1. admin1@newsbulletin.info : admi :
  2. mohamamdin95585@gmail.com : atayur :
  3. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  4. zilanie01@gmail.com : News Reporter :
যে ব্যা'ধি যৌ'নমি'ল'নে না'রী'দে'র শু'ধু'ই য'ন্ত্র'ণা দে'য়
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৪১ অপরাহ্ন

যে ব্যা’ধি যৌ’নমি’ল’নে না’রী’দে’র শু’ধু’ই য’ন্ত্র’ণা দে’য়

Desk Report
  • Update Time : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩০ Time View

আমা'র শরীর আমাকে সে'ক্স করতে দেয় না এবং আমি যখন সে'ক্স করি, তখন এমন মনে হয় যে কেউ আমাকে ছু'রিকাঘা'ত করছে।”

এই কথাগু'লো বলছিলেন হ্যানা ভ্যান ডি পিয়ার, যার যৌ'নমিলনের সময় যন্ত্রণা হওয়ার এক রোগ রয়েছে। ভ্যাজাইনিজমাস নামের এই ব্যাধি সারা বিশ্বের নারীদের জীবনকে প্রভাবিত করে থাকে। তবে এই বি'ষয়টি সম্পর্কে খুব অল্প মানুষই জানেন। মূলত এই ব্যাধিতে আ'ক্রা'ন্তদের শরীর যৌ'নমিলনের ভয়ে এ ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে থাকে। “আমি এমন অনেক নারীর সাথে কথা বলেছি যারা এই সমস্যায় ভুগেছেন।

তাদের প্রায় সবার থেকে একটি অ'ভিজ্ঞতার কথা জানতে পেরেছি, আর তা হল তারা খুব একাকীত্বে ভোগেন,” হ্যানা বলেন। যাদের ভ্যাজাইনিসমাস আছে, তাদের যোনিপথের পেশিগু'লো শক্ত হয়ে যায় এবং এর ওপর ওই নারীদের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এতে কিছু ভুক্তভোগীদের যৌ'নমিলনের জন্য অনেক কষ্ট পেতে হয়। এসময় তাদের জ্বা'লাপোড়া এবং কা'টা দেয়ার মতো যন্ত্রণা হয়।

অনেকের পক্ষে ট্যাম্পন প্রবেশ করানোও বেশ কঠিন হয়ে যায়। হ্যানার বয়স এখন ২১ বছর। তিনি তার প্রথম যৌ'নমিলনের অ'ভিজ্ঞতার কথা মনে করতে গিয়ে বলেন: “আমাকে সবসময় শেখানো হয়েছিল যে কুমা'রীত্ব হারানো যন্ত্রণাদায়ক হয়ে থাকে। কিন্তু প্রথম যৌ'নমিলনের সময় আমা'র মনে হয়েছিল কেউ আমা'র ভেতরে ছু'রি ঢুকিয়ে চারপাশে মোচড়াচ্ছে।”

কিছু নারী এটিকে শরীর কে'টে যাওয়া বা ত্বকে সূঁচ ফো’টানোর মতো অনুভূ'তি হিসাবে ব্যাখ্যা করেন। যুক্তরাজ্যের কনসালট্যান্ট গাইনোকোলজিস্ট লেয়লা ফ্রডশাম বলেছেন যে এটি যৌ'নতার ব্যাপারে সর্বশেষ ট্যাব'ুগু'লোর একটি। “প্রথমবারের যৌ'নমিলন নিয়ে চিন্তিত হওয়াই স্বাভাবিক, এবং সম্ভবত আমর'া সবাই এই অ'ভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। তবে ভ্যাজাইনিসমাসে আ'ক্রা'ন্ত নারীরা আজীবন এই জাতীয় অনুভূ'তি নিয়ে বেঁচে থাকতে পারেন।”

আমিনার বয়স কুড়ি বছরের কিছু বেশি এবং তিনি ভ্যাজাইনিজমাসে আ'ক্রা'ন্ত। তিনি বলেছেন যে এই বি'ষয়টি তার জীবন চিরতরে বদলে দিয়েছে। “ভ্যাজাইনিসমাস আমা'র বিবাহিত জীবনের আনন্দকে গ্রাস করেছে। আমি কখন সন্তান নিতে চাইব সেটা বেছে নেয়ার ক্ষমতাও আমা'র নেই।” এই অবস্থা নারীর জীবনের যে কোন সময় ঘটতে পারে। যৌ'ন রোগ থেকে শুরু করে সন্তান প্রসব বা যৌ'নতা নিয়ে কোন মানসিক আঘা'ত

কিংবা মেনোপজ – এই সময়গু'লোতে যে কোন অ'ভিজ্ঞতার কারণে এই ব্যাধি নারীর জীবনে দেখা দিতে পারে। কিছু ভুক্তভোগী তাদের এই রোগটি তখনই আবিস্কার করেন, যখন তারা প্রথমবার সে'ক্স করার চেষ্টা করতে গিয়ে ব্যর্থ হন। তবে ডাঃ লেয়লা ফ্রডশাম বলছেন যে ধ'র্মীয় কঠোর অনুশাসনও এক্ষেত্রে দায়ী 'হতে পারে। “কিছু লোক আছেন যারা ধ'র্মীয় অনুশাসনের মধ্যে বেড়ে ওঠেন। কিন্তু তাদের একেবারেই কোনও সমস্যা

থাকে না। তবে এমনও অনেকে আছেন যারা অনেকটা স্পঞ্জের মতো – তারা সব ই'ঙ্গিত এবং মন্তব্যগু'লো টেনে নেন,” বিবিসিকে বলেন তিনি। “এসব মন্তব্যের একটি হল, আপনার বিয়ের রাতে যৌ'নমিলন খুব যন্ত্রণাদায়ক হবে এবং কুমা'রীত্ব প্রমাণের জন্য আমর'া দেখতে চাই যে মিলনের পর কিছু র'ক্ত বয়ে গেছে” যদিও আমিনাকে কুমা'রীত্ব প্রমাণের জন্য এমন কোন প্রমাণ উপস্থাপন করতে হয়নি, তবে এই নিয়ে চিন্তা

সবসময় তার মাথায় ঘুরঘুর করতো। “এটি সম্ভবত এমন একটি বি'ষয় ছিল যা আমাকে যৌ'ন সম্পর্কের ব্যাপারে খুব ভয় দেখিয়েছে,” তিনি জানান। “আমা'র বিয়ের রাতে আমা'র মনে হয়েছিল যে আমা'র শরীর বন্ধ হয়ে গেছে। এ সম্পর্কে কথা বলা কঠিন, কারণ মানুষ তা বুঝতে পারবে না। তারা ভাববেন যে আমি বি'ষয়টিকে অতিরঞ্জিত করছি বা পুরো বি'ষয়টি আমা'র মনগড়া।”

হ্যানা ভ্যান ডি পিয়ারকে এক সময় বলা হয়েছিল যে সে'ক্স একজন নারীর জন্য কখনোই সুখকর হয় না -“আমি একটি গির্জার স্কুলে গিয়েছিলাম এবং আমাকে বলা হয়েছিল যে যৌ'নতার ফলে র'ক্তাক্ত যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতির সৃষ্টি 'হতে পারে, গ'র্ভধারণ 'হতে পারে অথবা এসটিডি 'হতে পারে।” ইসলে লিনের মতো আরও কিছু নারীর ক্ষেত্রেও এই ব্যাধিটি তাদের সম্পর্কের উপর বড় ধরণের সংবেদনশীল প্রভাব ফেলেছে।

তিনি বলেন, “আমা'র মনে আছে, আমি সত্যিই ভয় পেয়েছিলাম যে আমা'র স'ঙ্গী হয়তো ভাববে যে তার প্রতি হয়তো আমা'র কোন ভালবাসা নেই বা শারীরিকভাবে আমি তার প্রতি আকৃষ্ট নই।” ল'জ্জা এবং ট্যাব'ু প্রায়শই নারীদের এই বি'ষয়ে সাহায্য চাওয়া থেকে বিরত রাখে। অথচ ভ্যাজাইনিসমাস নামের এই ব্যাধিটি চাইলেই নিরাময় করা সম্ভব। হ্যানা এবং আমিনা উভয়েই যৌ'ন প্র'শিক্ষকদের কাছ থেকে চিকিৎসা নিতে উদ্যোগী

হয়েছেন। একই স'ঙ্গে সুস্থ স্বাভাবিক যৌ'নমিলনের বি'ষয়ে তাদের সাইকো সে'ক্সুয়াল থেরাপিও দেয়া হবে। আমিনা জানান, এটি একটি পর্যায় পর্যন্ত অনেক সহায়তা করেছে। “আমি পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিবাহিত জীবন যাপন করছি এবং আমা'র মনে হয় আমি আরও ভাল হওয়ার পথে যাচ্ছি। এই চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় নারীদের মানসিক দিকটির প্রতিও গু'রুত্ব দেয়া হয়ে থাকে।

এজন্য মনস্তাত্ত্বিক পরামর'্শ বা সাইকো সে'ক্সুয়াল কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে যৌ'নমিলনের মানসিক ভয় দূর করার চেষ্টা করা হয়। গ্লাসগো’র কুইন এলিজাবেথ বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ ভেনেসা ম্যাককে বি'ষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন এভাবে – “এটি একধরণের কথা বলার থেরাপি, যা আপনার শরীরের ব্যাপারে আপনার অনুভূ'তিগু'লো আরও বেশি করে বুঝতে এবং কিছু নেতিবাচক চিন্তা পরিবর্তন করতে সহায়তা করে।”

হ্যানা জানাচ্ছেন যে তার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, তবে যৌ'নমিলন এখনও তার কাছে কঠিন মনে হয়। তবে তিনি বি'ষয়গু'লিকে আরও উন্নত করতে, আরও পরিবর্তন করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, “আমি এমন যৌ'নমিলন করতে চাই যা আমি উপভোগ করবো। আমি চাই আমা'র মাসিক চলার সময়ে আমি যেন ট্যাম্পন পরে হাটতে পারি।”

“আমি নিজের জন্য ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি এবং আমি ভবি'ষ্যতের জন্য সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে কাজ করে যাচ্ছি।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz