1. [email protected] : admi :
  2. [email protected] : admin admin : admin admin
  3. [email protected] : atayur :
  4. [email protected] : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
  5. [email protected] : News Reporter :
কাঁপতে কাঁপতে মরল ১৬ হাজার মুরগি
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ০১:৪২ অপরাহ্ন

কাঁপতে কাঁপতে মরল ১৬ হাজার মুরগি

Desk Report
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০
  • ১৩৩ Time View

করো'নার প্রভাবে সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছেন বরিশাল জে'লার অধিকাংশ উপজে'লার মুরগির ব্যবসার স'ঙ্গে জড়িত খামা'রিরা। এরইমধ্যে নতুন করে ভ'য়াবহ ক্ষ'তির মুখে পড়েছে গৌরনদী উপজে'লার খাঞ্জাপুর ইউপির তিনটি গ্রামের ২০টি খামা'র। ওইসব খামা'রে অজ্ঞাতরোগে আ'ক্রা'ন্ত হয়ে প্রায় ১৬ হাজার সোনালি মুরগি মা'রা গেছে। গত তিনদিনে গৌরনদীর ইল্লা, ডুমুরিয়া ও কমলাপুর গ্রামের ২০টি খামা'রে এসব মুরগি মা'রা গেছে। খবর পেয়ে উপজে'লা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রতি খামা'র থেকে মর'া মুরগির নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য বরিশাল গবেষণাগারে পাঠিয়েছেন।

খাঞ্জাপুর ইউপিতে ছোট বড় শতাধিক পোল্ট্রি মুরগির খামা'র রয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ৭০টি সোনালি লেয়ার মুরগির খামা'র। যার অধিকাংশ খামা'র ইল্লা, ডুমুরিয়া ও কমলাপুর গ্রামে।  ইল্লা গ্রামের খামা'রী ভূমিহীন লিপি বেগম জানান, তার অসুস্থ স্বামী ফরিদ হাওলাদারসহ তিন সন্তান নিয়ে তিনি সাইদুল সরদারের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। স্থানীয় ডিলার শংকর তফাদারের কাছ থেকে বাকিতে ৪ হাজার সোনালি মুরগির বাচ্চা ও খাবার এনে তিনি দুটি খামা'রে পালন করেন। করো'নাভাইরাসের কারণে মুরগি বিক্রির সময় হলেও তা বিক্রি করতে পারেননি। বর্তমানে প্রতিটি মুরগি এক কেজির উপরে ওজন হয়েছে। শনিবার সকালে মুরগির খাবার দিতে গিয়ে তিনি দেখতে পান খামা'রের অধিকাংশ মুরগি মর'ে পড়ে রয়েছে। বাকি মুরগির শরীর কাঁপছে এবং মুখ দিয়ে পানি ঝরছে। এভাবে কিছু সময় পর পর আ'ক্রা'ন্ত মুরগি কাঁপতে কাঁপতে মা'রা যায়।

একই গ্রামের খামা'রি শ’হীদ হাওলাদার কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, ধার দেনা ও ডিলারের কাছ থেকে বাকিতে ঈদে বিক্রির লক্ষ্য নিয়ে পাঁচটি মুরগির খামা'রে সাত হাজার মুরগি পালন করি। গত দুই দিনে আমা'র ছয় হাজার মুরগি মা'রা গেছে। বাকি এক হাজার মুরগি নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিয়েছি। শেষ সম্বল হারিয়ে আমি এখন পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে গেছি।  একইভাবে জানান, ডুমুরিয়া গ্রামের জসিম সরদার, কমলাপুর গ্রামের জহুর আলী, ইল্লা গ্রামের লিটন ফকির, সোহরাব মৃধা, সোহেল হাওলাদারসহ অসংখ্য খামা'রিরা। ইল্লা গ্রামের খামা'রি নাজমুল ঘরামী অ'ভিযোগ করে বলেন, আমা'র খামা'রের মুরগি মর'া শুরু করলে উপজে'লা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের ফোন দিয়ে বি'ষয়টি জানানো সত্ত্বেও কোনো চিকিৎসক খামা'রে আসেননি।

স্থানীয় ডিলার ও খামা'রি শংকর তফাদার বলেন, আমা'র বাড়িতে ব্যক্তিগত তিনটি খামা'রে প্রায় ছয় হাজার এক কেজি ওজনের সোনালি মুরগি ছিলো। এরমধ্যে পাঁচ হাজারেরও অধিক মুরগি অজ্ঞাত রোগে মা'রা গেছে। এছাড়া অধিকাংশ খামা'রে আমি ৩০ লাখ টাকার উপরে বাকিতে বাচ্চা ও খাবার সরবরাহ করেছি। নিজের ও খামা'রিদের মুরগি মা'রা যাওয়ায় এখন আমা'র উপর যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে । এছাড়া গত তিনদিনে মুরগি মা'রা যাওয়ার খবর শুনে কোম্পানির পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য প্রতিনিয়ত মোবাইল ফোনে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এ অবস্থায় সরকারের সহযোগিতা না পেলে আমিসহ খামা'রিদের ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে না।

গৌরনদী উপজে'লা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মাছুম বিল্লাহ  বলেন, খবর পেয়ে খামা'রগু'লো পরিদর্শন করা হয়েছে। খামা'রিদের যে ক্ষ'তি হয়েছে তা অ'পূরণীয়। প্রতি খামা'র থেকে মর'া মুরগির নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য বরিশাল গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছে। গবেষণাগারের রিপোর্ট পাওয়ার পর অসুস্থ মুরগির প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
News Bulletin © All rights reserved 2021
Develper By ITSadik.Xyz