কঠিন সমস্যা বা বিপদের সম্মুখীন 'হতেন তখনই আল্লাহর কাছে একান্তভাবে দোয়া প্রার্থনা করতেন। বিপদ-মুসিবত থেকে মুক্ত থাকতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সে ছোট্ট আবেদন হলো-

يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْثُ
উচ্চারণ : ইয়া- হাইয়ু ইয়া- ক্বাইয়ূ-মু বিরাহমাতিকা আস্তাগিছ। অর্থ : ‘হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আপনার রহমতের মাধ্যমে আপনার নিকটে সাহায্য চাই।’ (তিরমিজি, মুসতাদরেকে হাকেম, মিশকাত)

আবার তিনি যখন দেখতেন কোনো মানুষ বিপদে পড়েছেন, তখন তিনি তাদের বিপদ-আপদ থেকে মুক্তির জন্য এ দোয়া করতেন। হাদিসে এসেছে- হজরত ওমর' রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কেউ বিপদগ্রস্ত লোক দেখলে বলবে (এ দোয়া পড়বে)-

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِىْ عَافَانِىْ مِمَّا ابْتَلَاكَ بِهِ – وَ فَضَّلَنِىْ عَلَى كَثِيْرٍ مِّمَنْ خَلَقَ تَفْضِيْلَا
উচ্চারণ : আলহা'ম'দুলিল্লাহিল্লাজি আফানি মিম্মানিবতালাকা বিহি; ওয়া ফাদ্দালানি আলা কাছিরিম মিম্মান খালাকা তাফদিলা।

অর্থ : সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি তোমাকে বিপদাক্রা'ন্ত করেছেন; তা থেকে আমাকে নিরাপদ রেখেছেন এবং আমাকে তিনি তার মাখলুক থেকে মাখলুকের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।’ তখন তাকে এ মুসিবত কখনো স্পর্শ করবে না।’ (তিরমিজি)

সুতরাং কঠিন সমস্যার মুখোমুখি হলে নিজের জন্য প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেখানো দোয়া পড়া। আবার যদি নিজেদের মধ্যে কেউ বিপদ-মুসিবতে পড়ে তবে তার জন্য হাদিসে বর্ণিত দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে ক্ষ'মা প্রার্থনা করা জরুরি। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসে শেখানো দোয়ার মাধ্যমে দুনিয়ার যাব'তীয় কঠিন সমস্যা থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন।

৭টি কারনে সূরা ইয়াসিনকে আল কোরআনের ‘হৃদপিণ্ড’ বলা হয় আমা'দের প্রিয় নবী হযরত মুহা'ম্ম'দ (সা.) বলেছেন, ‘সূরা ইয়াসিন হলো আল কোরআনের হৃৎপিণ্ড।’ এ হাদিসে আরো বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি সূরা ইয়াসিন আল্লাহ ও পরকালের কল্যাণ লাভের জন্য পাঠ করবে তার মাগফিরাত হয়ে যায়। তোমর'া তোমা'দের মৃ'তদের জন্য এ সূরা তিলাওয়াত করো। (রুহুলমায়ানি, মাজহারি) ইমাম গাজ্জালি রহ: বলেন, ‘সূরা ইয়াসিনকে কুরআনের হৃৎপিণ্ড এ কারণে বলা হয়েছে যে,

১। ‘এ সূরায় কেয়ামত ও হাশর-নশর বি'ষয়ে বিশদ ব্যাখ্যা ও অলঙ্কারসহকারে বর্ণিত হয়েছে। ২। পরকালে বিশ্বা'স ঈমানের এমন একটি মূলনীতি, যার ওপর মানুষের সব আমল ও আচরণের বিশু'দ্ধতা নির্ভরশীল। পরকালভীতিই মানুষকে সৎকর্মে উদ্বু'দ্ধ করে এবং অবৈ'ধ বাসনা ও হারাম কাজ থেকে বিরত রাখে। তাই দে'হের সুস্থতা যেমন অন্তরের সুস্থতার ওপর নির্ভরশীল তেমনি ঈমানের সুস্থতা পরকালের চিন্তার ওপর নির্ভরশীল (রুহুলমায়ানি)।

৩। এ সূরা তার পাঠকারীকে ইহকাল ও পরকালে শান্তি ও ব্যাপক কল্যাণ এনে দেয়। অন্য এক বর্ণনায় বলা হয়েছে, এ সূরা কেয়ামতের দিন অধিক সংখ্যক মানুষের জন্য সুপারিশকারী হবে এবং তা আল্লাহ অবশ্যই কবুল করবেন। ৪। এ সূরা তার পাঠকদের থেকে বালা-মুসিবত দূর করে। অন্য রেওয়ায়েতে এর নাম ‘কাজিয়া’ও উল্লিখিত হয়েছে; অর্থাৎ এ সূরা পাঠকের সব ধরনের প্রয়োজন মেটায়। (রূহুলমায়ানি)

৫। হজরত আবু যর রা: বলেন, আমি রাসূল সা:-এর কাছ থেকে শুনেছি তিনি বলেছেন, মর'ণোন্মুখ ব্যক্তির কাছে সূরা ইয়াসিন পাঠ করলে তার মৃ'ত্যু যন্ত্রণা সহজ হয়ে যায়। (মাজহারি) ৬। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়ের রা: বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি সূরা ইয়াসিন অভাব-অনটনের সময় পাঠ করে তাহলে তার অভাব দূর হয়, সংসারে শান্তি ও রিজিকে বরকত লাভ হয়। (মাজহারি) ৭। ইয়াহইয়া ইবনে কাসীর বলেন, ‘যে ব্যক্তি সকালে সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে সে সন্ধ্যা পর্যন্ত সুখে-স্বস্তিতে থাকবে। যে সন্ধ্যায় পাঠ করবে সে সকাল পর্যন্ত শান্তিতে থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz