1. admin1@newsbulletin.info : admi :
  2. mohamamdin95585@gmail.com : atayur :
  3. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  4. zilanie01@gmail.com : News Reporter :
খে'য়ে না খে'য়ে মা'নু'ষ ক'রা ছে'লে'টি এ'খ'ন প'ঙ্গু মা'য়ে'র খোঁ'জখ'ব'র নে'য় না
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪০ অপরাহ্ন

খে’য়ে না খে’য়ে মা’নু’ষ ক’রা ছে’লে’টি এ’খ’ন প’ঙ্গু মা’য়ে’র খোঁ’জখ’ব’র নে’য় না

Desk Report
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ আগস্ট, ২০২১
  • ২২২ Time View

যার জন্য পৃথিবীর আলোর মুখ দেখে প্রতিটি সন্তান, তিনি হলেন মা। পৃথিবীতে যদি কেউ নিঃস্বার্থভাবে ভালবাসতে পারেন, তিনি হলেন মা।

দুঃখে ও সুখে প্রতিটি সময় যিনি স্নেহ ভালোবাসায় আপনার পাশে থাকেন, তিনি হলেন মা। শাহাবানু, ঝালকাঠির রাজাপুর উপজে'লার পুটিয়াখালী গ্রামের বাসিন্দা। ২৫ বছর আগে তিন বছরের ছেলে শাহজাহানকে রেখে মা'রা যান স্বামী ইয়াছিন' হাওলাদার। তার স্বামী বসতভিটা ছাড়া কিছুই রেখে যাননি। অন্যের বাসায় কাজ করে ছেলে শাহজাহানকে লালন-পালন করেন শাহাবানু। খেয়ে না খেয়ে ছেলেকে বড় করেন মা।

কিন্তু সেই ছেলেই বড় হয়ে মাকে রেখে চলে যান। শেষ সময়ে এসে দুঃখে-কষ্টে চলে তার সংসার। জীবনের শেষপ্রান্তে এসে হা'মাগু'ড়ি দিয়ে চলেন তিনি। পৃথিবীতে আপন বলতে কেউ নেই তার। শাহাবানুর কষ্টের দিনগু'লোতে সহায়তা করেছেন প্রতিবেশীরা। এরই মধ্যে ১০ বছর সহায়তা করেছেন এমন দাবি তুলে সহায়তার অর্থ লিখে রাখেন এক প্রতিবেশী। এরপর সহায়তার অর্থ শাহাবানুর কাছে ফেরত চান তার প্রতিবেশী।

কিন্তু ওই অর্থ ফেরত দেয়ার মতো অবস্থা ছিল না শাহাবানুর। এ অবস্থায় তার বসতভিটার জমির দিকে নজর দেন প্রতিবেশী। পরে ওই প্রতিবেশীকে জমি লিখে দেন শাহাবানু। তার স্বামী বসতভিটা তাকে ছাড়তে হয় । প্রতিবেশীকে জমি লিখে দেয়ার ক্ষোভে ১৪ বছরের ছেলে শাহজাহান মাকে ফেলে চলে যান। অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংগ্রাম করছিলেন শাহাবানু। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অন্যের বাড়িতে কাজ করার সময়

পুকুরঘাটে হোঁচট খেয়ে কোমর'ে আঘা'ত পান শাহাবানু। সেই থেকে আর কোমর' সোজা করে দাঁড়াতে পারেননি তিনি। এখন চলাফেরা করতে অক্ষম। বর্তমানে তার বয়স ৭০ বছর। হাঁটু ও দু’হাতে ভর করে হা'মাগু'ড়ি দিয়ে চলাফেরা করেন শাহাবানু। বি'ষয়টি জেনে স্থানীয় ইউপি সদস্য তাকে একটি বয়স্কভাতার কার্ড করে দেন। চলাফেরায় অক্ষম হওয়ায় এক প্রতিবেশীকে ১২০ টাকা দিয়ে বয়স্কভাতার টাকা উত্তোলন করান।

অন্যের বাড়িতে থাকেন তিনি।শাহাবানু বলেন, আমাকে ছেড়ে ছেলে শাহজাহান চলে গেছে, থাকে পাশের গ্রামে। বিয়ে করে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে শান্তিতে আছে। কিন্তু আমা'র খোঁজখবর নেয় না। পরনে একটা কাপড় নেই আমা'র। ছেঁড়া কাপড়ে শরীর ঢেকে চলতে হয়। হাঁটতে পারি না, হা'মাগু'ড়ি দিয়ে চলতে হয়। ছেলে খোঁজ না নিলেও অ'ভিযোগ দেই না কারও কাছে। সন্তান তো আমা'র। পেটে ধরেছিলাম, কষ্ট করে বড় করেছি।

এজন্য অ'ভিশাপও দেই না।শাহাবানু বলেন, কেউ যদি আমা'র দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতো, থাকার একটু ব্যবস্থা করে দিতো; খাবার এবং পরনের কাপড় দিতো তাহলে মর'ার আগে একটু স্বস্তি পেতাম।তবুও শাহাবানু তার ছেলেকে কোনো প্রকার অ'ভিশাপ দেয়নি।সবসময় ম'ঙ্গল কামনাই করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz