1. admin1@newsbulletin.info : admi :
  2. mohamamdin95585@gmail.com : atayur :
  3. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  4. zilanie01@gmail.com : News Reporter :
বা'ধ্য হ'য়ে বা'প-ছে'লে'র যৌ,\ন’ নি”র্যা'ত'ন মে'নে নে'ন জো'ছ'না
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন

বা’ধ্য হ’য়ে বা’প-ছে’লে’র যৌ,\ন’ নি”র্যা’ত’ন মে’নে নে’ন জো’ছ’না

Desk Report
  • Update Time : শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৫৮১ Time View

গভীর রাত। বাসার সবাই ঘু'মিয়ে। ঘু'মিয়ে ছিলেন জোছনা বেগমও। কিন্তু হঠাৎ অনুভব করেন তার শরীরে একটি হাত। হাতটি ধীরে ধীরে ছুঁয়ে যাচ্ছে তার স্পর্শকাতর অ'ঙ্গ। চোখ খুলে তাকাতেই আঁতকে উঠেন। দেশে থাকাকালীনও এরকম বিপদে পড়তে হয়নি তাকে। বিদেশের মাটিতে এসে এ কোন ভয়'ঙ্কর প্রাণীর শিকারে পরিণত হচ্ছেন।

যে বাড়িতে কাজ করেন সেই বাড়ির কর্তাই যখন শিকারী তখন তার কী করার আছে। কিছু বলার আগেই জোছনাকে ঝাপটে ধরেন গৃহকর্তা। শরীরের সব শক্তি দিয়ে বাধা দেন। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যর্থ হন। ওই রাতেই ধ'র্ষণের শিকার হন জোছনা। ঘটনাটি ঘটে সৌদি আরবের রিয়াদে। এক আরব ব্যবসায়ীর বাসায়।

গৃহকর্তার ধ'র্ষণের শিকার জোছনা পরদিন বি'ষয়টি জানান গৃহকর্ত্রীকে। সৌদি আসার আগে একটু আধটু আরবি ভাষা আয়ত্ব করেছিলেন। তা দিয়েই বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করেন। সব জেনে উল্টো ধমক দেন গৃহকর্ত্রী। জানিয়ে দেন, এ বি'ষয়ে কাউকে কিছু বলা যাব'ে না। তারপর থেকে অনিচ্ছাসত্ত্বেও গৃহকর্তার যৌ'ন নি'র্যাতন মেনে নেন জোছনা।

অনেক স্বপ্ন নিয়ে বিদেশের মাটিতে পা রেখেছেন বরিশালের মেয়ে জোছনা। বাড়িতে বয়স্ক মা-বাবা, ছোট দুই বোন ও এক ভাই। অভাব যেনো পিছু ছাড়ে না। বড় সন্তান হিসেবে কিছু একটা করতে ইচ্ছে করে জোছনার। প্রতিবেশী রফিক মিয়ার মাধ্যমেই খোঁজ পেয়েছিলেন সৌদিতে নারী শ্রমিক নিচ্ছে। রফিককে এজন্য অর্ধলক্ষ টাকা দিতে হয়েছে। যদিও শেষ পর্যন্ত জেনেছেন নারী শ্রমিকদের জন্য ভিসা ফ্রি। ঋণ করেই টাকাগু'লো দিতে হয়েছে তাকে।

বিদেশে আসতে বাধা দিয়েছিলেন মা-বাবা। এসব বাধা বিপত্তি ডি'ঙ্গিয়ে জোছনা ছুটে যান প্রবাসে। এখানে আসার তৃতীয় দিনে এই ঘটনা ঘটে। যে কক্ষে জোছনাকে থাকতে দেওয়া হয়েছে এটি কিচেন সংল'গ্ন। দরজাহীন এক কক্ষ। এই সুযোগে সহজেই জোছনার কাছে যেতে পারেন গৃহকর্তা।প্রথম বার ধ'র্ষণের শিকারের পর থেকে রাত বাড়লেই আগমন ঘটে তার।

ধ'র্ষণের শিকার হন তিনি। জোছনাও মেনে নেন। প্রায় রাতই কাটছিলো এভাবেই। কিন্তু একই বাসায় জোছনা শুধু গৃহকর্তার দখলেই থাকেননি। হঠাৎ এক রাতে গৃহকর্তার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেজো ছেলেও দস্যুর মতো দুটি হাত বাড়িয়ে দেয় জোছনার ঘু'মন্ত শরীরে। পিতার মতোই এই যুবক তাকে ঝাপটে ধরেন। সেই রাতে সাহস করে চিৎকার করেন জোছনা।

চিৎকার শুনে এগিয়ে যান গৃহকর্ত্রী। জোছনার চোখে জল। কাঁদতে কাঁদতে জানান তার স'ঙ্গে কী ঘটেছে। এবারও অ'ভিন্ন রূপে গৃহকর্ত্রী। নিজ ছেলের বিরু'দ্ধে অ'ভিযোগ করার কারণে উল্টো ধমক দেন জোছনাকে। পরের রাতে আবারও জোছনার কক্ষে যান ভার্সিটি পড়ুয়া ওই যুবক। জোছনা এবারও বাধা দেন। তীব্র বাধা। এবার যুবক তাকে মা'রধর করেন। বাধ্য হয়েই মেনে নেন বাপ-ছেলের যৌ'ন নি'র্যাতন। এভাবে কয়েক মাস।

নি'র্যাতন সহ্য করতে পারছিলেন না কিছুতেই। তাই পালিয়ে যাওয়ার সি'দ্ধান্ত নেন। এক রাতে ওই বাসা থেকে পালিয়ে যান জোছনা। বাইরের কর্মর'ত বাংলাদেশী শ্রমিকদের সহযোগিতায় পৌঁছে যান সেইফ হোমে। তারপর ২০১৯ সালে দেশে ফিরেন তিনি। এখন পোশাক শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন ঢাকার মিরপুরে একটি কারখানায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz