1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  5. [email protected] : News Reporter :
এশিয়ার প্রথম ‘বিনা হাতের মহিলা ড্রাইভার’, মনোবল দেখে অভিভূত সোশ্যাল মিডিয়া
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০১:০২ অপরাহ্ন

এশিয়ার প্রথম ‘বিনা হাতের মহিলা ড্রাইভার’, মনোবল দেখে অভিভূত সোশ্যাল মিডিয়া

Desk Report
  • Update Time : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০
  • ৯০ Time View

এটি এশিয়ার প্রথম ‘বিনা হাতের ড্রাইভার’, আনন্দ মাহিন্দ্রাও দেখার পরেও অ'ভিভূ'ত হয়েছিলেন প্রতিবন্ধকতার অ'ভিশাপ কেবল তাদের জন্য যারা তাদের মন হারিয়ে ফেলে এবং যারা এটিকে চূড়ান্তভাবে অনুসরণ করে তাদের ভাগ্য হিসাবে অনুসরণ করে। যাইহোক, এই সমস্ত ব্যক্তির জন্য, প্রতিব'ন্ধীতা হ’ল সমস্ত কিছুর মতো জীবনের একটি অ'ঙ্গ, যার উদ্দেশ্য দৃঢ়। যারা উচ্চ প্রফুল্লতা নিয়ে জীবনে এগিয়ে যেতে চান, ঐশ্বরিকতা তাদের পথে কখনও বাধা হয়ে ওঠে না।কেরালার এক ২৮ বছর বয়সী মহিলা এর জীবন্ত উদাহরণ। উভয় হাত না থাকা সত্ত্বেও গাড়ি চালানো এই মেয়েটি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য এশিয়ার প্রথম হ্যান্ডলেস ড্রাইভার হয়ে উঠেছে। কেরলের কারিমানুর গ্রামের বাসিন্দা জিলোমল মেরিয়িট টমাস এতটাই শক্তিশালী ছিলেন যে তিনি অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন।জিলোমোলের শৈশব থেকেই গাড়ি চালানোর শখ ছিল। তার উভয় হাত না থাকলে তার জন্য ব্যাপারটা কিছুটা কঠিন ছিল, তবুও যখন তিনি জানতে পারল যে হাত নেই, বিক্রম অ'গ্নিহোত্রি নামে এক ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়েছে, তখন তার ইচ্ছা আরও দৃঢ় হয়। তার দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির জোরে, জিলোমল অবশেষে একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়েছিল।

জিলোমল 2018 সালে একটি কাস্টম তৈরি মা'রুতি সেলারিও কিনেছিলেন। একই বছর ড্রাইভিং লাইসেন্সও পেয়েছিলেন তিনি। আসলে জিলোমল প্রতিদ্বন্দ্বীর হয়ে দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে, যারা প্রতিব'ন্ধী হওয়ার পরে বেঁচে থাকার আশা ছেড়ে দেয়। জিলোমলের বাড়ির অন্য কেউ কীভাবে গাড়ি চালাবেন জানেন না, তবে অত্যন্ত আ'ত্মবিশ্বা'সের সাথে তিনি কেবল গাড়ির স্টিয়ারিং ধরে রাখেন না, ব্রেকগু'লিও প্রয়োগ করেন।কিছুক্ষণ আগে জিলোমলের ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। বিখ্যাত এই শিল্পপতি এবং মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আনন্দ মাহিন্দ্রাও এই ভিডিওটি দেখে অ'ভিভূ'ত হয়েছিলেন। তিনি সাহসের জন্য জিলোমলের প্রশংসাও করেছিলেন। জিলোমল পড়াশুনায় সর্বদা এগিয়ে ছিল। গ্রাফিক ডিজাইনিংয়ের ক্ষেত্রেও তিনি তাঁর কেরিয়ার বেছে নিয়েছেন। এ ছাড়াও জিলোমলের চিত্রকলা খুব পছন্দ।লক্ষণীয় বি'ষয়, জিলোমোল যখন জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তখন তাঁর দুটি হাত ছিল না। তিনি তার পা এবং হাঁটু উভয়ের সাহায্যে গাড়ি চালান। জিলোমল কোনওভাবে গাড়িটি কিনেছিল তবে এর জন্য তাকে পরিবারের সদস্যদের অনেক কিছু বোঝাতে হয়েছিল। জিলোমলের মতে, তার বাবা-মা তাঁর সুরক্ষার জন্য উদ্বি'গ্ন ছিলেন, যার কারণে তাঁরা মানতে দ্বিধা বোধ করেছিলেন।আমা'দের সকলের প্রচলিত ধারণা শারীরিক প্রতিবন্ধকতা একটা অ'ভিশাপ। প'ঙ্গু' শিশুর কোনও ভবি'ষ্যত নেই, এ ধরনের শিশুরা পরিবারের বোঝা। অর্থনৈতিক ভাবে তারা অক্ষম তাই তাদের লেখাপড়া শেখার কোনও দরকার নেই। আর বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শারীরিক ভাবে অক্ষম ব্যক্তিরা কোনও দিন সেরেও ওঠে না।

কিন্তু বাস্তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতার স'ঙ্গে অতীতের কাজের কোনও সম্পর্ক নেই। এটা এক ধরনের বিকৃতি যা মায়ের গ'র্ভে শিশু থাকার সময় অযত্নের কারণে 'হতে পারে, বা বংশগত কারণেও এই বিকলা'ঙ্গতা আসতে পারে। প্রয়োজনীয় সময়ে ডাক্তারি সাহায্যের অ'প্রতুলতা, ওষুধপত্রের অভাব, দু'র্ঘটনা বা আঘা'তজনিত কারণেও মায়ের গ'র্ভে থাকাকালীন শিশু বিকলা'ঙ্গ হয়।শারীরিক ও মানসিক ভাবে প'ঙ্গু' ব্যক্তি সব সময়ের জন্য দয়া ও করুণার পাত্র হয়। আমর'া ভুলে যাই যে প'ঙ্গু' বিকলা'ঙ্গ মানুষের করুণার চাইতে বেশি দরকার অধিকার ও সহমর'্মিতার।

প্রতিবন্ধকতাকে আমা'দের সমাজে কলঙ্কস্বরূপ দেখা হয়। একটি পরিবারে মানসিক ভাবে অসুস্থ কেউ থাকলে সেই পরিবারকে পরিত্যাগ করা হয়, এবং তাকে সমাজে হেয় জ্ঞান করা হয় । শিশুর উন্নতির জন্য সব রকম অবস্থাতেই প্রত্যেকটি শিশুর শিক্ষার প্রয়োজন। সেই শিশু যদি প্রতিব'ন্ধীও হয় তবুও এটা সত্য। কারণ এর দ্বারাই শিশুর সার্বিক বিকাশ সম্ভব।প্রতিব'ন্ধী শিশুর বিশেষ যত্নের ও দেখাশোনার প্রয়োজন। যদি তারা সঠিক সুযোগ পায় তবে তারাও জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারে। প্রতিবন্ধকতা তখনই জীবনে দুঃখ বয়ে আনে যদি প্রতিব'ন্ধী শিশুর প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে আমর'া ব্যর্থ হই

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz