1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Author :
  5. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  6. [email protected] : News Reporter :
দুই টুকরো পাথরে কোটিপতি
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন

দুই টুকরো পাথরে কোটিপতি

Desk Report
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২০
  • ১৩৭ Time View

ছিলেন সাধারণ এক খনি শ্রমিক। দুই টুকরো মূল্যবান রত্নপাথরের বদৌলতে সেখান থেকে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেলেন সানিনিও লাইসের। চলমান করো'নাভাইরাস মহা'মা'রির কালে তাঞ্জানিয়ার এই লোকটির পকে'টে এখন আছে ৩৪ লাখ ডলার! যেই দুই রত্ন পাথরে রাতারাতি ধনী হলেন লাইসের, সেটির নাম ‘তানঞ্জানিতে স্টোন’। এখন পর্যন্ত পাওয়া অতিমূল্যবান এই রত্নপাথরের সবচেয়ে

বড় দুটি টুকরো পাওয়া গেছে তার হাত ধরে। বিবিসি জানিয়েছে, লাইসেরের পাওয়া ‘তানঞ্জানিতে স্টোন’ দুটির ওজন ১৫ কেজি। টুকরো দুটির বিনিময়ে দেশটির খনি মন্ত্রণালয় থেকে পেয়েছেন ২৪ লাখ পাউন্ড তথা ৩৪ লাখ ডলার। তাতে ভীষণ খুশি ৩০ সন্তানের বাবা লাইসের বলেন, “আগামীকাল বড় একটি পার্টি হবে।” পৃথিবীতে একমাত্র তাঞ্জানিয়ার উত্তরাঞ্চলেই অতি মূলব্যান ‘তানঞ্জানিতে স্টোন’ পাওয়া যায়। দামি অলংকার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এই রত্নপাথর।

বিরল হওয়ায় এবং লাল, সবুজ, পার্পল, নীলসহ বিভিন্ন রং ও ঔজ্জ্বল্যের কারণে অলংকার প্রেমীদের মাঝে এর কদর অনেক। এটা পৃথিবীতে বিরল রত্নপাথরগু'লোর একটি। স্থানীয় একজন ভূ-তত্ত্ববিদের পূর্বাভাস, আগামী ২০ বছরের মধ্যে তানঞ্জানিয়াতে স্টোন একেবারে ফুরিয়ে যাব'ে। গত স'প্তাহে খনি থেকে লাইসেরের পাওয়া টুকরো দুটির ওজন ৯.২ ও ৫.৮ কিলোগ্রাম। বুধবার একটি তাঞ্জানিয়ার উত্তরাঞ্চলের মায়ারায় একটি ট্রে'ডিং ইভেন্টে বিক্রি করেন তিনি। এর আগে পাওয়া তাঞ্জানিয়াতে স্টোনের সবচেয়ে বড় টুকরো ছিল ৩.৩ কিলোগ্রাম।

এই ঘটনায় লাইসেরকে ফোন করে অ'ভিনন্দন জানিয়েছেন তাঞ্জানিয়ার প্রেসিডেন্ট জন ম্যাগু'ফুলি। তিনি বলেন, “এটা প্রমাণ করে তাঞ্জানিয়া ধনী একটি দেশ।” ২০১৫ সালে ক্ষমতায় আসার পর ম্যাগু'ফুলি শ্রতিশ্রুতি দেন যে, তিনি দেশের খনি খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন এবং এখান থেকে রাজস্ব বৃ'দ্ধি করার চেষ্টা করবেন। নব ধনকুবের লাইসেরের চারজন স্ত্রী। এসব অর্থ দিয়ে নানা পরিকল্পনার কথাও জানান ৫২ বছর বয়সী এই খনি শ্রমিক। তার ইচ্ছা নিজ জে'লা মানইয়ারায় নিজ সম্প্রদায়ের মাঝে বিনিয়োগ করা।

“আমি একটি শপিং মল ও একটি স্কুল নির্মাণ করতে চাই। আমা'র বাড়ির কাছেই স্কুলটি নির্মাণ করতে চাই। এখানে অনেক দরিদ্র মানুষ, তারা তাদের বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানোর খরচ বহন করতে পারে না।” “আমি শিক্ষিত নই। এরপরও এ ব্যাপারগু'লো পেশাদারীভাবে চালাতে চাই। তাই, চাইব আমা'র ছেলেমেয়েরা ব্যবসা-বাণিজ্য দক্ষতার স'ঙ্গে চালিয়ে নেবে।” লাইসেরে জানান, হঠাৎ করে এত অর্থ পেলেও নিজের জীবনযাত্রায় বদলাবেন না। নিজের ২ হাজারটি গরু দেখভাল চালিয়ে যাব'েন তিনি। টাকাগু'লো রাখতে কোনো নিরাপত্তা সমস্যা হচ্ছে কি-না? জবাবে লাইসের বলেন, “এখানে যথেষ্ট নিরাপত্তা আছে। কোনো সমস্যা হবে না। এমনকি রাতে আমা'র হাঁটা-চলাতেও কোনো সমস্যা নেই।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz