1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  5. [email protected] : News Reporter :
মেয়েকে ছদ্মপরিচয়ে হার্ভার্ডে পাঠান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং
সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন

মেয়েকে ছদ্মপরিচয়ে হার্ভার্ডে পাঠান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

Desk Report
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২০
  • ১০৯ Time View

দাদা নাকি আদর করে নাম রেখেছিলেন জিয়াও মুজি। এছাড়াও কূটনৈতিক নিরাপত্তার কারণে ছদ্মনামের আড়ালে মাঝে মাঝে গো'পন থেকেছে তার পোশাকি পরিচয়।

জীবনযাপনে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের বিপরীত মেরুতে থাকা জি মিংজে প্রচারের আলোয় কার্যত আসতেই চান না। বাইরের দুনিয়া প্রায় জানেই না চীনের প্রেসিডেন্টের একমাত্র মেয়ের নাম।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং তার লোকস'ঙ্গীত শিল্পী স্ত্রী পেং লিউয়ানের মেয়ে জি মিংজে-এর জন্ম ১৯৯২ সালের ২৭ জুন। ঝেজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট স্তরের পড়াশোনা শেষ করে জি পাড়ি দিয়েছিলেন আমেরিকায়, ২০১০ সালে। গন্তব্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়।

কিন্তু তিনি যে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন, সে খবর অন্তত দু’বছর পর্যন্ত নির্দিষ্ট স্তরের বাইরে প্রকাশিত হয়নি। চূড়ান্ত গো'পনীয়তার মধ্যে ছদ্মনাম ও পরিচয়ে জি সেখানে পড়াশোনা করেন মনস্তত্ব এবং ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে।

জি যখন হার্ভার্ডে যান, তখনও তার বাবা চীনের প্রেসিডেন্ট হননি। কিন্তু জিয়ের দাদা জি ঝোংজুন ছিলেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রভাবশালী নেতা। মাও সে তুংয়ের শাসনে গু'রুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন জি ঝোংজুন। ফলে প্রথম থেকেই হার্ভার্ডে চরম গো'পনীয়তা পালন করতে হয়েছে জি-কে।

সব সময়ই তাকে ছায়ার মতো অনুসরণ করত বিশেষ নিরাপত্তারক্ষীর বাহিনী। বাইরে সাধারণ ছাত্রীর পরিচয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস করলেও নির্দেশ মতো বেশি শিক্ষার্থীর স'ঙ্গে তিনি বন্ধুত্ব করতে পারেননি। অবসর সময়ে জি ভালবাসেন বিভিন্ন বি'ষয়ের উপর বই পড়তে। ফ্যাশনেও আগ্রহ আছে তার।

নব্বইয়ের দশকে জি-এর শৈশবের কিছু ছবি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। তার পর তিনি চলে যান গো'পনীয়তার অন্তরালে। সংবাদমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়ার কোথাও ছিলেন না তিনি। এখনও যে তাকে বিশেষ প্রকাশ্যে দেখা যায়, সে রকমও নয়। তার সম্বন্ধে তথ্য বা তার ছবি, দুই-ই বিরল।

তাকে প্রথম প্রকাশ্যে স্বপরিচয়ে দেখা যায় ২০১৩ সালে। তার বাবার চীনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বগ্রহণের পরে। বাবা এবং মায়ের স'ঙ্গে তিনি দেশবাসীকে বসন্তোৎসব এবং নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান।

চীনের ইয়ানান প্রদেশের লিয়াংজিয়াহে গ্রামেও গিয়েছিলেন জি। এই গ্রামেই তার বাবা শি জিনপিং ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৫, ছ’বছর কাটিয়েছিলেন। সে সময় দল থেকে দূরে সরে তাকে সমাজসেবামূলক কাজ করতে হয়েছিল।

চীনের সংবাদমাধ্যমে জি সম্বন্ধে যেটুকু বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে তাকে সরল এবং মা'র্জিত তরুণী বলে বর্ণনা করা হয়েছে, যিনি সমাজের জন্য গু'রুত্বপূর্ণ।

ছোট থেকেই সামাজিক কাজে আগ্রহ দেখিয়েছেন জি। সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন তার মা পেং। ২০০৮ সালে বিধ্বং'সী ভূমিকম্প হয়েছিল চীনের সিচুয়ান প্রদেশে। সে সময় ষোড়শী জি স্কুলে আবেদন করেছিলেন ছুটির জন্য। যাতে তিনি সিচুয়ানে গিয়ে উ'দ্ধারকাজে সামিল 'হতে পারেন।

জি-এর এই উদ্যোগে পূর্ণ সম্মতি ছিল তার বাবা মায়ের। পেং পরে জানিয়েছিলেন, সিচুয়ানের অ'ভিজ্ঞতা তার মেয়েকে জীবনসংগ্রামের পথে তৈরি 'হতে সাহায্য করেছিল।

ইতিমধ্যেই জি-কে তার বাবার উত্তরসূরি বলা হচ্ছে। শোনা যায়, পারিবারিক ধা'রা মেনে তিনিও রাজনীতিতে পা রাখবেন। কিন্তু বেশ কিছু মা'র্কিন ও তাইওয়ানের সংবাদমাধ্যমে আবার উল্টো সুরও শোনা যায়।

সেখানে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি, জি নাকি চীনের জীবন থেকে বেশি পছন্দ করেন মা'র্কিন শহর ম্যাসাচুসেটসে কা'টানো দিনগু'লো। মেয়ের ইচ্ছের কাছে হার মেনে চীনের প্রেসিডেন্ট নাকি তাকে আবার আমেরিকায় ফিরে পড়াশোনা করার অনুমতি দিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিজে কোনও দিন চীনের বাইরে গিয়ে থাকেননি। তার পড়াশোনার পর্বও সম্পূর্ণ কে'টেছে নিজের জন্মভূমিতেই। অথচ তার দুই পূর্বসূরি নেতা জিয়াং জেমিন (চীনের প্রেসিডেন্ট পদে ১৯৯৩-২০০৩) এবং ডেং জিয়াওপিং দু’জনেই সাবেক সোভিয়েত রাশিয়ায় গিয়েছিলেন উচ্চশিক্ষার জন্য। জিয়াওপিং তো কয়েক বছর কাটিয়েছেন ফ্রান্সেও।

কিন্তু শি জিনপিং কোনও দিন চীনের বাইরে থাকতে আগ্রহী ছিলেন না। শোনা যায়, এই কারণে নাকি প্রথম স্ত্রীর স'ঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ অবধি হয়ে গিয়েছিল। কারণ তার প্রথম স্ত্রী কে লিংলিং চীন ছেড়ে ব্রিটেনে গিয়ে থাকতে চেয়েছিলেন। লিংলিংয়ের স'ঙ্গে তিন বছরের দাম্পত্য শেষ হয়ে যায় ১৯৮২ সালে। তার পাঁচ বছর পরে পেং লিউয়ানকে বিয়ে করেন শি জিনপিং।

তবে বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাবান এবং প্রভাবশালী এই রাষ্ট্রনেতা তার মেয়ের ব্যক্তিগত জীবনকে পর্দার আড়ালে রাখতেই পছন্দ করেন। ফলে, তার একমাত্র মেয়ে এখন কোথায় আছেন এবং কী করছেন তা অধ’রাই বাইরের বিশ্বের কাছে। হয়তো প্রকাশ্যে তখনই আসবে, যখন তারা চাইবেন। সূত্র: ফার্স্টপোস্ট, আনন্দবাজার

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz