1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  5. [email protected] : News Reporter :
এক ইমামের আন্দো’লনে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যা’গ, চ্যালে’ঞ্জের মুখে প্রেসিডেন্ট!
বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন

এক ইমামের আন্দো’লনে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যা’গ, চ্যালে’ঞ্জের মুখে প্রেসিডেন্ট!

Desk Report
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২০
  • ১২৮ Time View

আফ্রিকার দেশ মালিতে করো'না ভাইরাসের ভ’য় দূরে ফেলেই রাস্তায় বি’ক্ষো’ভ করছে এক দল মানুষ। তারা দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বোবাকার কেইটার প’দত্যা’গ চান। তার বি’রু’'দ্ধে দুর্নী’তি ও স্বজনপ্রী’তির ক’থি’ত অ’ভিযো’গ এনেছেন বি’ক্ষু’ব্ধ’রা। একইস'ঙ্গে বি’ক্ষো’ভকারীদের অ’ভিযো’গ, দেশটিতে জিহা’দিদের সহিং’সতা ব’ন্ধেও সরকার ব্য’র্থ হয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, আন্দো’লনের স'ঙ্গে এরইমধ্যে যোগ দিয়েছে দেশটির বিরো’ধী দলগু'লোও। সরকারকে চা’পে ফেলতে একস'ঙ্গে সবাই মিলে রাস্তায় জড়ো করেছে হাজার হাজার মানুষ। তবে এই সব মানুষ কোনো রাজনৈতিক আহবানে রাস্তায় নামেনি। তাদেরকে রাস্তায় নামাতে যিনি সবথেকে বেশি ভূমিকা রেখেছেন তিনি হলেন দেশটির একজন ইমাম মাহমুদ ডিকো।

ক্ষ’মতা নি’শ্চিতে তাই কেইটা ও তার মন্ত্রী পরিষদকে এই ইমামের স'ঙ্গে দর ক’ষাক’ষি করতে হচ্ছে। ডিকোকে বলা হচ্ছে দরিদ্র এ দেশটির চলমান উত্তে’জনার প্রধান খেলোয়ার। বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল দেশটির অর্থনীতি। জ’'ঙ্গিবাদ থেকে র’ক্ষায় সেখানে নিয়োজিত আছে ১৫ হাজারের বেশি বিদেশি সেনা। তবে অন্য সব দরিদ্র মুসলিম প্রধান দেশগু'লোর মতো এখানেও ধ'র্মীয় নেতাদের দা’পট দেখা যায়।

গত এক দশক ধ’রে দেশটিতে প্রভা’বশালী হয়ে উঠেছেন ডিকো। তবে এই প্রথম তার আহবানে রাস্তায় নেমে এসেছে হাজারো মানুষ। ২০১৯ সালে তার অনুসারীরা আন্দো’লন করে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সুমিলো বোবে মাইগাকে প’দত্যা’গে বা’ধ্য করে। গত ৫ জুন শুক্রবারের নামাজের পর থেকে আবারো রাস্তায় নেমে আসে ডিকোর অনুসারীরা। বামাকো ও সিকাসো শহরে তারা আন্দো’লন চালিয়ে যায়।

তবে দুই স'প্তাহের মধ্যেই দেশটির বিভিন্ন শহরে ডিকোর অনুসারীরা আন্দো’লন শুরু করে। এখনো এই আন্দো’লন বড় হয়েই চলেছে। ফলে ডিকো এখন তার ক্ষ’মতাকে দর ক’ষাক’ষির অ’স্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন। বিরো’ধী দলগু'লোর স'ঙ্গেও সমঝোতা করেছেন তিনি। গত ম'ঙ্গলবার কেইটা সরকারের প্রতিনিধি দল বিরো’ধীদলগু'লোর স'ঙ্গে আলোচনায় বসে। এর আগে তারা ইমাম ডিকোর স'ঙ্গেও কথা বলেন। কারণ, দেশটিতে এখন বিরো’ধী দলের থেকেও বেশি ক্ষ’মতাধর হয়ে উঠেছেন এই ইমাম।

চ’র’ম দরিদ্র দেশটিতে শিক্ষার হার মাত্র ৩৫ শতাংশ। ফলে দ্রুতই ডিকোর অনুসারী সংখ্যা বাড়তে থাকে। র’ক্ষণশীল সমাজের সমর'্থন কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নিজের প্রভা’ব বিস্তার করতে থাকেন ডিকো। তিনি প্রথম আলোচনায় আসেন ২০০৯ সালে। নারীদের অধিকার নি’শ্চিতে এ বছর নতুন আইন প্রণয়ন করে মালির সরকার। তবে ডিকো ও তার অনুসারীরা দেশব্যাপী এর বি’রু’'দ্ধে আন্দো’লন গড়ে তোলে। তাদের আন্দো’লনের প্রেক্ষিতে সরকার শেষ পর্যন্ত এটি বা’তিলে বা’ধ্য হয়।

তবে বিবিসি জানিয়েছে, র’ক্ষণশীল হলেও ইমাম ডিকো তী’ব্র জিহা’দবিরো’ধী। একইস'ঙ্গে ধ'র্মীয় কারণে কারো ওপর নি'র্যা’তনের বি’রু’'দ্ধেও তিনি। ইসলামপ’ন্থী জিহা’দিরা যখন ২০১২ সালে উত্তর মালি দ’খ’ল করে নেয় তখন তিনি জিহাদিদের বি’রু’'দ্ধে অবস্থান নেন। ২০১৩ সালে ফরাসি সেনারা মালিতে প্রবেশ করলে তিনি তাদেরকে স্বাগত জানান। তিনি ঘোষণা করেন, ফ্রান্সের সেনারা মালির অধিবাসীদের র’ক্ষা করতে এসেছে। এরপর ফ্রান্সের সেনারা দ্রুতই ওই অঞ্চলকে জিহা’দিমু’ক্ত করতে সক্ষম হয়। সূত্র : বিবিসি

মুহা'ম্ম'দ সা: নিজ হাতে এই মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করেন

নবীর মসজিদ। আরবিতে বলা হয় মসজিদে নববী। হজরত মুহা'ম্ম'দ সা: নিজ হাতে এই মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করেন।

নবীজি হযরত মুহা'ম্ম'দ (সা.) যখন মক্কা থেকে ম'দীনায় হিযরত করেন, তখন এ শহরটির নাম ছিল ‘ইয়াসরিব’। নবীজি (সা.) আগমনের পরপরই ইয়াসরিব নামটি পবির্তন করে ম'দিনা নামকরণ করেন।

কিন্তু সেখানে কোন মসজিদ ছিল না যেখানে নবীজিসহ সাহাবীরা নামাজ আ'দায় করবেন। নতুন হিজরতকারীদের মধ্যে নামাজ আ'দায়ের জন্য মসজিদের শূন্যতা দেখা দিলে নবীজি (সা.) নিজেই একটি মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করেন। আর এ মসজিদের নাম দেন ‘ম'দীনা মসজিদ’।

যা ‘মসজিদে নববী শরীফ’ (সা.) বা ম'দিনায়ে মুনাওয়ারা হিসেবে পরিচিত। প্রথম মসজিদটি নির্মাণ করতে সময় লেগেছিল প্রায় ৭ মাস। অর্থাৎ- ৬২২ খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বরে থেকে শুরু হয়ে ৬২৩ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় ৭ মাসব্যাপী ১ম ম'দিনা মসজিদের নির্মাণ কাজের সময় ধ’রা হয়।

নবীজি (সা.)-এর হস্ত মোবারকে ভিত্তি দেয়া পবিত্র ‘ম'দিনা মসজিদ’ নির্মাণের জন্য নাজ্জার গোত্রের সাহল ও সোহাইল নামক দুই যুবক থেকে প্রয়োজনীয় জমি ক্রয় করে ছিলেন। এ জমির ক্ষুদ্র একটি অংশে নবীজি (সা.) বাসস্থান নির্মাণ করে বাকি পুরো অংশেই ম'দিনা মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।

এ জায়গার প্রতিটি কোণা থেকে তীর নি'ক্ষেপ করে যে পরিমাণ জায়গা পাওয়া গেল তা হলো মসজিদের একটি ক্ষেত্র। আর এ ক্ষেত্রে বর্গের প্রতিটি বাহুর পরিমাণ দাঁড়ালো ১০০ হাত বা ৫৬ গজ। ১ম নির্মিত পবিত্র ম'দিনা মসজিদের প্রাথমিক আয়তন ছিল ১০০ ´ ১০০ হাত বা ৫৬ ´ ৫৬ গজ।

মসজিদের ভিত্তি ও দেয়ালের নিম্নভাগ ৩ হাত পর্যন্ত প্রস্তের হিসেবে নির্মিত ছিল। প্রথম পর্যায়ে ম'দিনা মসজিদ রৌদ্রে শুষ্ক ইট দ্বারা নির্মিত হয়। এই রৌদ্র শুষ্ক ইট ও সিমেন্ট হিসেবে আল-খাবখাবা উপত্যকা 'হতে আনিত কাদা দ্বারা তৈরি হয়েছিল। তখন ম'দিনা মসজিদের দেয়াল ছিল ৭ হাত উঁচু। এর ছাদকে শক্তিশালী ও মজবুত রাখার জন্য ম'দিনা মসজিদের ৩৬টি খেজুর গাছকে স্তম্ভ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

মসজিদের ছাদ নির্মিত হয়েছিল খেজুর পাতা দিয়ে। ছাদকে সুন্দর, রৌদ্র ও বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য খেজুর পাতার উপর কাদামাটির আস্তরণ লেপে দেয়া হয়েছিল। ১ম নির্মিত পবিত্র ম'দিনা মসজিদে প্রবেশের জন্য ৩টি দরজা ছিল।

প্রধান প্রবেশ পথটি ছিল দক্ষিণ দিকে যা দিয়ে মুসল্লিরা মসজিদে প্রবেশ করতেন এবং বাহির 'হতেন। পশ্চিম দেয়ালে ছিল মসজিদের দ্বিতীয় প্রবেশ পথ যা ‘বাবে রহমত’ নামে স্বীকৃত। তৃতীয় প্রবেশ পথটি ছিল পূর্ব দেয়ালে যা দিয়ে নবীজি হযরত মুহা'ম্ম'দ (সা.) মসজিদে প্রবেশ করতেন। এ জন্য এটির নামকরণ হয় ‘বাব উন নবী (সা.)’।

ঐতিহাসিকদের মতে, ম'দিনা মসজিদেই সর্ব প্রথম মেহরাব, মিম্বার, আজান দেয়ার স্থান বা মিনার এবং অজুর স্থানের ব্যবস্থা করা হয়। বর্তমানে মসজিদে নববী শরীফ বহুগু'ণ বড় ও সম্প্রসারিত। সম্পূর্ণ আধুনিক নতুন নকশার ভিত্তিতে এটিকে সম্প্রসারণ ও পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে। যাহাতে এক সাথে কয়েক লাখ মুসল্লি নামাজ আ'দায় করতে পারেন।

সংস্কার ও সম্প্রসারণ
পবিত্র মসজিদে নববী (সা.) বা ম'দিনা মসজিদ তখন থেকেই মুসলমান শাসকদের দ্বারা বহুবার সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। নবীজি হযরত মুহা'ম্ম'দ (সা.) বিদায় নেয়ার পর ইসলামের দ্বিতীয় খলীফা হযরত ওমর' (রা.) ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে মসজিদে নববী (সা.)’র একদফা সম্প্রসারণ ও সংস্কার কাজ করেন।

এসময় মসজিদের উত্তরে ৩০ হাত, দক্ষিণে ১০ হাত ও পশ্চিম দিকে ২০ হাত প্রশস্ত করেন। খলীফা হযরত ওমর' (রা.)’র সময় মসজিদের জায়গার পরিমাণ হয় উত্তর-দক্ষিণে ১৪০ হাত এবং পূর্ব-পশ্চিমে ১২০ হাত।

এরপর ৩য় খলীফা হযরত ওসমান গণি জিন্ নূরাইন (রা.)’র খেলাফতকালে ৬৪৬-৬৪৭ খ্রিস্টাব্দে খেজুর পাতার পরিবর্তে মসজিদের ছাদে ব্যবহার করা হয় সেগু'ন গাছের কাঠ। তখন ছাদের আকার দাঁড়ায় ১৬০ ´ ১৩০ হাত। এ সময় মসজিদের আয়তন হয় উত্তর দক্ষিণে ১৬০ হাত এবং পূর্ব-পশ্চিমে ১৫০ হাত।

পরবর্তীতে খলিফা আল্ ওয়ালিদের সময় ম'দিনা মসজিদটি আধুনিক ইমা'রতে পরিণত হয়। ওয়ালিদ ৭০৭ খ্রিস্টাব্দে সম্পূর্ণ নতুন আ'ঙ্গিকে পবিত্র মসজিদে নববী (সা.)-কে সাজিয়ে তোলেন।

তাঁর সময় মসজিদে নববী (সা.)’র আয়তন বেড়ে দাঁড়ায় ২০০ ´ ২০০ হাত। ৭০৭ খ্রিস্টাব্দের এসময়ই সর্ব প্রথম পবিত্র মসজিদে নববী (সা.)’র ৪ কোণায় ৪টি মিনার নির্মাণ করেন বাদশা বা খলিফা আল-ওয়ালিদ। তখন প্রতিটি মিনারের উচ্চতা ছিল ৫০ হাত এবং প্রস্থে ছিল ৮ হাত। এরপর খলিফা মাহদী ৭৭৫-৭৮৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এ পবিত্র মসজিদটি আবারো সম্প্রসারণসহ সংস্কার করেন এসময় এ আয়তন দাঁড়ায় ৩০০ ´ ৩০০ হাত। পরবর্তীতে ১৪৮১ খ্রিস্টাব্দে মামলুক সুলতান কয়েত-বে পবিত্র মসজিদে নববী (সা.)-এর মধ্যে গম্বুজ প্রতিষ্ঠিত করেন।

কিন্তু ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে পবিত্র এ গম্বুজ শরীফে রং-এর আস্তরণ দিয়ে সবুজ গম্বুজ বানিয়ে ছিলেন ওসমানী সুলতান দ্বিতীয় মাহমুদ। আর সেই থেকেই আজঅবধি ম'দিনায়ে মুনাওয়ারা তথা পবিত্র মসজিদে নববী শরীফের উপর নূরানী এ সবুজ গম্বুজ শরীফটি কোটি কোটি ঈমানদার তথা আশেকে রাসুল (সা.)দের মাঝে আলোকবর্তিকা ও প্রাণস্পন্দন হয়ে আছে। যা কিয়ামত পর্যন্ত ঈমানি চেতনা দান করবেন নবী প্রেমিকদের অন্তরে।

সর্বশেষ আধুনিকায়নে পবিত্র মসজিদ-এ নববী (সা.)’র নব সজ্জা ও রূপদান করেন সৌদি বাদশাহ আব্দুল আজিজ ইবনে সউদ। এর পরিকল্পনা করা হয় ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে। ১৯৫৩-১৯৫৫ সাল নাগাদ মসজিদ আধুনিকায়ন করা হয়। বিশালকার এ পবিত্র মসজিদে নববী (সা.)’র সমস্ত রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সৌদি রাজ পরিবারের।

মসজিদের পাশেই ছিল হজরত মুহা'ম্ম'দ সা: এর বসবাসের ঘর। মসজিদের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে রয়েছে একটি সবুজ গম্বুজ। গম্বুজটি নবীর মসজিদের সবচেয়ে গু'রুত্বপূর্ণ অংশ। কারণ এ গম্বুজের নিচেই রয়েছে শেষ নবী হজরত মুহা'ম্ম'দ সা:-এর রওজা মোবারক। হজরত মুহা'ম্ম'দ সা: মসজিদের পাশে যে ঘরে ইন্তেকাল করেন সেখানেই তাকে দা'ফন করা হয়।

পরে মসজিদ সম্প্রসারণের মাধ্যমে তার রওজা মোবারক মসজিদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

পবিত্র মসজিদে নববী (সা.) তথা মহানবী (সা.)’র রওজা পাকের দু’পাশেই রয়েছে নবীজির প্রাণপ্রিয় ছিদ্দীক ইসলামের ১ম খলিফা হযরত আবুবকর (রা.) ও ২য় খলিফা ফারুকে আজম হযরত ওমর' (রা.)-এর রাওজা শরীফ। আল্লাহ আমা'দের সকলকে নূরানী নবীজির (সা.) নূরী রাওজায়ে আকদাস শরীফ জেয়ারতের মাধ্যমে জীবনকে ধন্য করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

পৃথিবীর প্রথম জমিন হচ্ছে পবিত্র কাবাঘর

মুসলিম ইম্মাহর ভাষ্য মতে এটাকে বলা হয় বাইতুল্লাহ বা আল্লাহর ঘর। কাবা শরিফ ও পবিত্র কাবাঘরও বলা হয়ে থাকে। এই পবিত্র কাবা ঘরের অ'ভিমুখী হয়েই আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি করেন পৃথিবীর কোটি কোটি মুসলিম। সৃষ্টির সূচনা থেকেই মহান পবিত্র এই কাবাকে মহান আল্লাহ তার মনোনীত বান্দাদের মিলনস্থল করেছেন।

আমর'া সকলেই জানি , ভৌগোলিকভাবেই গো'লাকার পৃথিবীর মধ্যস্থলে কাবার অবস্থান। এ বি'ষয়ে পিএইচডি করেছেন ড. হুসাইন কামাল উদ্দীন আহম'দ। তাঁর থিসিসের শিরো'নাম হলো—‘ইসকাতুল কুররাতিল আরধিয়্যা বিন্ নিসবতে লি মাক্কাতিল মুকাররামা।’ (মাজাল্লাতুল বুহুসুল ইসলামিয়া, রিয়াদ : ২/২৯২)

ওই থিসিসে তিনি প্রাচীন ও আধুনিক দলিল-দস্তাবেজের আলোকে এ কথা প্রমাণ করেছেন যে কাবাই পৃথিবীর মেরুদ'ণ্ড ও পৃথিবীর মধ্যস্থলে অবস্থিত। ইসলামের রাজধানী হিসেবে কাবা একটি সুপরিচিত নাম। পানিসর্বস্ব পৃথিবীতে মাটির সৃষ্টি এ কাবাকে কেন্দ্র করেই।

আরেকটি বি'ষয় হলো, মাটিতে রূপান্তর হওয়ার আগে কাবা সাদা ফেনা আকারে ছিল। সে সময় পৃথিবীতে পানি ছাড়া কিছু ছিল না। আল্লাহর আরশ ছিল পানির ওপর। হাদিসের ভাষ্য মতে, কাবার নিচের অংশটুকু পৃথিবীর প্রথম জমিন। বিশাল সাগরের মাঝে এর সৃষ্টি। ধীরে ধীরে এর চারপাশ ভরাট 'হতে থাকে। সৃষ্টি হয় একটি বিশাল মহাদেশের। এক মহাদেশ থেকেই সৃষ্টি হয় অন্য সব মহাদেশ। মাটি বিছানোর পর জমিন নড়তে থাকে। হেলতে থাকে।

এর জন্য মহান আল্লাহ পাহাড় সৃষ্টি করেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তিনি পৃথিবীতে সুদৃঢ় পর্বত স্থাপন করেছেন, যাতে পৃথিবী তোমা'দের নিয়ে আন্দোলিত না হয় (হেলে না যায়)।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ১৫)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz