1. admin1@newsbulletin.info : admi :
  2. mohamamdin95585@gmail.com : atayur :
  3. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  4. zilanie01@gmail.com : News Reporter :
বা’স’র রা’তে কি'ভা'বে বু'ঝ'বে'ন ব'উ'য়ে'র কা'ছে আ'প'নি প্র'থ'ম পু’রু’ষ কি না
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন

বা’স’র রা’তে কি’ভা’বে বু’ঝ’বে’ন ব’উ’য়ে’র কা’ছে আ’প’নি প্র’থ’ম পু’রু’ষ কি না

Desk Report
  • Update Time : শুক্রবার, ২০ আগস্ট, ২০২১
  • ২১২ Time View

বা”সর রা’তে জানতে পারলাম আমা'র বউ ত’রী কা’নে কম শু’নে। কমশুনাতে সেটাতে আমা'র প্রব’লেম নেই, কিন্তু প্রবলেম হলো তার উ’ল্টা শু’নাতে।

এই উল্টা শুনার জন্য জীবন আমা'র সাদা-কালো টিভি হয়ে গেছে। ফু’লস’জ্জা’র রাতে যখন ঘরে প্রবেশ করলাম, দেখতে পেলাম সে লম্বা ইয়া বড় গোমটা দিয়ে বসে আছে। আমি তার পাশে গিয়ে গোমটা উল্টিয়ে চেহারা দেখে বললাম, “বাঃ তুমি কত নাইচ!” কিন্তু পরক্ষণে তরী অ'ভিমানী হয়ে বলল ,” ছিঃ এসব কি কথা! শুরুতেই আপনি বউয়ের সাইচ জিজ্ঞাসা করছেন! হু! আপনি কেমন পুরুষ! এমন হলে কিন্তু আমি বাসর রাত

থেকে উঠে বাইরে চলে যাব'ো, এই কিন্তু বলে দিলাম।” আমি হালকা রাগান্বিতভাবে বললাম, ” আরে! আমি বলেছি নাইচ! তরী এবার আমাকে অবাক করে দিয়ে বলল,” আমা'র সাইচ হলো ৩৬,২৮, ৩৪। এবার, খুশিতো?” তার কথা শুনে আমি তব্দা খেয়ে রইলাম। এই মেয়ে বলে কি! আমি বললাম নাইচ, সে বলে সাইচ! হৃদপিণ্ড অলরে'ডি কাঁপতে লাগল। পাশের রুম থেকে ভাবীরা হেসে উঠল হা হা হা করে। ভাবীরা সবাই দেয়ালে

কান পেতে বাসর রাতের আমা'দের কথা শুনছেন। যাতে সকাল হলে আমাকে নিয়ে মজা করতে পারেন। তাই তাদের হাসির আওয়াজে আমি ল'জ্জা পেয়ে কথা আরো আস্তে বলার সি'দ্ধান্ত নিলাম। এদিকে তরীর নাইচকে সাইচ বলার জন্য ভাবাচ্ছে আমাকে। মনকে বুঝালাম হয়ত দুষ্টুমি করছে সে। বাসর রাতে অমন দুষ্টুমি বউরা একটু-আধটু করেই। আমি আবার মুচকি হেসে আগামী জীবনের নির্দেশনা দিতে শান্তভাবে বললাম,”

আমি সবসময় তোমা'র সাথে আছি৷ আমা'র মন যদি খারাপও থাকে, নিস্তেজ থাকে, তোমা'র মন ভাঙতে কখনই দিবো না আমি।” তরী অ'ভিমান স্বরে বলল,” ওমা এটা কেমন কথা! পাগল হয়েছেন না-কি?” আমি না বুঝে বললাম,” মানে?” তরী বলল,” আপনার ধন যদি খারাপ থাকে, নিস্তেজ থাকে, আমা'র ধন ভাঙতে দিবেন না এসব কি বলছেন! ম'দ-তদ খেয়েছেন না-কি? নাকি গাঞ্জাও খেয়ে বাসর করতে এসেছেন? আপনার সাথে কোনো কথা নাই!

-নাউজুবিল্লাহ! বলে কি! এই মেয়ের কথাশুনে বুকের দুইপাশে চিনচিন করছে। হার্টএটাক পাচ্ছে আমা'র। মাথা কেবল লাটিমের মতো চক্কর দিচ্ছে। আমা'র অবাক হওয়া চাহনীর দিকে তাকিয়ে সে আবার নিজে নিজে বলতে থাকল, -গাঞ্জা না খেলে এটাত জানার কথা পুরুষ মানুষের ধন থাকে আর মেয়েদের থাকে.. ওই দেখো, সব বলে দিচ্ছে! আমি তাড়াতাড়ি তরীর মুখ চেপে ধরলাম। এই মেয়ে এগু'লা কি বলে! আমি বললাম “মন”, ও বলে “ধন”।

বাসর রাতকে দেখছি শোকসভা বানিয়ে দিবে । এদিকে, অ'পর পাশে থাকা ভাবীরা হু হু করে হাসতে হাসতে শেষ। পেটে খিল ধরে গেছে তাদের। তাদের হাসিতে খাট নড়ছে। আমা'র চোখ দিয়ে পানি চলে এসেছে। কোনোমতে চেপে রেখে বললাম,” দেখো! এটা আমা'র দশটা না, পাঁচটা না একটামাত্র বাসর রাত!প্লিজ! সেটাতে এমন কথাবার্তা বলো না, যেটাতে লোকে হাসে। ” তরী দেখি আমা'র সে'ক্সি ঠোঁটের দিকে তাকিয়ে আছে।

তার সহজ ভ'ঙ্গিমায় তাকানোই আমি তার প্রেমে পড়ে গেলাম। সাথে সাথে আমা'র বাসর পেতে থাকল। আমি তাকে রোমান্টিক মুডে বললাম, “এই! প্লিজ কাছে আসো।” কিন্তু সে আমা'র টেনশন বাড়িয়ে বাসর রাতে হা হা হা করে হাসতে থাকল। সে শুনেছে, হাসো! তাই বাসর রাতে তার অট্টহাসি। হাসিতে পুরো ঘরের সবাই জাগ্রত হয়ে গেছে। অন্যরুম থেকে ছোটোবাচ্চার কান্নার আওয়াজো শুনা যাচ্ছে। আমি হালকা দাঁত চেপে

বললাম,” হাসো বলিনি, বলেছি কাছে আসো! তোমাকে আদর করব!” তরী না বুঝে বলল,” হোয়াট…?” আমি এবার দাঁত কটমট করতে করতে বললাম,” আদর করব, কাছে আয়!” তরী রাগীভাবে বলল,” কিছুই শুনতে পাচ্ছি না।” -ওরে আল্লাহ! আমি কাছে আসতে বলেছি। আমি তোমাকে আদর করতে চাই! তরী না বুঝে বলল,“মেয়েদের মতো মিনমিয়ে কী বলেন! পুরুষ মানুষ, পুরুষের মতো কথা বলেন!” আমা'র এবার গেল মেজাজ বিগড়ে।

আমি বাসর রাতে নিরব থাকার কথা ভুলে আমি চিৎকার দিয়ে বলে উঠলাম,” আমি তোরে আদর করব! তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীরে আদর করব ! জড়িয়ে ধরব! সে'ক্স করব! তাই শালী কাছে আসার জন্য বলতেছি! আর তুই তো শুনতেসিস না! দেমাগ দেখাস না?” কথাগু'লা চিৎকার দিয়ে বলে আমি হাঁপিয়ে পড়েছি। তাই কুকুরের মতো খাটে বসে জিহবা বের করে হাঁপাতে থাকলাম। কিন্তু পরক্ষণে মনে হলো হায়, হায়! করলাম কি! আমি তো বাসর রাতে আছি।

বাসর রাতে চিৎকার করা যে মুরুব্বিদের নিষে'ধ আছে। আমা'র চিৎকারে যে শুধু ঘরের সবাই শুনেছে তা শুধু নয়, বাড়ির আশেপাশে থাকা সব ঘরের জনতা শুনে গেছে। আমা'র মান-ইজ্জৎ গেলো বলে। সকালে মুখ দেখাবো কীভাবে! আমা'র কথাশুনে বোধহয় ভাবীরা কেউ হার্টএটাক করেছে তাই এম্বুল্যান্স আসতে কেউ ফোনে বলছে। আমি ভয়ে ঢোক গিলতে থাকলাম। শেষে কথার জন্য খু'নের আসামী যেন না হয়ে যায়। কিন্তু এতকিছুর পর যখন তরী বলল,

হোয়াট…! কি বলছেন কিছুত শুনতে পাচ্ছিই না। আরো জোরে বলেন!” আমি কথাটা শুনে ” ওমাগো!” বলে, কখন যে বাসর রাতে অজ্ঞান হয়ে পড়লাম বুঝতেই পারি নি। এই মেয়ের কানে কমশুনা আমা'র জীবন জিন্দেগী বি'ষাদ করে দিয়েছে। তরীর রুপ, যৌ'তুক আর তার বাবার সরকারী চাকরী ধরিয়ে দেবার কথা শুনে, লোভে পড়ে বিয়ে করেছিলাম। কিন্তু কে জানত একটা মহাবধিরকে বিয়ে করব! কে জানত বধিরকে বিয়ে করে আমা'র পরিবারে অমাবস্যা নেমে আসবে।

এই জন্য কথায় আছে সস্তার তিন অবস্থা। মূলত, অনেক মেয়েকে দেখেও আমা'র যখন পছন্দ হচ্ছিল না, তখন হঠাৎ তরীকে দেখে পছন্দ হওয়ার সাথে সাথেই বাবা কোনোকিছু না যাচাই করে কাজী এনে সাথে সাথে বিয়ে করিয়ে দেন। কিন্তু সে বিয়ে আমা'র জীবনের ধ্বং'স করে দেবে, সেটা আমি বুঝিনি। তো সেদিন আব্বাকেও তরী হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দিলো। আব্বার এক বন্ধু এলে, আব্বা তরীকে ডাক দিয়ে বললেন,” মা! এদিকে আসো তো!”

তরী জোরে ডাক শুনে এলে সে আব্বার বন্ধুকে প্রথমে সালাম করে। তখন আব্বা বন্ধুকে বলেন,” এটা হলো আমা'র পুত্রের বউ!” কিন্তু তরী অ'ভিমানী হয়ে বলল,” আমি আপনার মূত্রের বউ! হু’ম! এগু'লা কি বলেন! আপনি শাওনের বাবা, তাই বলে যা ইচ্ছা তা বলবেন সেটা কখনই আমি মেনে নিবো না। মূত্রের সাথে আমায় মেলাবেন না!” বাবা দেখছি বুকে হাত দিয়ে রেখেছেন। আব্বার বন্ধুর চোখ বড় দেখে আব্বা বললেন,” এটা আমা'র Luck এর দোষ!”

কিন্তু তরী চেঁচিয়ে বলল,” ছিঃ! কি সব কথা-বার্তা! এটা আপনার Fuck এর দোষ মানি! বৃ'দ্ধ বয়সে দেখছি বড়ই লুচু রয়ে গেছেন?” বাবা ও তার বন্ধু বুকে হাত দিয়ে নীচে পড়ে গেছেন৷ মুখ দিয়ে র'ক্ত বের হচ্ছে। বোধয় বাঁঁচবেন না। আমি দৌড়ে গিয়ে তাদের দু’জনের পাশে গেলাম। দু’জনেই মৃগী রোগীর মতো মাটিতে পা বারি দিচ্ছে। শেষে তাদের দু’জনকে হাসপাতালে নেয়া হলো। একটুর জন্য বেঁচে গেলেন। এই মেয়ের কম শুনা আমা'র জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সে কিছুত শুনেই না, আবার যেটা শুনে সেটা উল্টা শুনে। ল'জ্জাও নেই। তাই যা তা বলে বসে! ওইদিন আমা'দের ঘরে আমা'র পু'লিশ বন্ধু এলো। তার একপ্রকার জোরাজুরিতে তরীকে ডাক দিলাম। সে তরীকে দেখে বলল,”ভাবী দেখি অনেক সুন্দর।, ভাবীর গালটা লাল! ” আমি তো আত'ঙ্কে গু'জে থাকলাম। কি শুনে আল্লাহই ভালো জানেন! কিন্তু তরী শুনলো, ভাবীর মালটা লাল। তাই রাগে গিজগিজ করতে করতে বলল,” তোদের মতো লুচ্চা পু'লিশের জন্য আজ দেশে এত ধ'র্ষণ! কুত্তারবাচ্চা! ”

বন্ধু বুকে একহাত দিয়ে আছে। শরবত খাচ্ছিল। তরীর কথাশুনে শরবত মুখ থেকে পড়ে গেল। তরী আবার বলল, “তোর ঘরে মা-বোন নাই? হারামজাদা! ল'ম্পট! মাল বলতে ল'জ্জা করে না। তাও ভুল বলিস। মালকে লাল বলিস! দাঁড়া!” সে এবার জুতা দিয়ে বন্ধু, পু'লিশ অফিসারকে দিলো গালে বারি। তার গাল, লাল হয়ে গেল। সে জুতার বারি খেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। শুনলাম, তরীর কথাশুনে না-কি আ'ত্মহ'ত্যা করেছে।

আ'ত্মহ'ত্যার সময় নাকি তার কান থেকে র'ক্তক্ষরণ হচ্ছিল। নিজের ব'ন্দুক বের করে কানে গু'লি খেয়েছে। এভাবে পু'লিশ আ'ত্মহ'ত্যা করলে, জনগণ যাব'ে কার কাছে! এই মেয়ের সামনে কিছু বলতে সাহস করি না। এদিকে ডিভোর্সও দিতে পারছি না। তাকে বলি ডিভোর্স দেবো, সে শুনে প্রপোজ দিবো। সে মুচকি হেসে চলে যায়। তাকে নিয়ে বের হওয়া তো দূরের কথা তার থেকেই ভয়ে ১০০ হাত দূরে থাকি। সেদিন অফিসের বস্ এলেন

আমা'র সাথে কথা বলতে। কিন্তু আমি আসার আগেই তাকে পু'লিশ ধরে নিয়ে গেল। শুনলাম, তার ৫বছরের জেল হয়েছে। পরে জেনেছিলাম তিনি আমা'দের ঘরে এসে তরীকে বলেছিল, তুমি কি আজিজুল হক শাওনের বউ তরী? সে ঠোঁট দেখে হালকা বুঝে বলল,” হু’ম!” কিন্তু যখন স্যার বললেন, “চমৎকার! কাছে আসো! ” কিন্তু তরী শুনেছিল, বলা'ৎকার! পরে তাই তরী, অফিসের বস্-কে ৯৯৯তে কল দিয়ে ফোন দিয়ে ধরিয়ে দিয়েছিল।

তিনি যেতে যেতে বলেছিলেন, আমি সাখাওয়াত স্যার! কিন্তু তরী শুনেছিল ডা'কাত স্যার। বলা'ৎকারের পাশাপাশি, ডা'কাতি মা'মলাও দিয়েছিল তাকে। হাজতে স্যারের সে কি কান্না! হায়রে, বেচারা! এই মেয়ে যেভাবে এগোচ্ছে, মনে হচ্ছে পুরো দেশের সবাইকে হাসপাতাল ও থানায় পাঠিয়ে দেবে। কি যে করি একদম বুঝি না! এই মেয়েকে নিয়ে আমি শান্তিতেই থাকতে পারছি না। সেদিন তার কানের সমস্যার জন্য ডাক্তারের কাছে বাধ্য

হয়ে তরীকে নিয়ে গেলাম। ডাক্তারকে বললাম, আপনি তরীর যেটা-ইচ্ছা সেটা পরীক্ষা করতে পারেন, কিন্তু খবরদার তার সামনে কোনো কথা বলা যাব'ে না। একদম চুপ থাকবেন।” কিন্তু ডাক্তার ভুলে তরীকে জিজ্ঞাসা করল,” মা! প্রবলেম কিসে! তোমা'র কি শুনায় সমস্যা!” কিন্তু সে শুনল “সোনায়” সমস্যা! এমন জোরে ডাক্তারকে থাপ্পড় দিলো যে ডাক্তার অজ্ঞান হয়ে কাঁত হয়ে গেছেন। জ্ঞান ফিরল কয়েকঘণ্টা পরে। কানের ডাক্তারের

কানে সমস্যা হয়ে গেল! আমি বললাম,” ভালো লাগছে এখন স্যার!” কিন্তু ডাক্তার বলল,” কালো কেন লাগবে! এখন তো দিন!” আমি মনে মনে বললাম,” শালা তো দেখছি নিজেই কালা হয়ে গেছে!” তাড়াতাড়ি সেখান থেকে চলে এলাম। এই মেয়েকে নিয়ে কি যে করব বুঝতে পারছি না। তার পরিবারকে জানানো দরকার! তাই অ'ভিযোগ দিতে তার বাবার কাছে গেলাম। তার বাবাকে বললাম,” আপনার মেয়েকে নিয়ে আসেন! নইলে তরীকে খু'ন করব আমি!”

কিন্তু বাবা উত্তর দিলো,” হোয়াট? কিছু শুনছি না। আরো জোরে বলো!” আমি মিনমিনিয়ে বললাম,” শালা দেখছি নিজেই কালা!” আমি উপায়ন্তর না দেখে, শাশুড়িকে ডাক দিয়ে বললাম,” মেয়েকে আনবেন না-কি মান হারাবেন?” কিন্তু শাশুড়ি রোমান্টিক গান গেয়ে উঠল,” ওগো তুমি যে আমা'র, ওগো তুমি যে আমা'র।” হারামজাদি বাক্যটা শুনেছে,” মেয়েকে আনবেন না-কি গান গাইবেন!” আমি নিজের গালে থাপ্পড় খেতে খেতে চলে এলাম।

যার পরিবারই এমন, সে তো এমন হবেই। কোন পাগলে যে বলল, বিয়ে করতে! ডিভোর্স যে দিবো, সে খুদরতও নেই। ২০ লাখ টাকা কাবিন। যেগু'লা দেওয়া আমা'র পক্ষে সম্ভব নয়। তাই সি'দ্ধান্ত নিলাম, ঘরে তরীর সামনে পরিবারের সবাই কানে তুলা দিয়ে রাখব৷ বি'ষয়টা হাস্যকর হলেও, এই ছাড়া আর উপায় নেই। কিছু শুনবোই না, তাই কিছু হবেই না। এই প্রথম ঘরের বউয়ের ভয়ে কানে তুলা গু'জে দিয়ে আছে কোনো পরিবার। আমর'াও যেন বধির।

যাক! এখন আর কোনো সমস্যা হচ্ছে না। আমর'া হাতের ইশারায় সব কথাবার্তা বলতাম। শান্তিতেই জীবন এগোতে থাকল। কিন্তু ওইদিন,বাড়ির মালিক এসে সমস্যাটা আবার দেখা দিলো। পরহেজগার বাড়ির মালিক। তিনি এসে সালাম দিয়ে তরীকে বললেন,” তোমা'র ভাড়াটা বের করে দাও তো! কিন্তু তরী শুনল,” তোমা'র বাড়াটা বের করে দাও তো!” এমন জোরে পরহেজগার চাচাকে থাপ্পড় দিলো যে, গাছের পাখ-পাখালিও উড়তে থাকল।

আরো বলল,” তোদের মতো বাড়ির মালিকদের জন্য ভালো ভাড়াটিয়ারা থাকতে পারে না। হুজুর সাজিস আরো! হারামজাদা! যা এখান থেকে!” চাচা, গালে হাত দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে নিজের বাড়িতেই ঝুলে আ'ত্মহ'ত্যা করলেন। চাচীর সে কি কান্না! তার আ'ত্মহ'ত্যার পর মেজাজ আমা'র এতই বিগড়ে গেল যে সি'দ্ধান্ত নিলাম তরীকে খু'ন করব। কারণ, কেউ যদি তরীকে ফিস দিতে বলে, তখন দেখা যাব'ে তাকে বি'ষ মিশিয়ে দিবে। না, এই মেয়েকে ঘরে

আর রাখা যাব'ে না৷ তাকে সাজেকে নিয়ে গিয়ে পাহাড়ের উপর থেকে ধাক্কা দিয়ে রাতেই মেরে ফেলে দিবো। আমি বের করে দিলেও সে যার সাথে কথা বলবে, তারও জীবন শেষ হয়ে যাব'ে। তার চেয়ে মেরে ফেলায় ভালো।। তাই রাতের বাসে করে সাজেকে যাওয়ার জন্য রওনা দিলাম। বাসের জানলার পাশে বসলাম।আমা'র যখন ঠাণ্ডা লাগছিল সে আমা'র গায়ে নিজের গায়ের চাদর জড়িয়ে দিলো। ভাবতে থাকলাম, আজ সে কালা বা বধির না হলে,

সে পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো স্ত্রী 'হত। কিন্তু আমা'র যে কিছু করার নেই। এই সমাজের অসহায় মানুষকে তরীর হাত থেকে বাঁচাতেই হবে। আমি যে আলোর দিশারি হয়ে এসেছি তাদের জন্য। আমি যে তাদের বেঁচে থাকার পথপ্রদর্শক। তার চোখে জল! সে হয়ত বুঝেছে তাকে আমি খু'ন করার জন্যই নিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু সে হেসে, না জানার মতো চলতে থাকল। এমন মেয়ে সত্যি তুলনা হয় না। হয়ত সেও মেনে নিয়েছে তার মৃ'ত্যু হওয়াই শ্রেয় বলে।

তার কানে কম শুনার জন্য সে নিজেও বির'ক্ত। খুব খারাপ লাগছে কেন যেন! পথ যতই এগোচ্ছে ততই বি'ষন্ন 'হতে থাকলাম। হঠাৎ ধড়াম করে একটা শব্দ হলো। বাস নষ্ট হয়ে গেল। কন্ট্রাক্টর বাইরে নামতেই, মোটা রাইফেলের নল তার কানে ঠেকালো কেউ। ডা'কাত! কালো ড্রেস পরিহিত সকলে। সবাই বাসে প্রবেশ করল৷ সব শেষে কান কাঁটা সানোয়ার উঠল। যে দেশের শ্রেষ্ঠ ডা'কাত! যাকে ধ’রার জন্য ১টা দেশের পু'লিশ খুঁজছে। পত্রিকায়

প্রতিদিন তার ছবিসহ ডা'কাতির খবর শুনা যায়। আমি তাকে দেখে ভয়ে ঢোক গিলতে থাকলাম। যাকে ধরিয়ে দিলে ৫০ লাখ টাকা পুরুস্কার সরকার দিবে। ধরিয়ে দেওয়া তো দূরের কথা, কেউ তার ডা'কাতির সামনে পড়লে বেঁচে ফেরে না। বউকে মা'রতে এসে, এখন দেখছি নিজেই মা'রা পড়ব। সে বাসের সিটের সামনে দাঁড়িয়ে বলল,” আমি হইলাম শীর্ষ ডাকাইত, কান কাঁটা সানোয়ার। আমা'রে খুঁজতাছে ১টা দেশ! আমি যে বাসে উঠি, সে বাসে ডা'কাতি করি।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz