1. admin1@newsbulletin.info : admi :
  2. mohamamdin95585@gmail.com : atayur :
  3. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  4. zilanie01@gmail.com : Rumie :
যেখানে না'রী’দে'র খ'ৎ’না ক'রানো হ'য়!
শুক্রবার, ০৬ অগাস্ট ২০২১, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন

যেখানে না’রী’দে’র খ’ৎ’না ক’রানো হ’য়!

Desk Report
  • Update Time : শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০২১
  • ৩১৮ Time View

নারীদেরও খৎনা হয়! এ বি'ষয়ে অনেকেই অবগত নন! সত্যিই এমন প্রথা রয়েছে বিশ্বের কয়েকটি দেশে। আফ্রিকা মহাদেশের ২৭টি দেশসহ ইন্দোনেশিয়া, ইরাকের কুর্দিস্তান, ইয়েমেন-এ দেশগু'লোতে নারীদের মুসলমানি একটি ধ’র্মীয় রীতি হিসেবেই প্রচলিত।

আজ থেকে নয়, আধুনিক বিশ্ব সৃষ্টি হওয়ার প্রায় শতবর্ষ আগে থেকেই এ রীতি মেনে আ’সছেন বহু মানুষ। আর সংখ্যাটাও একেবারেই নগণ্য নয়! তেমনই এক দুঃসহ অ'ভিজ্ঞতা জা’নিয়েছেন বিশারা নামের এক নারী। তিনি বলেন, ‘আমা’র চোখ বেঁধে দুই হাত পেছনে শক্ত করে বাঁ’ধা হয়। দুই পা দু’দিকে মেলে ধ’রে যৌ'’না'ঙ্গের বাইরের চামড়া দু’টি শক্ত করে পিন কিছু দিয়ে আ’টকে দেয়া হয়। আমি তীক্ষ্ণ একটি ব্য’থা অ’নুভব

করে চিৎকার ক’রতে থাকি। আমা’র আর্তনাদে কেউ সাড়া দেয়নি। আমি লাথি মেরে নিজেকে মু’ক্ত করার চেষ্টা করলাম। দানবের মতো কেউ একজন আমা’র পা চে’পে ধ’রেছিল।’ বিশারা বলেন, এটি ছিল অত্যন্ত ক’ষ্টকর। অন্য সব মেয়েদেরও একই অ'ভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। ব্য’থা নিরাময়ের জন্য ছিল শুধু স্থানীয়ভাবে তৈরি ভেষজ ওষুধ। একটি ছাগলের মতো করে তারা আমা’র দুই পা টেনে ধ’রে ক্ষ’ত স্থানে সেই ভেজষ ওষুধ মাখিয়ে দেয়।

এভাবেই প্রত্যেক নারীকে খৎনা দেয়া হয়। বিশ্বের প্রতিটি ২০ মেয়ে শি’শু বা নারীর মধ্যে একজনের খৎনা করা হয়ে থাকে, যাকে ইংরেজিতে বলা হয় এফিএম বা ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন। বর্তমান বিশ্বে এ রকম বিশ কোটি নারী রয়েছেন, যাদের আংশিক অথবা পুরো খৎনা অর্থাৎ যৌ'’না'ঙ্গ কে’টে ফেলা হয়েছে। অনেক নারী ও মেয়ের শি’শু অবস্থাতেই এ রকম খৎনা করা হয়, এমনকি শি’শুদেরও। অনেক সময় বয়ঃসন্ধির সময় এটি করা হয়।

ফলে নারীদের শা’রীরিক এবং মা’নসিক স’মস্যার তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে তাদের সারাজীবন ধ’রে বয়ে বেড়াতে হয়। ইউনিসেফের প্র’তিবেদন অনুযায়ী, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের ২৯টি দেশে ব্যা’পকভাবে এ রীতি চালু রয়েছে, যদিও এদের মধ্যে ২৪টি দেশেই এটি নি'ষি’'দ্ধ। এমনকি নারীদের এরকম যৌ'’না'ঙ্গ কর্তন ব’ন্ধের আহবান জানিয়ে প্রতিবছরের ৬ ফেব্রুয়ারি এ বি'ষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ দিবস হিসেবে পা’লন করে জাতিসং'ঘ।

নারীদের খৎনা আ’সলে কী? নারীদের খৎনার মানে হলো ইচ্ছাকৃতভাবে যৌ'’না'ঙ্গের বাইরের অংশটি কে’টে ফেলা। অনেক সময় ভগাঙ্কুরের পাশের চামড়া কে’টে ফেলা হয়। বিশ্ব স্বা’স্থ্য সংস্থা এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেছে, চিকিৎ’সার প্রয়োজন ব্যতীত এমন যেকোনো প্রক্রিয়া, যা নারীদের যৌ'’না'ঙ্গের ক্ষ’তি করে থাকে। এ ধ’রনের কাজে নারীদের শা’রীরিক এবং মা’নসিকভা’বে ক্ষ’তি করে থাকে, যার স্বা’স্থ্যগত কোনো উপকারিতা নেই।

কোথায় এ রীতি চালু আছে? বর্তমানে আফ্রিকার অনেক এলাকায়, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার কিছু অংশে এ রীতি চালু আছে। তবে অ'ভিবাসনের মাধ্যমে এর চর্চা ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকাতেও ছড়িয়ে পড়েছে। কিছু ঐতিহ্যমনা পরিবারে মেয়েদের খৎনার ভেতর দিয়ে যেতে হয় যখন তারা তাদের মাতৃভূমিতে ছুটিতে যায়। যেহেতু পশ্চিমা সরকার নারী খৎনার ব্যাপারে খুব স’চেতন, তাই তাদের আ’ইনগু'লো বহুদেশে নারী খৎনাকে

আ’ইনের লঙঘন হিসেবে সাব্যস্ত ক’রতে সাহায্য করেছে। ইউনিসেফের প্র’তিবেদন অনুযায়ী, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের ২৯টি দেশে ব্যা’পকভাবে এ রীতি চালু রয়েছে, যদিও এদের মধ্যে ২৪টি দেশেই এ নি'ষি’'দ্ধ। খালিদ আদেম মা’র্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ব্য’ক্তি যাকে ২০০৬ সালে তার কন্যাকে খৎনা করানোর জন্য শা’স্তি দেয়া হয়। অনেকে দেশে বেআই’নি হওয়া সত্ত্বেও পরিবারের ঘনি’ষ্ঠজনদের সাজা 'হতে পারে, এ রকম আশ’ঙ্কা

থেকে ভুক্তভোগীরা আর অ’ভিযোগ সামনে আনেন না। তবে মেয়ে শি’শুদের ওপর এ রকম খৎনা করার প্র’বণতা বাড়ছে। এ শি’শুরা স্কুলে না পড়ায় বা যথেষ্ট বড় না হওয়ায় ক’র্তৃপক্ষ সহজে শনা’ক্ত ক’রতে পারেন না। স’ম্প্রতি রাশিয়ায় একটি বিল আনা হয়েছে, যেখানে নারীদের মুসলমানিকে (FGM- Female Genital Mutilation) একটি আই’নি অ'পরাধ হিসেবেই দেখা হবে। অ'পরাধী যেই হোক না কেন, শা’স্তি 'হতে পারে ১০ বছরের কারা'বাস। রাশিয়ার পার্লামেন্টে এ বিলের সপেক্ষে বলা হয়, সভ্য সমাজে নারী যৌ'’না'ঙ্গের অ’'ঙ্গহানি বা নারীদের মুসলমানির মতো বর্বর প্রথার কোনো স্থান নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz