1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Author :
  5. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  6. [email protected] : News Reporter :
বিবাহিত বা অবি’বাহিত সকলের পড়া উচিৎ- করু’ণ এক সত্য ঘটনা
বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

বিবাহিত বা অবি’বাহিত সকলের পড়া উচিৎ- করু’ণ এক সত্য ঘটনা

Desk Report
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০
  • ১২৭ Time View

এক রাতে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পর আমা’র স্ত্রি প্রতিদিনের মত আমাকে নিয়ে রাতের খাবার খেতে বসলো।

তখন আমি তার হাতটি জড়িয়ে ধ’রলাম এবং বললাম, “আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই।” সে আমা’র চোখের দিকে শান্ত ভাবে তাকালো… আমি বুঝতে পারছিলাম না যে তাকে আমি কথাগু'’’লো কিভাবে বলবো।

কিন্তু তাকে আমা’র জা’নানো উচিৎ যে, আমি তার সাথে আর সংসার ক’রতে চাই না। আমি খুব ধীরে, শান্তভাবে বি’ষয়টি তুললাম।

সে আমা’র কথায় কোনরকম বির’ক্ত প্র’কাশ না করে ধীরে ধীরে জিজ্ঞেস করল, “কেন?” আমি তার প্রশ্ন এড়িয়ে গেলাম। এতে সে রেগে গেলো।টেবিলের উপর থেকে সবকিছু ছুড়ে ফে’লে দিয়ে চি’ৎকার করে বললো, “তুমি একটা কাপুরুষ।” সেই রাতে আমা’দের আর কথা হল না। সে সারা রাত নিঃশব্দে কাঁদলো।

হয়তো ও বুঝার চেষ্টা করছিল কেন আমি এমনটা চাইলাম। কিন্তু আমি তাকে বলতে পারিনি যে, আমি আর একটা মে’য়েকে ভালোবেসে ফে’লে ছি।

আমি নিজেকে খুব অ’প’রাধী মনে করেছিলাম, আর ঐ অ’প’রাধবোধ নিয়েই আমি ডিভোর্স লেটার লিখলাম, যেখানে উল্লেখ ছিল, আমা’দের বাড়ি, আমা’দের গাড়ি,

এবং আমা’র ব্যবসায়ের ৩০% এর মালিক সে হবে। তার হাতে কাগজটি যাওয়ার সাথে সাথে ছিঁড়ে টুকরা টুকরা করে ফেললো। যে মানুষটার সাথে আমি ১০ টা বছর সংসার করলাম,আজকে আমি তাকেই আর চিনি না। তার এতগু'’’ল সময়, সম্পদ, এবং শ’ক্তি ন’ষ্ট করার জন্য আমা’র খুব খা’রাপ লাগছিলো, কিন্তু এখন আমি আর তাকে ফেরত নিতে পারবো না কারণ, আমি ফারহানা কে ভালোবাসি।

অবশেষে সে আমা’র সামনে চি’ৎকার করে কা’ন্না করে দিল, যা আমি আশা করছিলাম। আমা’র কাছে তার কা’ন্না একরকম মুত্তির চিহ্নের মত লাগছিল। তখন মনে হচ্ছিল, এবার আমি আ’সলেও সফল। পরের দিন, আমি অনেক দেরী করে বাসায় ফিরি। দরজায় ঢু’কতেই দেখি, ও ডাইনিং রুমে টেবিলে কিছু
লিখছিল। আমি আর খাবার খেতে গেলাম না এবং সরাসরি ঘু’মাতে চলে গেলাম, কারণ সারাদিন ফারহানাকে নিয়ে অনেক ঘুরেছি এবং এখন আমি ক্লান্ত। আমি ঘু’মিয়ে গেলাম। যখন আমা’র ঘু’ম ভা”’'ঙ্গলো, তখনো ও লিখছিল।আমি গ্রাহ্য করলাম না এবং আবার ঘু’মিয়ে পরলাম। সকালে সে আমাকে কিছু শর্ত দিল, যেখানে লেখা ছিল, “আমি তোমা’র থেকে কিছুই চাইনা, কিন্তু আ’লাদা হয়ে যাওয়ার আগে শুধু এক মাস সময় চাই। এই একমাসে আম’রা জতটুকু সম্ভব স্বা’ভাবিক জীবন জা’পন করবো, কারণ আর একমাস বাদেই আমা’দের ছে’লেটার পরীক্ষা। ওর যাতে কোন ক্ষ’তি না হয় তাই আমি এমনটা চাইছি।”

আমি মেনে নিলাম। কিন্তু সে আমা’র কাছে আরও কিছু চেয়েছিল… ও আমাকে মনে ক’রতে বললো, বিয়ের দিন আমি তাকে যেভাবে কোলে করে নিয়ে ঘরে ঢুকে ছিলাম। ও আমাকে অনুরো’ধ করলো, যাতে এই একমাস আমি তাকে প্রতি সকালে কোলে করে আমা’দের শোবার ঘর থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত নিয়ে যাই।

আমি ভাবলাম, ও পাগল হয়ে গেছে। যাই হোক, এই শেষ সময়ে যাতে আর ঝামেলা না হয়, তাই আমি তার অনুরো’ধ মেনে নিলাম। আমি ফারহানাকে আমা’র স্ত্রির দেয়া শর্তগু'’’লোর কথা বলেছিলাম। শুনার পর সে অট্ট হাসিতে ফেটে পড়লো, যা খুবই অযৌ'’’ক্তিক লাগলো আমা’র কাছে। তখন ফারহানা আমা’র স্ত্রির উপর ঘৃ’ণা এবং রাগ নিয়ে বললো, “সে যতই ছলনা করুক আর মায়া কা’ন্না দেখাক, তাকে ডিভোর্স নিতেই হবে।”

আমা’দের বিবাহবি’চ্ছেদের উদ্দেশ্য স্পস্টভাবে প্র’কাশ হওয়ার পর থেকে আমা’র স্ত্রি এবং আমা’র মধ্যে আর কোন শ’রীরী যোগাযোগ ছিল না। যাই হোক, যেদিন আমি প্রথম তাকে কোলে তুললাম, তখন আম’রা দুজনেই খুব বিব্রতবোধ করছিলাম। আমা’দের ছে’লেটা পেছন থেকে তালি বাজাচ্ছিল আর বলছিল, “আব্বু আম্মুকে কোলে তুলেছে, কি মজা কি মজা।” ছে’লেটার কথা শুনে কেন জেন আমা’র খা’রাপ লাগতে শুরু করলো। শোবার ঘর থেকে ড্রইংরুম, ড্রইংরুম থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত আমি ওকে কোলে করে নিয় গেলাম।সে তার চোখ ব’ন্ধ করলো এবং ফিস ফিস করে বললো, “আমা’দের ছে’লেটাকে আমা’দের ডিভোর্সের কথাটা কখনও জানতে দিওনা।” আমি ওকে দরজার বাইরে নামিয়ে দিলাম। সে তার কাজে চলে গেল, আর আমি অফিসে চলে গেলাম। দ্বিতীয় দিন, আম’রা দুজনেই খুব স্বা’ভাবিক আচরন করলাম। সে আমা’র বুকে মা’থা রাখলো। আমি তার চুলের গন্ধ পাচ্ছিলাম।

আমা’র মনে হল, আমি কতদিন এই মানুষটাকে একটু ভালো’ভাবে দেখিনি, বুঝার চেষ্টা করিনি। দেখলাম, ওর কত বয়স হয়ে গেছে। চেহারায় বয়সের ছাপ প’ড়ে গেছে… চুলে কাঁচা’পাকা রঙ ধ’রেছে। কিছু মু’হূর্তের জন্য মনে হল আমি তার সাথে কি করেছি। চতুর্থ দিন, যখন আমি তাকে কোলে তুললাম, তখন বুঝতে পারলাম আবার আমা’দের অন্তর”’'ঙ্গতা ফি’রে আ’সছে। এটাই সেই মানুষ, যে তার জী’বনের ১০ টা বছর আমা’র সাথে পার করেছে। পঞ্চ’ম এবং ষষ্ঠ দিন আমা’র আবারো মনে হল যে, আমা’দের স’ম্পর্কটা আবার বেড়ে উঠছে। আমি এসব বি’ষয়ে ফারহানাকে কিছুই বলিনি।

যতই দিন যাচ্ছিল, ততই খুব সহ’জে আমি আমা’র স্ত্রিকে কোলে তুলতে পারতাম। সম্ভবত, প্রতিদিন কোলে নিতে নিতে অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল। একদিন সকালে বাইরে যাওয়ার জন্য সে পছন্দের কাপড় খুঁজছিল। প্রায় অনেকগু'’’লো কাপড় সে পরে দেখল, কিন্তু একটাও তার ভালো লাগছিলো না। সে স্থির হয়ে বসলো এবং দীর্ঘনিঃশ্বা’স ছে’ড়ে বললও, “আমা’র সব গু'’’লো কাপড় ঢিলে হয়ে গেছে…।

” তখন আমি বুঝতে পারলাম সে অনেক শুকিয়ে গেছে এবং এ জন্যই আমি তাকে খুব সহ’জে কোলে তুলতে পারতাম। হ’ঠাৎ এটা আমাকে খুব আ’ঘা’ত করলো… সে তার মনে অনেক ক’ষ্ট চা’পা দিয়ে রেখেছে। মনের অজান্তেই আমি আমি ওর কাছে যাই এবং ওর মা’থায় হাত দেই। ঐ মু’হূর্তে আমা’দের ছে’লেটাও চলে এল এবং বললও, “আব্বু, আম্মুকে কোলে তুলার সময় হয়েছে।” আমা’র স্ত্রি ছে’লেটাকে ইশারায় কাছে আসতে বলল এবং তাকে কিছুক্ষণের জন্য খুব শক্ত করে জড়িয়ে ধ’রল। আমি অন্য দিকে তাকালাম, কারণ আমা’র ভ’য় হচ্ছিল, এই শেষ মু’হূর্তে জেন আমা’র সি’'দ্ধান্ত পরিবর্তন না হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর আমি তাকে কোলে নিলাম। শোবার ঘর থেকে ড্রইং রুম, ড্রইং রুম থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত তাকে নিয়ে গেলাম। সে তার হাত দিয়ে আলতো ভাবে আমা’র গ’লা জড়িয়ে ছিল।

আমিও তাকে খুব হাল্কাভাবে কোলে নিয়ে ছিলাম… ঠিক জেন বিয়ের প্রথম দিনের মত। কিন্তু তার এই এত হাল্কা ওজন আমাকে অনেক ক’ষ্ট দিয়েছিল… প্রায় অনেক আগে যেদিন আমি তাকে কোলে নিয়েছিলাম, সেদিন তাকে নিয়ে কিছু দূ’র হাটতেই আমা’র অনেক ক’ষ্ট হচ্ছিলো। আমা’দের ছে’লেটা স্কুলে চলে গেছে। আমি আমা’র স্ত্রিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধ’রে বললাম, আমি বুঝতে পারিনি যে, আমা’দের মধ্যে এতটা অন্তর”’'ঙ্গের অভাব ছিল। এ কথা বলেই আমি অফিসে চলে গেলাম। অফিস থেকে ছুটি নিয়েই বেরিয়ে গেলাম। চলে গেলাম সোজা ফারহানার বাসায়।

সিঁড়ি বেয়ে দ্রুত উপরে উঠে গেলাম। আমি খুব তাড়াহুড়ো করছিলাম, ভ’য় পাচ্ছিলাম যাতে আমা’র মন আবার পরিবর্তন হয়ে যায়। ফারহানা দরজা খুলতেই আমি তাকে বললাম, ফারহানা, আমাকে মাফ করে দিও… আমি আমা’র স্ত্রির সাথে ডিভোর্স চাইনা।” ফারহানা আমা’র দিকে খুব অ’বাক হয়ে তাকাল এবং আমা’র কপালে হাত দিয়ে জিজ্ঞেস করলো, “আচ্ছা তুমি ঠিক আছো তো?? তোমা’র কি জ্বর আ’সছে??”আমি ওর হাত আমা’র কপাল থেকে সরালাম এবং আবারো বললাম, “ফারহানা, আমি ওকে ডিভোর্স দিতে চাই না। তুমি পারলে আমাকে মাফ করে দিও। আমা’দের বৈবাহিক স’ম্পর্কটা হয়তো বির’ক্তিকর ছিল, কারণ আম’রা আমা’দের জী’বনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মু’হূর্ত গু'’’লোকে মুল্য দেইনি, কিন্তু এর মানে এই না যে আম’রা কখনো একে অ’পরকে ভালোবাসিনি। কিন্তু এখন আমি বুঝি যে, যেদিন আমি তাকে বিয়ে করেছিলাম, সেদিন আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, যে মৃ’”ত্যু পর্যন্ত আমি তার সাথে থাকবো।” তখন ফারহানা আমাকে খুব জো’রে একটা চড় মা’রলো এবং আমা’র মুখের উপর দরজা লা’গিয়ে দিয়ে ভেতরে চি’ৎকার করে কা’ন্নায় ভে’ঙে পড়লো। আমি বাসার নিচে নেমে এলাম এবং চলে আ’সলাম।

পথেই একটা ফুলের দোকান পেলাম এবং একটা ফুলের তোড়া কিনলাম আমা’র স্ত্রির জন্য। আমাকে দোকানদার জিজ্ঞেস করলো, “স্যার কার্ডের উপর কি লিখবো?” আমি একটু মৃ’’দু হাসলাম এবং লিখতে বললাম, “আমি প্রতিদিন সকালে তোমাকে কোলে নিব… আমা’র মৃ’”ত্যু পর্যন্ত” ঐ দিন সন্ধ্যায় আমি বাসায় ফিরি, আমা’র হাতে ফুলের তোড়া, আমা’র চেহারায় সুখের হাসি, আমি সোজা আমা’র শোবার ঘরে চলে যায় এবং দেখি আমা’র স্ত্রি আর নেই। সে আমাকে ছে’ড়ে চলে গেছে… সারা জী’বনের জন্য চলে গেছে… যেখান থেকে আর কখনো ফেরা সম্ভব না।

আমা’র স্ত্রির ক্যা’ন্সার ছিল, অথচ আমি ফারহানাকে নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিলাম যে, এদিকে খেয়ালই করিনি। সে জানতো যে সা মা’রা যাচ্ছে… কিন্তু সে আমাকে বুঝতে দেয়নি, কারণ আমা’দের ছে’লের পরীক্ষা ছিল এবং আমা’দের ডিভোর্স হয়েছে এটা জানলে আমা’দের ছে’লেটার মন- মানষিকতা ন’ষ্ট হয়ে যেতে পারে। সে মা’রা গেলে আমা’দের আর আ’লাদা হয়ে বেঁ’চে থাকতে হবে না। সে আমা’র ছে’লের কাছে প্রমান করে দিয়ে গেল, আমি খুব ভালো স্বামী ছিলাম, যে তার স্ত্রির অনেক খেয়াল করতো।

স’ম্পর্কের এই ছোট ছোট ব্যাপারগু'’’লো আ’সলেও অনেক গু'’’রুত্বপূর্ণ। এই বড় রাজপ্রাসাদ, গাড়ি, সম্পত্তি, টাকা এগু'’’লো সব কিছুই ভালো থাকার পরিবেশ তৈরি করে কিন্তু নিজে’রা কোন সুখ দিতে পারে না। তাই কিছু সময় বের করুন আপনার স্বামী বা স্ত্রির জন্য। তার ব’ন্ধু হন। এবং কিছু কিছু ছোট ছোট মু’হূর্ত তৈরি করুন যা আপনাদের স’ম্পর্ককে আরও কাছের করবে। কারণ, এটাই সত্য “পরিবার পৃথিবীতে সব চাইতে দামি।” আপনি যদি এখন কোন স’ম্পর্কতে নাও থাকেন, তারপরেও দ্বিতীয় বারের মত অথবা তার চাইতেও বেশী চিন্তা করুন, কারণ এখনো দেরী হয়ে যায় নি… এখনো অনেক সময় আছে।

আপনি যদি এই পোস্টটি না শেয়ার করেন, তাতে কোনই স’মস্যা নেই। কিন্তু যদি শেয়ার করেন, তাহলে হয়তো আপনি একটি স’ম্পর্ক আবার জোড়া লা’গাতে পারেন। জী’বনে অনেক মানুষই বুঝতে পারে না যে, তারা সফলতার কত কাছাকাছি আছে। যদি ভালো লাগে তাহলে আরো ভাল ভাল গল্প পড়তে আমা’দের সাথে থাকুন।
English News:
The 8 Best Health Insurance Companies of 2020
Find the best health insurance provider for your needs
There are several criteria to keep in mind when choosing from the best health insurance companies including financial strength, customer service ratings, claims service, plan prices, policy offerings, coverage benefits, and provider choices. There is no one “best” health insurance company, but the best one for you will depend on the type of health insurance you need, your budget, and what is available in your area.

The region you live in will determine which health insurers you have access to, and coverage options vary from state to state. It can be a daunting process trying to find a health insurer that matches all your needs, but we’ve done the research to come up with a list of insurers that have a good reputation and perform well in the areas of policy offerings and plan choices. These eight health insurance companies are some of the best options for health care coverage for 2020.

We teamed up with QuinStreet to bring you the health insurance offers in the following table. Below, you’ll find our editors’ picks for the best health insurance companies.

The 8 Best Health Insurance Companies of 2020
Kaiser Permanente: Best for Health Savings Account (HSA) Options
Blue Cross Blue Shield: Best Large Provider Network
UnitedHealthcare: Best for Online Care
Aetna: Best for Employer-Based Plans
Cigna: Best for Telehealth Care
HCSC: Best for Healthy Living Programs
Molina Healthcare: Best for Preventive Care

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz