1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  5. [email protected] : News Reporter :
সুমধুর কণ্ঠে ল্যাম্প পোস্টের আলোয় কুরআন তেলাওয়াত করছেন এক বৃদ্ধা
রবিবার, ২৬ জুন ২০২২, ১১:১০ অপরাহ্ন

সুমধুর কণ্ঠে ল্যাম্প পোস্টের আলোয় কুরআন তেলাওয়াত করছেন এক বৃদ্ধা

Desk Report
  • Update Time : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০
  • ১৫৮ Time View

কুরআন মুসলমানদের প্রধান ধ'র্মগ্রন্থ। একজন মুসলমান হিসেবে অবশ্যই আমা'দের কুরআন পড়া উচিৎ। যুগ যুগ ধরে বহু মানুষ কোরআনের তেলাওয়াত করে যাচ্ছেন।

তারই ধা'রাবিকতায় এবার ল্যাম্প পোস্টের আলোয় কুরআন তেলাওয়াত করছেন এক বৃ'দ্ধা।

সম্প্রতি, ময়মনসিংহ নগরীর চর পাড়া এলাকায় প্রবীণ এক নারী ল্যাম্প পোস্টের আলোয় কুরআন তেলাওয়াত করা নিয়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। তার সুমধুর কোরআন তেলাওয়াত মুগ্ধ করেছেন পথচারীদের।

প্রবীন এই নারীর সুমধুর কণ্ঠে কুরআন তেলাওয়াত অনুপ্রাণিত করেছে ধ'র্মপ্রাণ মানুষকে।

সোমবার (৯ মা'র্চ) রাতে একজন ওই বৃ'দ্ধার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেইসবুক) পোস্ট করেন। পোস্ট দেয়ার সাথে সাথে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়।আরও পড়ুন: আল্লাহ তিন ধরনের লোকের দোয়া ফিরিয়ে দেন না

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, সেদিন রাত ১২ টার সময় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটা রো’গীকে র'ক্ত দান করে ফুটওভার ব্রিজ হয়ে আসার সময় হঠাৎ বৃ'দ্ধার কণ্ঠে কুরআন তেলাওয়াত শুনতে পেলাম।

সামনে তাকাতেই দেখলাম একজন বয়স্ক মহিলা ওভার ব্রিজের উপরে ল্যাম্প পোস্টের নিচে রাস্তার লাইটের আলোতে শু'দ্ধ ভাষায় কোরআন তেলাওয়াত করছেন। তবে প্রবীন এই নারীর পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ওই বৃ'দ্ধার মত আরও অনেককে কুরআন পড়ার তাওফিক দান করুন, আমিন।

আরো পড়ুন: পবিত্র কাবা ও মসজিদে নববীর নকশা করেছিলেন যে ব্যাক্তি !

ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র স্থান সৌদি আরবের মক্কা শহরে অবস্থিত কাবা ঘিরে মসজিদুল হারাম। ইবরাহিম (আ) ও ইসমাইল (আ) এর দ্বারা প্রথম কাবা নির্মাণ করা মুসলিমর'া হজ্জ ও উমর'ার জন্য মসজিদুল হারামে যান।

হজ্জের সময় এখানে উপস্থিত হওয়া মানুষের জমায়েত পৃথিবীর বৃ'হত্তম মানব সমাবেশের অন্যতম। অ'পরদিকে মসজিদে নববী হজরত মুহা'ম্ম'দ (সাঃ) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মসজিদ যা বর্তমান সৌদি আরবের ম'দিনায় অবস্থিত।

গু'রুত্বের দিক থেকে মসজিদুল হারামের পর মসজিদে নববীর স্থান। হজরত মুহা'ম্ম'দ (সাঃ) হিজরত করে ম'দিনায় আসার পর এই মসজিদ নির্মিত হয়। নির্মাণের পর অনেকবার পুণ-নির্মাণ কিংবা সংস্কার করা হয়েছে মুসলমানদের এই পবিত্র দুটি মসজিদ।

আর মক্কার মসজিদুল হারাম কিংবা ম'দিনার মসজিদে নববীর সংস্কারে একজন মিশরীয় প্রকৌশলী এবং স্থপতি অনেক ভূমিকা রেখেছেন যিনি খ্যাতি থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেছিলেন। তাই তিনি আজো অনেকেরই অজানা। সেই মহান ব্যক্তিটির নাম ড. মুহা'ম্ম'দ কামাল ইসমাঈল।

তিনি মিশরের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ উচ্চ বিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট প্রা'প্ত ব্যক্তি। এবং রয়েল স্কুল অফ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হওয়া এবং স্নাতক অর্জন করা সবচেয়ে কম বয়সী ব্যক্তিও ছিলেন তিনি। সবচেয়ে কম বয়সে ইসলামী আর্কিটেকচারে তিনটি ডক্টরেট ডিগ্রি প্রা'প্তির জন্য ইউরোপে গিয়েছিলেন।

এছাড়াও তিনি রাজার কাছ থেকে নীলে স্কার্ফ এবং আয়রন র‌্যাঙ্ক প্রা'প্ত সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি ছিলেন। এছাড়াও তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনিই প্রথম প্রকৌশলী যিনি মক্কা ও ম'দীনা মসজিদ সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেছিলেন।

বাদশাহ ফাহাদ এবং বিন লাদেন কোম্পানির প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তিনি তার ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন এবং স্থাপত্যকর্ম তদারকির জন্য কোনো প্রকার অর্থ গ্রহণ করতে রাজী হননি। তাদের লক্ষ লক্ষ টাকার চেক ফিরিয়ে দিয়ে বাকের বিন লাদানকে তিনি বলেন, আমি কেন পবিত্র দুটি মসজিদে আমা'র কাজের জন্য অর্থ গ্রহণ করব্?

তাহলে আমি কীভাবে বিচার দিবসে আল্লাহকে মুখ দেখাব? তিনি ৪৪ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন। তার স্ত্রী একটি পুত্রের জন্ম দিয়ে মা'রা যান। এরপর তিনি আর বিয়ে করেননি এবং তার মৃ'ত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি আল্লাহর ইবাদতে পূর্ণ সময় নিবেদিত করেছিলেন।

তিনি গণমাধ্যমের যশ, খ্যাতি এবং অর্থের থেকে দূরে থেকে তিনি দুটি পবিত্র মসজিদের সেবায় ব্যয় করেছিলেন। এই প্রতিভাবান ব্যক্তিটির মসজিদুল হারাম এর মা'র্বেলের কাজ সম্পর্কিত একটি চমকপ্রদ গল্প রয়েছে। তিনি তাওয়াফকারিদের জন্য হারাম মসজিদের মেঝেটি ঢাকতে চেয়েছিলেন।

আর এই বিশেষ তাপ শোষণক্ষমতাসম্পন্ন মা'র্বেল কেবল গ্রীসের একটি ছোট পর্বতে পাওয়া যেত। তিনি গ্রীস ভ্রমণ করেন এবং হারামের জন্য প্রায় অর্ধেক পাহাড়ের পরিমাণে মা'র্বেল কেনার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তিনি চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন এবং মক্কার দিকে ফিরে আসতেই সাদা মা'র্বেল চলে এসেছিল।

এবং প্রকৃতপক্ষে মক্কার পবিত্র মসজিদের মেঝেতে মা'র্বেলের স্থাপন সমা'প্ত হয়েছিল। এর ১৫ বছর পরে, সৌদি সরকার তাকে ম'দীনার পবিত্র মসজিদে অনুরূপ মা'র্বেল স্থাপন করতে বলে। এ ব্যাপারে ইঞ্জিনিয়ার মুহা'ম্ম'দ কামাল বলেন, যখন বাদশাহ তাকে নবীজির মসজিদটিকেও একই মা'র্বেল দিয়ে ঢাকতে বললেন,

তখন আমি খুব বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম, কারণ এই ধরণের মা'র্বেল পাওয়ার জন্য পৃথিবীতে কেবলমাত্র একটি জায়গা ছিল। এটি ছিল গ্রীস এবং আমি এরইমধ্যে তার অর্ধেক কিনে নিয়েছি। এরপর তিনি গ্রিসের একই সংস্থায় গিয়ে সিইওর সাথে দেখা করেছিলেন এবং তার প্রয়োজনের পরিমাণ সম্পর্কে জানিয়েছিলেন।

সিইও বলেছিলেন যে, ১৫ বছর আগে তিনি চলে যাব'ার পরে এটি বিক্রি করা হয়ে গিয়েছিল। এতে কামাল খুব মন খারাপ করেন। তিনি সভা ছেড়ে চলে গেলেন এবং অফিস থেকে বেরোনোর সময় তিনি অফিস সেক্রেটারির সাথে দেখা করলেন এবং তাকে অনুরোধ করলেন বাকী পরিমাণ মা'র্বেল কিনেছেন তার অবস্থান সম্পর্কে জানাতে।

জবাবে ওই ব্যক্তি বলেছিলেন যে এত পুরানো রেকর্ড থেকে জানা কঠিন হবে। তবুও কামালের অনুরোধে তিনি পুরানো রেকর্ড অনুসন্ধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কামাল তাকে হোটেলের ঠিকানা ও নম্বর দিয়েছিলেন এবং পরের দিন তার সাথে আবার দেখা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

অফিস ছাড়ার সময় তিনি ভাবছিলেন; আমি কেন জানতে চেয়েছি কে কিনেছে? নিজেকে তিনি নিজেই বলছিলেন, আল্লাহ দারুণ কিছু করবেন। পরদিন, বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার কয়েক ঘন্টা আগে, কামাল একটি ফোন কল পেয়েছিলেন যাতে বলা হচ্ছিলো যে তিনি ক্রেতার ঠিকানা পেয়েছেন।

কামাল বহু বছর পেরিয়ে যাওয়ায় ক্রেতার ঠিকানা নিয়ে কী করবেন ভেবে ধীর গতিতে তাদের অফিসে গেলেন। কামাল অফিসে পৌঁছাতেই সেই সেক্রেটারি তাকে সেই সংস্থার ঠিকানা দিলেন যারা বাকি মা'র্বেল কিনেছিলো। মুহুর্তেই তার হৃদয় চঞ্চল হয়ে পড়ল যখন তিনি জানতে পারেন মা'র্বেল কেনা সংস্থাটি সৌদি একটি সংস্থা।

কামাল সেইদিনই সৌদি আরব চলে গেলেন। সৌদি পৌঁছে তিনি সরাসরি মা'র্বেল কেনার সংস্থার অফিসে গিয়ে ডিরেক্টর অ্যাডমিনের সাথে দেখা করলেন। তার কাছে বহু বছর আগে গ্রীস থেকে যে মা'র্বেল কিনেছিলেন তা দিয়ে কি করেছিলেন তা জানতে চান। তিনি বললেন, আমা'র মনে নেই।

তিনি সংস্থাটির স্টক রুমে গ্রিসের সাদা মা'র্বেল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। উত্তরে তারা তাকে বলেছিলেন যে সমস্ত পরিমাণ রয়ে গেছে, কখনো ব্যবহার হয় নি। কামাল শিশুর মতো কাঁদতে শুরু করলেন। এরপর পুরো গল্পটি ওই সংস্থার মালিককে শোনালেন।

কামাল ওই সংস্থার মালিককে একটি ফাঁ'কা চেক দিয়ে তিনি যত দাম চান তা লিখতে বললেন। মালিক যখন জানতে পারলেন যে, মা'র্বেলটি মহানবী (সাঃ) এর মসজিদটির জন্য, তখন তিনি বলেছিলেন আমি একটি রিয়ালও গ্রহণ করব না। আল্লাহ আমাকে এই মা'র্বেল কেনার জন্য এবং এটি সম্পর্কে ভুলে যাওয়ার জন্য তৈরি করেছেন।

এই মা'র্বেল রাসূল (সাঃ) এর মসজিদে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz