1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  5. [email protected] : News Reporter :
দেশে উৎপাদিত করোনার টিকা কারা কিনতে পারবেন?
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০১:৫১ অপরাহ্ন

দেশে উৎপাদিত করোনার টিকা কারা কিনতে পারবেন?

Desk Report
  • Update Time : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০
  • ৮১ Time View

বাংলাদেশে প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে করো'নাভাইরাসের টিকা (ভ্যাকসিন) আবি'ষ্কারের দাবি করেছে গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, প্রতিবন্ধকতার শিকার না হলে আগামী ডিসেম্বরে বাজারে টিকা আনতে পারবে তারা। প্রথম ধাপে ৫০ থেকে ৭০ লাখ টিকা উৎপাদন করবে দেশীয় এ প্রতিষ্ঠানটি।

টিকা আবি'ষ্কারের বিস্তারিত বি'ষয় নিয়ে দেশের প্রথম সারির একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে সাক্ষাৎকার দেন গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের কোয়ালিটি অ্যান্ড রেগু'লেটরি অ'পারেশন্সের ম্যানেজার ও ইনচার্জ এবং টিকা আবি'ষ্কারের গবেষক দলের সদস্য মোহা'ম্ম'দ মহিউদ্দিন।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমর'া ১০-১২ জন কাজ করেছি। গবেষক দলের প্রধান ড. কাকন নাগ (গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের সিইও) ও ড. নাজনীন সুলতানা (গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের সিওও)। তারা দুজন আমা'দের এক্সপার্ট (বিশেষজ্ঞ)। তাদের সুপারভিশনে (তত্ত্বাবধানে) আমর'া বাকিরা কাজ করেছি। তারা দুজনই কানাডায় আট'কা পড়েছেন।

কানাডা থেকে তারা কীভাবে নেতৃত্ব দিলেন সে প্রস'ঙ্গে মোহা'ম্ম'দ মহিউদ্দিন বলেন, এখন তো গ্লোবালাইজেশনের (বিশ্বায়নের) যুগ। আজকের সংবাদ সম্মেলনেও তাদের যুক্ত রেখেছিলাম। এখন তো আর ফিজিক্যালি (শারীরিক) যাওয়া লাগে না।

গ্লোবের টিকা সফল হলে সেটা মানুষ কীভাবে গ্রহণ করবে-জানতে চাইলে মোহা'ম্ম'দ মহিউদ্দিন বলেন, এই টিকা সুস্থ মানুষের শরীরে দেয়া হবে। ইনজেকশনের মাধ্যমে মানুষ টিকাটি গ্রহণ করবে। আমা'দের এখনও একটা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বাকি আছে। আমর'া অ্যানিমেল (প্রাণী) মডেলে কাজ করেছি। এখন আমা'দের হিউম্যান (মানবদে'হে) মডেলে কাজ করতে হবে। হিউম্যান মডেলে কাজ করে ‘ডেজ ওয়ান’ একটা স্টাডিজ আছে এবং ‘ডেজ টু’ একটা স্টাডিজ আছে। ‘ডেজ টু’ স্টাডির মধ্যে কয়েকবার ডোজটা দিতে হবে, দিলে অ্যান্টিবডি গ্রো (গড়ে উঠবে) হবে, যে অ্যান্টিবডি করো'নাভাইরাস মেরে ফেলতে পারবে। অর্থাৎ সেটাকে নিউট্রিলাইট করতে পারবে। হিউম্যান মডেলের কাজ বাকি, এটা এখনও আমর'া নির্ধারিত করতে পারিনি। এটা নির্ধারণ হবে এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর।

সফল হলে প্রথম ধাপে কত টিকা আনার সক্ষমতা আপনাদের রয়েছে- এ প্রস'ঙ্গে তিনি বলেন, প্রথম ধাপে আমা'দের ৫ থেকে ৭ মিলিয়ন (৫০ থেকে ৭০ লাখ) টিকা তৈরির সক্ষমতা রয়েছে। তারপর উৎপাদন আরও বাড়াব। যখন আমর'া এক্সপোর্ট (রফতানি) করব, তখন আরও বড় পরিসরে তৈরি করতে পারব।

এই টিকা কি গরিব মানুষ কিনতে পারবেন-জানতে চাইলে মোহা'ম্ম'দ মহিউদ্দিন বলেন, আমা'দের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভ্যাক্সিনেশনে পুরস্কার পেয়েছেন। কারণ আমা'দের দেশে বেশিরভাগ টিকাই বিনামূল্যে দেয়া হয়। টিকাটি যখন আমর'া বাণিজ্যিকীকরণ করব, তখন এমনও 'হতে পারে সরকার জনগণকে ফ্রি করে দিয়েছে কিংবা স্বল্প দামে দিচ্ছে। আমর'া যেহেতু উৎপাদক প্রতিষ্ঠান, আমা'দের তো খরচ আছে, আমর'া তো আর ফ্রি দিতে পারব না। এখন সরকার যদি সি'দ্ধান্ত নেয়, আমর'া এ টিকা জনগণকে ফ্রি দেব, সেক্ষেত্রে আমর'া হয়তো লাভ করলাম না। আমা'দের যে উৎপাদন খরচ, সেটা হয়তো আমর'া সরকারের কাছ থেকে নিলাম। এই টিকা গরিব মানুষের কেনার সক্ষমতা থাকবে। সংবাদ সম্মেলনে আমা'দের চেয়ারম্যান তো বলেছেন, সব জায়গায় আমর'া প্রোফিট (লাভ) করব না। আমা'দের আরও অন্যান্য ওষুধ আছে, সেগু'লো দিয়ে লাভ করলাম। এটা উৎপাদনে আমা'দের যে খরচ, সেটা দিয়েই আমর'া দিয়ে দিলাম। সবার নাগালের মধ্যে আমর'া দাম নির্ধারণ করব। এতে অতিদরিদ্র মানুষও এই টিকা কিনতে পারবে।

টিকা বাজারে আসতে কতদিন লাগতে পারে- এ বি'ষয়ে জানতে চাইলে মোহা'ম্ম'দ মহিউদ্দিন বলেন, আমর'া যদি কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার শিকার না হই, তাহলে ডিসেম্বরের মধ্যে বাজারে আনতে পারব। মানে ছয় মাস লাগতে পারে।

এদিকে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনানুষ্ঠানিক পর্যায়ে থাকা তাদের আবি'ষ্কারের টিকা এরই মধ্যে তিনটি খরগোশের দে'হে প্রয়োগ করে ইতিবাচক অগ্রগতি পাওয়া গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. হারুনুর র'শিদ বলেন, করো'নার টিকা তৈরি হয়েছে বলেই তা প্রাণীর দে'হে প্রয়োগ করা গেছে।

প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা দলের প্রধান আসিফ মাহমুদ বলেন, টিকাটি খরগোশের ওপর প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে। এতে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেছে। এখন পরবর্তী প্রটোকল তৈরির কাজ চলছে। এ কাজ শেষ করেই আনুষ্ঠানিক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য আমর'া সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগে জমা দেব।

গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে বলা হয়, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী চলমান করো'নাভাইরাসের প্রকো'পে সারা বিশ্বের মানুষ বিপর্যস্ত। তাই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রয়োজনে আমা'দের নিয়মিত গবেষণার পাশাপাশি ‘কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কিট, টিকা এবং ওষুধ’ আবি'ষ্কার সংক্রা'ন্ত গবেষণা কর্মকাণ্ড শুরু হয়। এ প্রতিষ্ঠানের সিইও ড. কাকন নাগ এবং সিওও ড. নাজনীন সুলতানার সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে টিকা (ভ্যাকসিন) আবি'ষ্কার করতে সক্ষম হয়েছি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, করো'নাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স বায়োইনফরম্যাটিকস টুলের মাধ্যমে পরীক্ষা করে টিকার টার্গেট নিশ্চিত করা হয়েছে। যা যৌ'ক্তিকভাবে এ ভৌগোলিক অঞ্চলে অধিকতর কার্যকরী হবে। এ টার্গেটের সম্পূর্ণ কোডিং সিকোয়েন্স যুক্তরাষ্ট্রের এনসিবিআই ভাইরাস ডাটাবেইসে জমা দেয়া হয়েছে এবং যা এরই মধ্যে এনসিবিআইয়ে স্বীকৃত ও প্রকাশিত হয়েছে (accession number : MT676411))। সেই সূত্র ধরেই এখানে গবেষণাগারে আবি'ষ্কৃত ভ্যাকসিনের বিশদ বিশ্লেষণের পর ল্যাব'রেটরি এনিম্যাল মডেলে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করে যথাযথ অ্যান্টিবডি তৈরিতে সন্তোষজনক ফলাফল এসেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz