1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  5. [email protected] : News Reporter :
উত্তর কোরিয়ার কাছে বাংলাদেশের পাওনা ১.৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ১০:০২ অপরাহ্ন

উত্তর কোরিয়ার কাছে বাংলাদেশের পাওনা ১.৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

Desk Report
  • Update Time : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০
  • ১০৮ Time View

১৯৯৪ সালে কেনা বিভিন্ন সামগ্রীর জন্য উত্তর কোরিয়ার কাছে এখনও ১১.৬২ মিলিয়ন মা'র্কিন ডলার পাওনা আছে বাংলাদেশের। সে টাকা পরিশোধের কোনো নামগন্ধও নিচ্ছেন না কিম জং উন- এমনটাই জানিয়েছে দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকা।শনিবার (২৭ জুন) পত্রিকাটিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯৪ সালে কেনা বিভিন্ন সামগ্রীর জন্য উত্তর কোরিয়ার কাছে ১১.৬২ মিলিয়ন মা'র্কিন ডলার বকেয়া পাওনা আছে বাংলাদেশের। পাওনা টাকা আ'দায়ে চীনের বেইজিংয়ে বাংলাদেশী দূতাবাস উত্তর কোরিয়া দূতাবাসের সাথে কয়েকবার যোগাযোগ করলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।২৬ বছর আগে সোনালী ব্যাংকের সাথে বার্টার চুক্তির আওতায় এসব পণ্য আম'দানি করে উত্তর কোরিয়া। এসব পণ্যের জন্য কমপক্ষে ১১.৬২ মিলিয়ন ডলার ঋণী তারা।

বার্টার ৫ চুক্তির আওতায় উত্তর কোরিয়া বাংলাদেশ থেকে ৬.১৪ মিলিয়ন ডলারের পণ্য কিনেছিল, তবে তা ক্রয় করার সময় কোনও মূল্য পরিশোধ করেনি। বার্টার ৫ এর পুরো বকেয়াগু'লি বার্টার ৬ এ স্থানান্তরিত হয়েছিল, যা ১৯৯৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর স্ট্যান্ডিং ৬.২৬ মিলিয়ন ডলারে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।১৯৯৫ সালের মা'র্চ ৩১ এ কোনও লেনদেন ছাড়াই বার্টার ৬ চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এরপর থেকে বেইজিংয়ে বাংলাদেশী দূতাবাস চীনের উত্তর কোরিয়ার দূতাবাসের কাছে বাকি বকেয়া পরিশোধের জন্য কয়েকবার যোগাযোগ করেছে, কিন্তু কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। ২০২০ সাল পর্যন্ত কোনো উত্তরও দেয় নি কিম জং উনের দেশ।বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এখন বিলটি সুরক্ষিত করার জন্য সরকারী মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল ইন্সটিটিউশন ডিভিশন (এফআইডি) এর যথাযথ হস্ত'ক্ষেপ কামনা করেছে।এ বি'ষয়ে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউর রহমান প্রধান শনিবার দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, এটি অনেক পুরানো ঘটনা। এই মুহূর্তে আমি সঠিকভাবে এই তথ্যটি স্মর'ণ করতে পারছি না।

তবে সোনালী ব্যাংক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে প্রথম বার্টার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৭৭ সালের ১২ আগস্ট। চুক্তির আওতায় সোনালী ব্যাংককে বাংলাদেশের পক্ষে এবং বিদেশী বাণিজ্য ব্যাংককে উত্তর কোরিয়ার পক্ষে ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য মনোনীত করা হয়েছিল।১৯৯৪ সালে বার্টার ৬ এর স্বাক্ষরের পরে উভয় ব্যাংকই স্ব স্ব দেশগু'লির পক্ষে ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। এই আন্তঃব্যাংক চুক্তিতে তিন মাসের ডলার এলআইবিওর হারে সুদ আ'দায়ের বিধান অন্তর্ভুক্ত ছিল।এফআইডিকে প্রেরিত চিঠিতে আতাউর রহমান প্রধান লিখেছেন, বারবার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উত্তর কোরিয়ার ফরেন ট্রে'ড ব্যাংক সোনালী ব্যাংককে ৩০ জুন, ২০১২ তারিখে একটি সুইফট বার্তার মাধ্যমে ১০.০৪ মিলিয়ন ডলার বকেয়া নিশ্চিত করেছে। উত্তর কোরিয়ার ব্যাঙ্ককে বারবার বকেয়া পরিশোধ করতে বলা হলেও, তারা আদৌ সেটি পরিশোধ করছে না চিঠিতে তাও যোগ করা হয়েছিল।

২০১৪ সালের মধ্যে দেনার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১১.৬২ মিলিয়ন মা'র্কিন ডলার। সে বছর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সোনালী ব্যাংক যাতে তার পাওনা পেতে পারে সেজন্য যথাযথ উদ্যোগ নিতে চীনের বাংলাদেশী দূতাবাসের বাণিজ্যিক পরামর'্শদাতাকে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল। এরপর, বাংলাদেশ দূতাবাস চীনে উত্তর কোরিয়ার দূতাবাসকে চিঠি দিয়ে বিলটি পরিশোধের জন্য অনুরোধ করেছে। তবে কোনো লাভ হয়নি। এখন পর্যন্ত কোনো জবাব দেয় নি উত্তর কোরিয়া।উত্তর কোরিয়ার কাছে চূড়ান্ত বকেয়ার পরিমাণ সোনালী ব্যাংক সরবরাহ করতে সক্ষম হয়নি। বার্টার চুক্তির আওতায় উত্তর কোরিয়া বাংলাদেশ থেকে যেসব পণ্য আম'দানি করেছিল সেগু'লো হলো: চাল, সিমেন্ট, চা, পাট ও পাটজাত পণ্য, ইউরিয়া সার, পশুর চামড়া, চামড়াজাত পণ্য, সাবান, ডিটারজেন্ট, টয়লেট্রিজ এবং গ্লিসারিন।
সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও ডিফেন্স রিসার্চ ফোরাম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz