1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Author :
  5. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  6. [email protected] : News Reporter :
স্ত্রীকে খুন করার দায়ে দুই স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন

স্ত্রীকে খুন করার দায়ে দুই স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

Desk Report
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৯
  • ১৯৩ Time View
court-picture

ঘটনাটি ঘটেছে যশোহরে । স্ত্রীকে হ'ত্যা করেছিলন দুইজন ২০ হাজার টাকা যৌ'তুকের জন্য । ঘটনা দুটি পৃথক। একই আ'দালতে একইদিন পৃথক রায়ে ওই দুইজনের মৃ'ত্যুদ'ণ্ডের আদেশ হয়েছে। দ'ণ্ডপ্রা'প্তরা হল- যশোর সদরের আগরাইল গ্রামের কাওছার মোল্লার ছেলে জাহিদুল ইসলাম ও কেশবপুরের বেতীখোলা গ্রামের মৃ'ত আতশ গাজীর ছেলে মোমিন গাজী। তারা দুইজনই পলাতক রয়েছে। বৃহস্পতিবার নারী ও শিশু নি'র্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ (জে'লা জজ) আ'দালতের বিচারক টিএম মুসা পৃথক রায়ে এই দ'ণ্ডাদেশ দেন। রায়ের বি'ষয়টি নিশ্চিত করেছেন মা'মলা দুইটির রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বিশেষ পিপি এম ইদ্রিস আলী। আ'দালত সূত্র জানায়, ২০০০ সালে কেশবপুরের বেতীখোলা গ্রামের মোমিন গাজীর স'ঙ্গে একই গ্রামের মোবারক সরদারের মেয়ে মনোয়ারা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর যৌ'তুক দাবি করলে মোমিনকে ২০ হাজার টাকা দেয়া দেয়া হয়। বাকি ২০ হাজার টাকার জন্য মান্নান প্রায়ই মনোয়ারাকে মা'রপিট করত। ২০০৬ সালের ২০ মে মোমিন ও তার মা মনোয়ারাকে বেদম মা'রপিট করে হ'ত্যা করে। এ ব্যাপারে নি'হতের ভাই আকবর আলী বাদী হয়ে নি'হতের স্বামী মোমিনসহ দুইজনকে আ'সামি করে আ'দালতে যৌ'তুকের দাবিতে হ'ত্যার অ'ভিযোগে মা'মলা করেন। পরে মা'মলাটি কেশবপুর থানায় নিয়মিত মা'মলা হিসেবে রুজু হওয়ার পর ত'দন্ত করে ওই দুইজনকে অ'ভিযুক্ত করে আ'দালতে চার্জশিট জমা দেন ত'দন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সিরাজুল ইসলাম আ'দালতে চার্জশিট জমা দেন। এ মা'মলার দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে নি'হতের স্বামী মোমিনের বিরু'দ্ধে হ'ত্যার অ'ভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে মৃ'ত্যুদ'ণ্ডাদেশ ও বিশ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। হ'ত্যার অ'ভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক অ'পর আ'সামিকে খালাস দিয়েছেন। অ'পরদিকে, ১৯৯৫ সালে আ'সামি জাহিদুল ইসলাম বাঘারপাড়ার কুটারাকান্দি গ্রামের আবদুস সামা'দের মেয়ে তাসলিমা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে জাহিদুল ইসলামসহ তার পরিবারের লোকজন তাসলিমা খাতুনের কাছ ২০ হাজার টাকা যৌ'তুক দাবি করে নি'র্যাতন করত। মেয়ের সংসারের সুখের কথা চিন্তা করে ১১ হাজার টাকা ও সংসারের মালামাল দেয়া হয়। ২০০১ সালের ২৯ আগস্ট তাসলিমা'র মা তার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গেলে তাড়িয়ে দেয়া হয়। এরপর তাসলিমাকে মা'রপিট করে বাড়ির পাশের কাঁঠাল গাছে ঝুলিয়ে হ'ত্যা করে। এ ব্যাপারে একটি অ'পমৃ'ত্যু মা'মলা হয়। পরে ময়নাত'দন্তে হ'ত্যার অ'ভিযোগ পাওয়ায় নি'হতের মা জাহানারা খাতুন বাদী হয়ে পাঁচজনকে আ'সামি করে নারী ও শিশু নির্যতন দমন আ'দালতে একটি মা'মলা করেন। আ'দালতে তাসলিমা খাতুন হ'ত্যা মা'মলাটি কোতোয়ালি থানায় নিয়মিত মা'মলা হিসেবে রুজু হয়। এ মা'মলার ত'দন্ত শেষে এসআই সোহরাব হোসেন পাঁচজনকে অ'ভিযুক্ত করে আ'দালতে চার্জশিট জমা দেন। নি'হতের স্বামী জাহিদুল ইসলামের বিরু'দ্ধে হ'ত্যার অ'ভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে মৃ'ত্যুদ'ণ্ডাদেশ ও ২০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। এ মা'মলার অ'পর চার আ'সামির বিরু'দ্ধে অ'ভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক তাদের খালাস দিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz