1. admin1@newsbulletin.info : admi :
  2. mohamamdin95585@gmail.com : atayur :
  3. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  4. zilanie01@gmail.com : News Reporter :
খা'লে'দা জি'য়া ১৫০ স্যুটকে'স ভ'র্তি টা'কা সৌ'দি'র ল'কা'রে রে'খেছে'ন: প্র'ধা'নম'ন্ত্রী
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন

খা’লে’দা জি’য়া ১৫০ স্যুটকে’স ভ’র্তি টা’কা সৌ’দি’র ল’কা’রে রে’খেছে’ন: প্র’ধা’নম’ন্ত্রী

Desk Report
  • Update Time : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪১ Time View

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালে ১৫০টি স্যুটকেসে অর্থ ভর্তি করে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন এবং

সৌদি আরবের লকার ভাড়া করে ওই অর্থ রেখেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সময় শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) লাগার্ডিয়া এয়ারপোর্টের ম্যারিয়ট হোটেলে আওয়ামী লীগের ইউএস চ্যাপ্টার আয়োজিত এক ভার্চ্যুয়াল সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি নাকি বিমানে করে ট্রাঙ্ক ও বস্তা ভর্তি বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে এসেছি। এখন তাদের কাছে আমা'র প্রশ্ন ট্রাঙ্ক ও বস্তা কোথায় রাখলাম?

তিনি বলেন, ‘আমি শুনলাম, কেউ কেউ বলেছে, আমি নাকি কত বস্তা, না কত ট্রাঙ্ক বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে না কি বিমানে এসেছি। যারা এই কথাগু'লো বলেছে, তারা যখন এই বি'ষয়টা জানে, তো সেই ট্রাঙ্কগু'লো গেল কোথায়, রাখলাম কোথায়, কী হল? সেই খোঁজটা তারা একটু দিক।’ শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালে ১৫০টি সুটকেসে অর্থ ভর্তি করে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন এবং

সৌদি আরবের লকার ভাড়া করে ওই অর্থ রেখেছেন। তাঁর স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবরকে কয়েক লাখ ডলারসহ যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারপোর্টে আট'ক করা হয়। পরে বাংলাদেশি দূতাবাসের মধ্যস্থতায় তাঁকে মুক্ত করা হয়।বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র্রেও দুর্নীতির স'ঙ্গে খালেদা জিয়া ও তাঁর দুই ছেলের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

বলেন, তাঁর দুই ছেলে তারেক জিয়া ও কোকো দেশ থেকে অর্থ পাচারের মা'মলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। সরকার তাদের পাচার করা অর্থের একটি অংশ ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশে অর্থ পাচারের মাধ্যমে সেখানে বিলাসী জীবন যাপন করাই তাদের চরিত্র।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকে, তখনই বাংলাদেশ সমৃ'দ্ধির পথে এগিয়ে যেতে থাকে।’

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ড্রিমলাইনার বিমানে করে দুটি কারণে নিউইয়র্কে এসেছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, প্রথম কারণ হচ্ছে-অন্য এয়ারলাইন্সের পরিবর্তে দেশি একটি এয়ারলাইন্সকে অর্থ প্রদান এবং এভাবে আমা'দের নিজের হাতেই এ ধরণের অর্থ থেকে যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদি একটি বিমান উড্ডয়ন না করে বিমানবন্দরেই থেকে যায়, তাহলেও প্রতিদিন একটি বিরাট অংকের টাকা খরচ হয়।

এমনিতেই করো'না ভাইরাসের কারণে বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগু'লো স্থগিত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে পুনরায় বিমান পরিচালনা শুরু করতে একটি প্রক্রিয়া শুরু করেছে।যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বা'স করে না তারা মূলত ষ'ড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশে এবং বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তারা দেশের জনগণের শত্রু।

তিনি বলেন, বিদেশে অবস্থানরত কিছু লোক (সরকারের) সমালোচনা এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ব্যস্ত।এমন সময়ে তারা এসব করছে, যখন আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে মর'্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে গেছে। কেউই যাতে দেশে মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিন'িমিনি খেলতে না পারে সেব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

রাজনীতি ভোগের জন্য নয় বরং এটি আ'ত্মত্যাগের জন্য। জিয়া, এরশাদ এবং খালেদা জিয়া কখনো জনগণের কল্যাণের কথা ভাবেননি বরং তারা ক্ষমতাকে ভোগ এবং দ্রুত অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হিসাবে বিবেচনা করতেন বলে জানান তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ সমগ্র বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হয়ে উঠেছে। কিছু মানুষ আওয়ামী লীগ সরকারকে অবৈ'ধ হিসেবে আখ্যায়িত

করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমা'র প্রশ্ন হল তারা কিভাবে এই কথাগু'লো বলার সুযোগ পায়?’ তারা তাঁর সরকারের তৈরি ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগের সমালোচনার সুযোগ পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘যদি তাদের কোনো আদর্শ থাকে, তারা কখনোই তা করতে পারে না। যারা সরকারের সমালোচনা করছে তারা মূলত বিএনপি-জামায়াত চক্রের কেনা গো'লাম।’ এ প্রস'ঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, জিয়াউর রহমান

এবং এরশাদ দেশের সংবিধান ল'ঙ্ঘন করে ক্ষমতায় এসেছিল এবং হাইকোর্ট তাদের সরকারকে অবৈ'ধ ঘোষণা করেছে।সূত্র: বাসসতিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া এতিম'দের অর্থ আ'ত্মসাতের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং তাঁর ছেলে (তারেক রহমান) ১০ ট্রাক অ'স্ত্র মা'মলা এবং ২১ আগস্ট গ্রে'নেড হা'মলা মা'মলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই দুর্নীতিতে তাঁদের জড়িত থাকার তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে জয়কে (সজীব আহমেদ ওয়াজেদ) অ'পহরণ ও হ'ত্যার জন্য বিএনপি টাকা দিয়েছিল। কিন্তু, এখন তারা আওয়ামী লীগ সরকারকে অবৈ'ধ বলছে। তিনি বলেন, জনগণ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে ভোট দিয়েছে এবং বিএনপিকে বর্জন করেছে। জনগণের প্রতি বিশ্বা'স থাকলে বিএনপিকে সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান প্রথম হ্যাঁ/না

ভোট দিয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থায় কারচুপি শুরু করেছিলেন, যখন খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে তাকেও ছাড়িয়ে যান, ওই নির্বাচনে অন্য কোন রাজনৈতিক দল অংশ নেয়নি এবং জনগণ ভোট কেন্দ্রে যাননি। পরে সাংবাদিকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রবাসীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আপনারা বাংলাদেশী প্রবাসীরা মা'র্কিন নাগরিকদের

পাশাপাশি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারেন।’ প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার দেশের এবং বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন উদ্দীপনা প্যাকেজ ও অন্যান্য সুবিধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রায় ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করা হচ্ছে। প্রবাসী বাংলাদেশী এবং আমেরিকানরা এ থেকে লাভবান 'হতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারেন এবং প্রবাসীরা এতে আরও সুবিধা পাবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমর'া সবাইকে ভালো সুযোগ দিচ্ছি। প্রবাসীদের আরও সুবিধা (অন্যদের তুলনায়) দেয়া হচ্ছে। সুতরাং তারা এ সুযোগটি গ্রহণ করতে পারেন এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারেন।’ সাংবাদিকদের কাছ থেকে তিনি কী চান এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, সংবাদপত্র সমাজের আয়না। সমাজের প্রতি তাদের দায়ব'দ্ধতা রয়েছে। সুতরাং, নির্বিচারে সমালোচনা না

করে একটি গঠনমূলক ভূমিকা পালন করা উচিত।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিক ও সংবাদপত্রে মিথ্যা অ'ভিযোগ করে কাউকে খাটো না করে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারী ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার সরকার খাদ্য উৎপাদনে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিয়েছে।

এ বি'ষয়ে তিনি সকলকে স্মর'ণ করিয়ে দেন যে কভিড-১৯ মহা'মা'রীর পর থেকে তিনি দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের জন্য শুধু নয়, অন্য দেশের জন্যও খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে যেন এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদী না থাকে।

দেশে ও বিদেশে শত্রু তৈরি এবং বৈষম্যের বিরু'দ্ধে সোচ্চার হওয়ার ঝুঁকি নেয়া সম্পর্কিত আরেকটি প্রশ্নের জবাবে সরকার প্রধান বলেন, কিছু লোককে বঞ্চিত মানুষের জন্য ঝুঁকি নিতে হয়। আমি যখন ন্যায়বিচার এবং সমতা চাই তখন এটি নিয়ে চিন্তা করে কোনও লাভ হয় না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz