1. admin1@newsbulletin.info : admi :
  2. mohamamdin95585@gmail.com : atayur :
  3. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  4. zilanie01@gmail.com : Rumie :
ফ্রি'জে মাং'স রা'খার স'ম'য় যে'সব ভু'ল ক'রবে'ন না
শুক্রবার, ০৬ অগাস্ট ২০২১, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন

ফ্রি’জে মাং’স রা’খার স’ম’য় যে’সব ভু’ল ক’রবে’ন না

Desk Report
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১
  • ৩৪১ Time View

কোরবানির পশুর মাংস তাজা ও টাটকা রাখাটা বেশ গু'রুত্বপূর্ণ। আর সেটা তখনই সম্ভব হয় যখন মাংসটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা যাব'ে। কোরবানির

মাংস বাসায় আসার পর খোলা অবস্থায় অনেকক্ষণ ফেলে না রেখে ৪-৫ ঘণ্টার মাঝেই তা সংরক্ষণ করতে হবে। তবে সেটা এমনভাবে করতে হবে, যেন এর স্বাদ ও পুষ্টিগু'ণ অক্ষুণ্ণ থাকে। পশু জ’বাই করার স'ঙ্গে স'ঙ্গেই মাংস ফ্রিজে না রাখাই ভালো। কারণ এরপর অন্তত চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা মাংস শক্ত থাকে। মাংস একটু নরম হওয়ার পর ধুয়ে পানি ভালো করে ঝরিয়ে ফ্রিজে রাখতে পারেন। এতে ফ্রিজে রাখলে অনেক দিন ভালো থাকবে।

ফ্রিজে মাংস রাখার আগে তাপমাত্রা ঠিক আছে কি-না চেক করতে হবে। ফ্রিজে একই স'ঙ্গে যেমন মাছ ও মাংস রাখা যাব'ে না। এমনকি কাঁচা ও রান্না করা মাংসও একস'ঙ্গে রাখবেন না জীবাণুর আ'ক্রমণ ও ক্রস-কন্টামিনেশনের ঝুঁকি এড়াতে।

সব মাংস একস'ঙ্গে না রেখে ছোট ছোট প্যাকেট করুন। এতে মাংস বরফ হবে কম সময়েই, পুষ্টিগু'ণও নষ্ট হবে কম। এছাড়া মাংস বের করতেও সুবিধা হবে। তবে গোল করে চেপে প্যাকেট না করে বিছিয়ে প্যাকেট করলে তাড়াতাড়ি বরফ হয়ে বেশি দিন ভালো থাকে। তবে কোনো অবস্থায়ই কাগজে মুড়িয়ে, খোলা বাটি বা ট্রেতে মাংস ফ্রিজে রাখবেন না।

ফ্রিজে রাখার সময় বড় চাকা মাংস না রেখে টুকরো করে রাখতে হবে। আবার একদম ছোট টুকরো করলে ভেতরে পানি জমে থাকে এবং ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে। তাই ফ্রিজে মাংস রাখার আগে র'ক্ত, চর্বি, পানি পরিষ্কার করে ঝরিয়ে নিতে হবে। মাংস রাখার একদিন পর ফ্রস্ট ফ্রিজের ক্ষেত্রে প্যাকেটগু'লো একটু নড়িয়ে দিতে হবে যেন শক্তভাবে না লেগে যায়। ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেলে বারবার ফ্রিজ না খোলাই ভালো।

কাঁচা অবস্থায় মাংস ডিপ ফ্রিজে মাইনাস ১৮ থেকে মাইনাস ২২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রে'ড তাপে রাখতে হবে। এভাবে গরুর মাংস ৮-১০ মাস, খাসির মাংস ৫-৬ মাস, উট, মহিষ ৬ মাস, ভেড়া রাখা যাব'ে ২-৩ মাস। মাথা, মগজ ও কলিজা বেশিদিন ফ্রিজে না রাখাই ভালো। তবে সবকিছু ১-৩ মাসের মাঝে সব কিছু অবশ্যই শেষ করে ফেলা উচিত, কারণ যতদিন যাব'ে খাবারের গু'ণগত ও পুষ্টিগত মান ততই কমতে থাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz