1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  5. [email protected] : News Reporter :
যে কারনে ৭০০ বছরেও খোলা হয়নি নবীজির রওজার মূল দরজা।
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০১:৪৩ অপরাহ্ন

যে কারনে ৭০০ বছরেও খোলা হয়নি নবীজির রওজার মূল দরজা।

Desk Report
  • Update Time : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২০
  • ১৫২ Time View

হ’জ ও ও’মর'া পা’লনকারীদের ম’দিনা আসার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো- নবী করিম (সা.)-এর রওজা মো’বারক জি’য়ারত করা, রওজায় সালাম পেশ করা। এই পবিত্র ভূমি ম’দিনার মসজিদে নববীতে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহা'মানব হযরত মোহা'ম্ম’দ (সা.)।

নবী’জি যে ঘ’রটিতে স্ত্রী আয়েশা (রা.) কে নিয়ে বসবাস করতেন সে ঘরটিতে মৃ’ত্যুর পর তাকে দা’ফন ক’রা হয়। রাসূলের রওজার পাশে ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা.) ও ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর' (রা.)-এর কবর। পাশে আরেকটি কবরের জায়গা খালি। এখানে হযরত ঈসা (আ.)-এর কবর হবে।

সুদীর্ঘ ৭০০ ব’ছরেও নবী’জির রওজার মূ’ল দরজা খোলা হয়নি। ধ'র্মপ্রা’ণ মুসল্লিদের আবেগ এতটাই বেশি যে নবী’জির রওজার দরজা খোলা থাকলে ধুলোবালিও নিয়ে যেতো।

তাই নবী’জির র’ওজা র’ক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা বেশ খানিকটা দূর থেকে রওজা জি’য়ারতের সু’যোগ দেন।সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী নবী’জির রওজা মোবারক নিয়ে নানা অ’পপ্রচার চলছে।

বিভিন্ন দে’শে নবী’জি ও খলিফাদের ভুয়া রওজার ছবি দে’খিয়ে অ’বৈধ অর্থ রোজগারের অ’পচেষ্টা চল’ছে। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ছাড়া আর কারও কাছে মাথা নত করা উচিত নয় বলে ওই কর্মকর্তা মন্তব্য করেন।

ম’সজিদে নব’বিতে প্রবেশের অনেকগু'লো দরজা রয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিম পাশে রাসূলের রওজা জি’য়ারতের জ’ন্য যে দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে হয়, ওই দরজাকে ‘বাবুস সালাম’ বলা হয়।

বাবুস সা’লাম দি’য়ে প্রবেশ করে রাসূলের রওজায় সালাম শেষে ‘বাবুল বাকি’ দিয়ে বের 'হতে হয়।ম’দিনায় জিয়ারতে হাজীদের জন্য সৌভাগ্যের বি’ষয়। কারণ ম’দিনায় এসে দুনিয়ায় জীবিত থাকতে জান্নাতে ভ্রমণের সুযোগ মেলে।

কা’রণ ন’বী করিম (সা.)-এর রওজা শরিফ এবং এর থেকে পশ্চিম দিকে রাসূলে করিম (সা.)-এর মিম্বর পযন্ত স্বল্প প’রিসরের স্থা’নটুকুকে রিয়াজুল জান্নাত বা বেহেশতের বাগিচা বলা হয়।

এটি দু’নিয়াতে এ’কমাত্র জান্নাতের অংশ। এই স্থানে স্বতন্ত্র রঙয়ের কার্পেট বিছানো থাকে।এই স্থানটুকু সম্প’র্কে হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমা'র র’ওজা ও মি’ম্বরের মধ্যবতী স্থানে বেহেশতের একটি বাগিচা বিদ্যমান।

এখানে প্র’বেশকরা মা’নে জান্নাতে প্রবেশ করা।বস্তুত দুনিয়ার সব কবরের মধ্যে সর্বোত্তম ও সবচেয়ে বেশি জি’য়ারতের উ’পযুক্ত স্থান হলো- রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর রওজা মোবারক।

তাই এর উ’দ্দেশে স’ফর করা উত্তম। এ কথার ও’পর পূর্বাপর সব উলামায়ে কেরামের ঐকমত্য রয়েছে।একদিন রাতে এক হু’জুর নামাজ পড়িয়ে মসজিদ 'হতে বাসায় ফিরছিলেন।

প’থিমধ্যে এ’ক বিধ'র্মী তাকে জিজ্ঞাসা করল যে….একদিন রাতে এক হুজুর নামাজ পড়িয়ে মসজিদ 'হতে বাসায় ফিরছিলেন।

প’থিমধ্যে এ’ক বিধ’র্মী তাকে জিজ্ঞাসা করল যে, এই পৃথিবীতে অসংখ্য ধ'র্ম আছে, তাহলে কি সৃষ্টিকর্তাও অসংখ্য ? হুজুর লোকটির কথা শুনে পাশের বাড়ি 'হতে তিনটা কলস নিলেন।।

তা’রপর এ’কটি পুকুর 'হতে কলস তিনটা পূর্ন করে, চাঁদের দিকে মুখ করে মাটিতে রেখে লোকটির কাছে জিজ্ঞাসা করলেনঃ দেখতো চাঁদ কয়টা….?? লোকটি দেখলো যে প্র’তিটি কলসিতে একটি করে চাঁদের প্র’তিচ্ছবি আছে।

লো’কটি বললঃ যে তি’নটা চাঁ’দ আছে হুজুর। কলসির সমস্ত পানি পুকুরে ঢেলে দিয়ে বললেন, আ’সলেই কি আকাশে তিনটা চাঁদ…??>

এবার বি’শাল এই পু’কুরে তা’কিয়ে দেখতো, কয়টা চাঁদ দেখতে পাও…?? > লোকটি বললঃ—- মাত্র একটা চাঁদ দেখা যায় হুজুর বললেন, মানুষ নামের প্রানীর চিন্তাশ’ক্তি সীমিত……আর এজন্যই তুমি তিনটা চাঁদ দেখছো।

কিন্তু বি’শাল এই জ’লরাশি আ’র দূরের ঐ সীমাহিন আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখতো….! তুমি কেবল একটিই চাঁ’দ দে’খতে পাবে।ভাবনা ও কাজের মিল পাওয়া গেল। একেবারে পেট পুরে খেলো। নবী’জি নিজে’ই তার বিছানা করলেন। ইহুদি মেহমান গা এলিয়ে দিল ঘু'মাবের বিছানায়। গ

ভীর রাত। নী’রব নিস্ত'দ্ধ। ঘু’ম ভে’ঙে গেল অতিথির। একেতো মর'ু পথের দীর্ঘ ক্লান্তি, আবার খেয়েছেও গ’লা ভরে। এবার বাতরুমের প্রচন্ড চা’প। কিন্তু এতো রা’তে, অ’জানা অচেনা জায়গায় কোথায় যাব'ে সে? এমন সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে বিছানা ন’ষ্ট করে ফে’লেছে আগন্তুক।কি করবে আগন্তুক?

সি’'দ্ধান্ত নিল আবার ম’দিনায় যাব'ে, তলোয়ার ছাড়া একমুহুর্তও অসম্ভব। চুপিচুপি মুহা'ম্ম’দ সা.-এর ঘরে এসে ঢুকেছে ইহুদি। মনে বড় ভ’য়! কি জানি কি হয়! আরে! একি কি দেখছে সে?

ই’হুদি মে’হমান নি’জের চোখকে বিশ্বা'স করাতে পারছে না। রা’সুল সা. নিজের হাতের লোকটির ন’ষ্ট করে যাওয়া বিছানা ধুয়ে দিচ্ছেন। চেহারায় রাগের চিহ্ন নেই।

রাসুল সা. তা’কে দে’খে ছুটে এসেছেন তার কাছে।তাকে বলতে লাগলেন, ও ভাই! আমা'র ভু’ল হয়ে গেছে, রাতে তোমা'র খোঁজ নিতে পারিনি, আমা'র জন্য তুমি অনেক ক’ষ্ট করেছো।

আ’মাকে মা’ফ করে দাও! ইহুদি ভাবতেও পারছে না এমনটা। মানুষ বুঝি এমন হয়। তাও র’ক্ত মাংসে গড়া মানুষ! মানবিক মানুষের উপমা। ইহুদি মেহমান এবার মাথা নুইয়ে দিলেন নবী’জির কাছে। সমকণ্ঠে উচ্চারন করলেন, আশহাদু আল্লা ইলাহা ইলাল্লাহু মুহা'ম্ম’দুর রাসুলুল্লাহ।

ওগো আ’ল্লাহর ন’বী-আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বা'স করি; আল্লাহ এক-আপনি আল্লাহর রাসুল। সূত্র : বায়হাকি ২৪

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz