1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Author :
  5. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  6. [email protected] : News Reporter :
যু’দ্ধ হলে কে জিতবে চীন নাকি ভারত!
রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন

যু’দ্ধ হলে কে জিতবে চীন নাকি ভারত!

Desk Report
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২০
  • ১৬১ Time View

লাদাখে ভারত ও চীনের মধ্যে উ’ত্তেজনা তীব্র। সম্প্রতি সেখানে দুই দেশের সে’নাদের মধ্যে সং’ঘর্ষে ভারতের ২০ সে’না সদস্য নি’'হত হওয়ার পর উ’ত্তেজনা আরো বৃ’'দ্ধি পেয়েছে। চীনের বি’রু'দ্ধে কড়া হুঁ’শিয়ারি দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এমন অবস্থায় পারমাণবিক শ’ক্তিধর এই দুটি দেশের দিকে কড়া দৃষ্টি রাখছেন যু’'দ্ধবিশারদরা। যদি এই ঘ’টনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে যু’'দ্ধ শুরু হয়ে যায়, তাহলে কে জিতবে- ভারত নাকি চীন? এ নিয়ে নানা হিসাব। নানা বিশ্লেষণ। কারণ, সা’মর'িক ব্যয়ের দিক দিয়ে ভারতের চেয়ে অনেক এগিয়ে চীন।স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউটের ত’থ্যমতে, তারা সা’মর'িক ব্যয়ের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে।

২০২০ সালে এসে বিশ্ব সবচেয়ে বৃহৎ সক্রিয় সা’মর'িক বাহিনী রয়েছে চীনের। সেখানে সক্রিয় সে’না সদস্যের সংখ্যা ২১ লাখ ৮০ হাজার। স্ট্যাসিস্টা’র মতে, এর কাছাকাছি রয়েছে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া। এখানে আরো উল্লেখ করা যেতে পারে যে, ভারতের চেয়ে চীনের হাতে আছে দ্বিগু'ন ফাইটার এবং ইন্টারসেপ্টর আছে। চীনের আছে ব্যবহার উপযোগী ৫০৭টি বিমানবন্দর। অন্যদিকে ভারতের আছে ৩৪৬টি।

গ্লোবাল ফা’য়ারপাওয়ারের মতে, চীনের হাতে আছে কমপক্ষে ৩২০০টি ট্যাংক। ভারতের আছে ৪২০০টি। কিন্তু চীনের হাতে সাজোয়া যান আছে বিস্ময়করভাবে ৩৩,০০০। কিন্তু এক্ষেত্রে ভারত অনেক দু’র্বল। তাদের আছে কমপক্ষে ৮৬০০টি।

ওদিকে সোমবার আ’নন্দবাজার পত্রিকা ‘আন্তর্জাতিক রিপোর্ট: নি’য়ন্ত্রণরেখায় শ’ক্তিতে ভারত-চীন কে কোথায় এগিয়ে’ শীর্ষক একটি রিপোর্টে দুই দেশের সা’মর'িক শ’ক্তির তুলনামুলক একটি চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে। এতে বলা হয়েছে, বেলফারের দুই বিশেষজ্ঞ ফ্রাঙ্ক ও’ডোনেল এবং অ্যালেক্স বলফ্রাস বিস্তারিত আলোচনা করেছেন- প্রকৃত নি’য়ন্ত্রণরেখা নিয়ে ভারত-চীন সঙ্ঘা'তের ক্ষেত্রে কোন দেশ সা’মর'িক শ’ক্তিতে কোথায় কতটা এগিয়ে তা নিয়ে।

ডোকলাম স’ঙ্কটকে পরিপ্রেক্ষিতে রেখেই এই তুলনামূ’লক আলোচনা করা হয়েছিল। একই রকমভাবে, ২০১৯ সালের অক্টোবরে সেন্টার ফর নিউ আমেরিকান সিকিউরিটি (সিএনএএস) নামে একটি গবে’ষণা সংস্থাও একই রকম তুলনামূ’লক আলোচনা করেছিল। বেলফার সেন্টার এবং সিএনএএস প্রকাশিত এই দুই বিশ্লেষণে দেখানো হয়েছে, সমর' সম্ভার থেকে শুরু করে যু’'দ্ধ পারদর্শিতায় এই মুহূর্তে ভারত এবং চীনের তুলনামূ’লক অবস্থান।

স্থলবাহিনী
বেলফারের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে- প্রকৃত নি’য়ন্ত্রণরেখা বরাবর চীনের মো’কাবিলা করতে ভারত অন্তত ২ লাখ ২৫ হাজার সে’না মোতায়েন করতে স’ক্ষম। তার মধ্যে উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডে সে’না সংখ্যা প্রায় ৩৪ হাজার। এর মধ্যে লাদাখে রয়েছে টি-৭২ ব্রিগেডের ১৫০টির মতো ট্যাঙ্ক এবং ৩০০০ বাহিনী। এ ছাড়াও রয়েছে অষ্টম মাউন্টেন ডিভিশন এবং তৃতীয় ইনফ্যান্ট্রির সে’নারা। মধ্যাঞ্চলীয় কমান্ডের অধীনে রয়েছে ষষ্ঠ মাউন্টেন ডিভিশনের প্রায় ১৬ হাজার সে’না। পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধীনে চীনা সী’মান্তে রয়েছে ভারতীয় সে’নার ৯টি মাউন্টেন ডিভিশনের প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার সে’না। তার স’'ঙ্গে রয়েছে অরুণাচলের ব্রহ্মস মি’সাইল রেজিমেন্ট।

উল্টো দিকে চীনের শিনচিয়াং মিলিটারি ডিসট্রিক্ট এবং তিব্বত মিলিটারি ডিসট্রিক্টে মোতায়েন রয়েছে প্রায় ৭০ হাজার সে’না। এর মধ্যে বড় অংশই বর্ডার ডিফেন্স রেজিমেন্ট বা সে দেশের সীমা'ন্ত রক্ষী বাহিনী। সেই স’'ঙ্গে চীনের ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার গোলন্দাজ আর পদাতিক সে’না যোগ করলে তা ভারতের সে’না সমাবেশের প্রায় সমান।

কিন্ত সিএনএএস রিপোর্ট পদাতিক বা গোলন্দাজ বাহিনীর সম্মুখ সম’রের দক্ষ’তায় এগিয়ে রেখেছে ভারতীয় বাহিনীকে। তার কারণ হিসাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, ভারতীয় বাহিনী নিয়মিত স’ন্ত্রাস দ’মন অ’ভিযানের স’'ঙ্গে যুক্ত। অন্য দিকে ১৯৯৯ সালের কার্গিল যু’'দ্ধ ওই রকম উচ্চতায়, প্রতিকূল পরিবেশে ভারতীয় সে’নাবা’হিনীর পারদর্শিতা এবং অ’ভিজ্ঞতাকে অনেকটা বৃ’'দ্ধি করেছে।

অন্যদিকে ১৯৭৯ সালে ভিয়েতনামের স’'ঙ্গে সং’ঘর্ষ ছাড়া চীনা বাহিনীকে বড় কোনও সং’ঘর্ষের মুখোমুখি 'হতে হয়নি। ওই লড়াইয়ে ভিয়েতনামের বাহিনীর কাছে রীতিমতো পর্যুদস্ত হয়েছিল চীনা বাহিনী। ফলে তুলনামূ’লক বিচারে ভারতকেই এগিয়ে রাখছে এই রিপোর্ট।

এ ছাড়াও, সম্প্রতি ভারতীয় বাহিনীতে চীনুক, অ্যাপাশের মতো হেলিকপ্টার যুক্ত হওয়ায় সে’নার ক্ষ’মতা অনেকটা বেড়েছে। সেই স’'ঙ্গে সি-১৩০ জে সুপার হারকিউলিস এবং সি-১৭ গ্লোবমাস্টারের মতো বিমান প্রত্যন্ত এলাকায় বাহিনীর রসদ জোগানো এবং লজিস্টিক সা'পোর্ট পৌঁছতে খুবই কার্যকর।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz