1. admin1@newsbulletin.info : admi :
  2. hostctg@gmail.com : admin admin : admin admin
  3. mohamamdin95585@gmail.com : atayur :
  4. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  5. zilanie01@gmail.com : News Reporter :
জে’নে রাখু’ন কখন স’হবা,স ক’রলে মে’য়ে’রা বে’শী তৃ,প্তি পা’য়
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০২:৪৬ অপরাহ্ন

জে’নে রাখু’ন কখন স’হবা,স ক’রলে মে’য়ে’রা বে’শী তৃ,প্তি পা’য়

Desk Report
  • Update Time : শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ১২০ Time View

পুরু;ষরাই রাতের বেলা শা’রীরিক মি’ল’ন বা স’হবাস করা এড়িয়ে চলতে চায় । এ ক্ষেত্রে সকালের দিকটাকেই তারা বেছে নেয়। অন্যদিকে দেখা যায়, রাতের বেলায় নারীরা যখন স’হবাস করার জন্য বেপরোয় হয়ে উঠে ঠিক তখন পুরুষরা নাক ডেকে ঘু’মাচ্ছে।

আবার সকাল বেলা যখন পুরুষরা সহ’বাস ক’রতে চায় তখন নারীদের এ নিয়ে তেমন কোনো আগ্রহ থাকেনা।’অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে আ’সলে এমনটি কেন হয়। শনিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্র’তিবেদনে বলা হয়েছে, মানুষের হর’মোনের কারণে এমনটি দেখা যায়। আসুন দেখা যাক, কোন সময় মানুষের যৌ'’ন প্র’ণোদনা কেমন হয়।

ভোর পাঁচটা :- যখন একজন পুরুষ ঘু’ম থেকে ওঠে তখন তার টে’সটোসটেরনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। এসময় এটির মাত্রা থাকে ২৫-৩০ শতাংশের মধ্যে। এটি দিনের অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি। এছাড়া পুরুষের সে’ক্স হর’মোন উৎপাদনের জন্যে যে পি’টুই’টারি গ্র’ন্থি কাজ করে সেটি রাতে চালু হয়। ভোরের দিকে এটি বাড়তে থাকে।

সকাল ছয়টা :- ভাল ঘু’ম উ’ত্তেজনা বৃ’’'দ্ধির একটি কারণ। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় গ’ভীরভাবে একটি ঘু’ম দিলে টে’সটোসটেরনের মাত্রা বৃ’'দ্ধি পায়। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৫ ঘণ্টার বেশি ঘু’ম পুরুষের টে’সটোসটের মাত্রা অতিরি’ক্ত ১৫ শতাংশ বৃ’'দ্ধি করে।

দুপুর বারোটা :- এসময় সামনে দিয়ে সু’ন্দরী রমণী হেঁটে বেড়ালেও কোনো ধ’রনের যৌ'’ন প্র’ণোদনা তৈরি হয় না। এ সময় হয়ত কাউকে দেখলে মনের মধ্যে ভালো লা’গা তৈরি হয়। এসময় সে’ক্স হর’মোন বাড়তে অনেক সময় নেয়। বেলা একটা :- এসময় যদি কোনো নারী তার স’’'ঙ্গীকে নিয়ে চিন্তা করে তাহলে তার টে’সটোসটেরনের মাত্রাটা দ্রুত বাড়ে।

কিন্তু পুরুষদের এসময় সে’ক্স হর’মোন অনেক ধীরে কাজ করে। সন্ধ্যা ছয়টা :- এই সময়ে নারীদের টে’সটোস’টেরনের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। অন্যদিকে পুরুষদের টে’সটোস’টের মাত্রা কমতে থাকে। তবে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, জিম করার পর নারী ও পুরুষ উভ’য়েরই কামশ’ক্তি বাড়ে। সন্ধ্যা সাতটা :-

জাপানের নারা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এসময় মিউজিক নারীদের স’হবাস হ’রমোন বৃ’'দ্ধি করে। কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে তেমন কোনো প্র’ভাব প’ড়ে না। রাত আট'’টা :- এসময় যদি পুরুষরা টেলিভিশনে উ’ত্তেজনাপূ’র্ণ কোনো খেলা দেখে তাহলে সেটি তার স’হবাস হ’রমোন বৃ’'দ্ধিতে সহায়তা করে। উথাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক লালা গবেষণায় দেখা গেছে,

এমন সময় যদি কেউ বিশ্বকাপের মত কোনো একটি উ’ত্তেজ’নাপূর্ণ ম্যাচ দেখে এবং তার পছন্দের দল জিতে তাহলে তার স’হবাস হ’রমোন ২০ শতাংশ বৃ’'দ্ধি পায়। আর যদি তার দল হারে তাহলে তার স’হবাস হ’রমোন ২০ শতাংশ কমে যায়। অন্যদিকে, নারীরা খেলা দেখার চেয়ে খেলা করলে তার স’হবাস হরমোন বেশি বৃ’’'দ্ধি পায়।

রাত নয়টা :- এসময় নারীদের সে’ক্স হর’মোন সাধারণত বৃ’'দ্ধি পায়। তবে যদি নারীরা মনে করে যে তাকে দে’খতে খুব খা’রাপ দেখাচ্ছে তাহলে সে স’হবাস ক’রতে তেমন আগ্রহী হয় না। রাত দশটা :- এসময় যদিও পুরুষদের টে’সটোস’টেরনের মাত্রা কম থাকে তারপরও তারা স’'ঙ্গী’নির সাথে স’হবাস ক’রতে চায়। এসময় নারীদেরও যৌ'’ন চা’হিদা বেশি থাকে।

সকাল সাতটা :- যখন পুরুষরা সকালে ঘু’ম থেকে ওঠে তখন তাদের স’হবাস হরমোনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। এসময় নারীদের সে’ক্স হ’রমোনের মাত্রা সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকে। ওয়েস্ট বার্মিংহা’ম হাসপাতালের স্ত্রীরো’গ বিশেষজ্ঞ গ্যাব'’্রিয়েল ডৌনি বলেছেন, দিনের অ’পরভাগে নারী ও পুরুষের টে’সটোসটে’রনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। তবে ঋ’তুস্রা’বের কারণে নারীদের স’হবাস হর’মোন ব্যা’পকভাবে ওঠানামা করে।

সকাল আট'’টা :- এসময় নারী ও পুরুষ উভ’য়ই দিনের কাজে’র জন্যে ব্যস্ত হয়ে প’ড়ে। তাদের স্ট্রে’স হরমোন করটিসলের পরিমাণ বাড়তে থাকে। এটি মানুষের স’হবাস হর’মোনের প্র’ভাব’কে কমিয়ে আনে। নারী-পুরুষের যৌ'’ন প্রণোদনা তাদের ব্য’ক্তিগত ইচ্ছার উপর নির্ভর করে না। হর’মোনই এটির প্রধান চালিকা শ’ক্তি। একারণে পুরুষ ও নারীর যৌ'’ন চাহি’দার মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়।

আরোও পড়ূনঃ আপনার হাতে যদি M চিহ্ন থাকে তাহলে যা আছে ভাগ্যে—মানুষের হাত দিয়ে নাকি তার স’ম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। এর মানে এই দাঁড়ালো যে আপনার হাতই বলে দেবে আপনি মানুষটা কেমন।আসলে হাত হচ্ছে আয়ানার মত। আপনি যেমন আপনার হাত ঠিক সেটাই দেখাবে।

জ্যোতিষীরা চেষ্টা করে মানুষের হাতের রেখা বিচার করে তার স’ম্পর্কে ভাল মন্দ বলে দেবার। আপনিও হয়তো কম বেশী হাতের বিভিন্ন রেখার নাম যেমন, হৃদয় রেখা, আয়ু রেখা, ভাগ্য রেখা ইত্যাদি। এত এত রেখার মাঝে আপনি কি কখনো নিজের হাতের তালুর মাঝে M এর মত করে রেখার সন্ধান পেয়েছেন? এবার আমর'া হাত দেখেই মানুষ চিনতে পারবো তার হাফভাব জানতে পারবো যদি আপনার হাতে ।

M থাকে তাহলেই কেল্লোফতে! আপনার চিন্তায় কি এসেছে যে আমা'র হাতে M আছে নাকি যদি থাকে তাহলে আপনি স্পেশাল! পুরুষের হাতে M থাকলে অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিমান,জানবেন অত্যন্ত অনুভূ'তিপ্রবণ,চাকরি নয় যে কোনও উদ্যোগে সাফল্য পাবেন,মেয়ে যদি প্রেমে পড়েন তবে স’ম্পর্কের ভবি'ষ্যত্‍‌ নিয়ে চিন্তা থাকে না! কাউকে প্রতারিত করেন না তাই চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়!

মহিলাদের হাতে যদি M থাকে তাহলে তিনি পুরুষের থেকেও ক্ষমতাশালী ‘'হতে পারেন!প্রেমিকা দু জনের হাতেই M থাকে সেটা রাজযোটক তাহলেও সে ক্ষেত্রেও সাফল্যের দিক থেকে মেয়েটিই এগিয়ে থাকবে! M থাকা ছেলে, মেয়ে যে কোনও পরিস্থিতিতে নিজেকে সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারেন! সফল্যের জন্য নিজের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনও এঁরা করতে পারেন!

তাই M থকলে নিজের উপরে আস্থা রাখু’ন সাফল্য আপনার কাছে আসবেই! এমন যদি থেকেই থাকে, নিশ্চিত ভাবেই আপনি এক্সট্রাঅর্ডিনারি। এ কথাটি আমা’দের নয়, এমনটাই মনে করেন প্রখ্যাত জ্যোতিষীরা। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে জ্যোতিষীরা মনে করেন যদি কোন পুরুষ মানুষের হাতে ছবিতে উল্লেখ করার মত করে M আকৃতির রেখা থাকে তাহলে সেই পুরুষ খুবই প্রতিশ্রুতিবান।

এদের মধ্যে প্রচণ্ড অনুভূ'তি কাজ করে। যে কোন কাজে উদ্যোগ নেওয়া এবং সে কাজে সফল হওয়া যেন এদের সহজাত বৈশিষ্ট্য। আপনাকে অংশীদার করে কেও ব্যবসায় করলেও তার জন্য লাভবান। আপনি যদি কোন মেয়ে হন এবং এমন রেখার হাতের কোন পুরুষের সাথে আপনার স’ম্পর্ক থাকে তাহলে এ স’ম্পর্কের ভবি'ষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করা ছেড়ে দেন।

প্রতারণা এদের শত্রু তাই চোখ বন্ধ করে এদের কাঁধে মাথা রাখেন জীবনের বাকি সময়টুকুর জন্য। এ ধরনের পুরুষ কোন ভাবেই নিজের কাছের মানুষটির কাছে মিথ্যা বলেন না। প্রতারণা করেন না। কোন কিছু থেকে পার পেতে অকারনে কোন প্রকারের অজুহাত দাড় করান না। যদি এই একই বি'ষয় কোন মহিলার হাতে থাকে তাহলে তিনি যে কোন পুরুষের থেকে অনেক অনেক বেশী ক্ষমতাশালী হয়ে থাকেন।

এমনও যদি হয় যে, প্রেমিক প্রেমিকার দুজনের হাতেই এমন সৌভাগ্যর রেখা M থেকে থাকে তাহলেও দেখা যায় যে মেয়েটির ক্ষমতা ছেলেটির থেকে বেশী। M আকৃতির রেখা সহ যে কোন ছেলে মেয়ে যে কোন সময় যে কোন পরিস্থিতিতে খুব সহজেই খাপ খাইয়ে চলতে পারে। যে কোন প্রকারের সাফল্য অর্জনের জন্য এরা যে কোন ভাবে নিজেদের মাঝে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ঘটাতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz